Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৯ আশ্বিন ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Jhargram

আজও জড়িয়ে উত্তম কুমারের স্মৃতি, শতবর্ষে সরিয়ে ফেলা হচ্ছে সরডিহার সেই ব্রিজ

একই কথা শোনা গিয়েছে ঝাড়গ্রাম হোটেল মালিক সমিতির সভাপতি মধুসূদন কর্মকারের বক্তব্যেও। তিনি জানান, পর্যটকদের কাছে সরডিহার এই ঐতিহাসিক যোগ অত্যন্ত আকর্ষণের। মহানায়কের স্মৃতিবিজড়িত জায়গাটি সংরক্ষণ করা গেলে তা জেলার পর্যটনেরও সম্পদ হয়ে উঠতে পারত।

সুনীপা চক্রবর্তী
সুনীপা চক্রবর্তী

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬, ১৬:২৬

link
সুনীপা চক্রবর্তী
সুনীপা চক্রবর্তী

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬, ১৬:২৬

options
link
আজও জড়িয়ে উত্তম কুমারের স্মৃতি, শতবর্ষে সরিয়ে ফেলা হচ্ছে সরডিহার সেই ব্রিজ zoom
মহানায়কের স্মৃতিবিজড়িত সরডিহার ফুটব্রিজ এবার ইতিহাসে।
Advertisement

মহানায়কের শতবর্ষে উত্তম কুমারকে ঘিরে একাধিক অনুষ্ঠানের সাক্ষী থেকেছে বাংলা। ঠিক সেই সময় তাঁর স্মৃতিবিজড়িত একটি স্থাপনা হারিয়ে যাচ্ছে ঝাড়গ্রামে। সরডিহা রেলস্টেশনের ১৯৫৫ সালে তৈরি পুরনো ফুট ওভার ব্রিজটি বেহাল ও বিপজ্জনক হয়ে পড়ায় ভেঙে সরিয়ে ফেলার কাজ শুরু হয়েছে। কয়েক দিন আগে শুরু হয়েছে ওই কাজ। বছরখানেক আগেই যাত্রীদের জন্য নতুন ফুট ওভার ব্রিজ তৈরি হয়েছে। ফলে পাঁচ দশকেরও বেশি পুরনো সেতুটি এ বার ইতিহাসের পাতায় জায়গা নিতে চলেছে।

দেবাশিসবাবু বলেন, “উত্তম কুমারের স্মৃতিবিজড়িত ফুট ওভার ব্রিজটা রেখে দেওয়ার জন্য রেলের বিভিন্ন মহলে আবেদন করেও কোনও লাভ হল না। মহানায়কের শতবর্ষে ভেঙে অপসারণ হয়ে যাবে ‘বাঘ বন্দী খেলা’র সেই রানীপুর রেলস্টেশনের ফুটওভার ব্রিজ।”

মানিকপাড়া মৌজার মধ্যেই সরডিহা রেলস্টেশন। ১৯৭৪ সালে পীযূষ বসু পরিচালিত ‘বাঘ বন্দী খেলা’ ছবির শুটিং হয়েছিল সরডিহা স্টেশন ও আশপাশের এলাকায়। ছবিতে সরডিহা হয়ে উঠেছিল ‘রানীপুর’ রেলস্টেশন। সেই শুটিংয়ের স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে পুরনো ফুট ওভার ব্রিজটির সঙ্গেও। ছবির শুটিংয়ের সময় ওই সেতু ব্যবহার করা হয়েছিল। সরডিহায় উত্তম কুমার, পার্থ মুখোপাধ্যায়-সহ কলাকুশলীদের শুটিং দেখতে ভিড় জমাতেন স্থানীয়রা। 

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
‘বাঘ বন্দী খেলা’ ছবিতে এই সেই ফুটব্রিজ।

তখন মানিকপাড়া হাইস্কুলের একাদশ শ্রেণির ছাত্র ছিলেন স্থানীয় বাসিন্দা দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। ষোলো বছরের দেবাশিসবাবু সামনে থেকে দেখেছিলেন মহানায়ককে। তাঁর স্মৃতিতে এখনও স্পষ্ট ১৯৭৪-এর সেই তিন দিনের শুটিং। দেবাশিসবাবু বলেন, “উত্তম কুমারের স্মৃতিবিজড়িত ফুট ওভার ব্রিজটা রেখে দেওয়ার জন্য রেলের বিভিন্ন মহলে আবেদন করেও কোনও লাভ হল না। মহানায়কের শতবর্ষে ভেঙে অপসারণ হয়ে যাবে ‘বাঘ বন্দী খেলা’র সেই রানীপুর রেলস্টেশনের ফুটওভার ব্রিজ।” দেবাশিসবাবুর আক্ষেপ, ব্রিজটি রেখে দিলে ভালো হতো।

একই কথা শোনা গিয়েছে ঝাড়গ্রাম হোটেল মালিক সমিতির সভাপতি মধুসূদন কর্মকারের বক্তব্যেও। তিনি জানান, পর্যটকদের কাছে সরডিহার এই ঐতিহাসিক যোগ অত্যন্ত আকর্ষণের। মহানায়কের স্মৃতিবিজড়িত জায়গাটি সংরক্ষণ করা গেলে তা জেলার পর্যটনেরও সম্পদ হয়ে উঠতে পারত। যদিও এই প্রসঙ্গে দক্ষিণ পূর্ব রেলের এক আধিকারিক বলেন, “নতুন ফুট ওভার ব্রিজ হওয়ার পর পুরনো বিপজ্জনক ফুট ওভার ব্রিজে চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। সেটি ডিসমেন্টাল করার সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হচ্ছে।” ‘বাঘ বন্দী খেলা’র শুটিংয়ের স্মৃতি জড়ানো পুরনো এই ফুটওভার ব্রিজ ভেঙে সরিয়ে ফেলার খবরে আক্ষেপ স্থানীয় প্রবীণ ও পর্যটন ব্যবসায়ীদের।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.