Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
প্রশান্ত কিশোর

ফেসবুকে ব্যাপক জনসংযোগ, পিকের রিপোর্ট কার্ডে প্রথম পাঁচে আসানসোলের মেয়র জিতেন্দ্র

জেনে নিন পিকের রিপোর্ট কার্ডে কে রয়েছেন কত নম্বরে?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২০, ১৯:৪০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২০, ১৯:৪০

options
link
ফেসবুকে ব্যাপক জনসংযোগ, পিকের রিপোর্ট কার্ডে প্রথম পাঁচে আসানসোলের মেয়র জিতেন্দ্র zoom
Advertisement

চন্দ্রশেখর চট্টোপাধ্যায়, আসানসোল: সোশ্যাল মিডিয়ায় দলীয় কর্মসূচি ও সরকারি কর্মকাণ্ডের প্রচারে রাজ্যের বিধায়কদের মধ্যে শীর্ষে জায়গা করে নিলেন পাণ্ডবেশ্বরের বিধায়ক তথা আসানসোলের মেয়র জিতেন্দ্র তিওয়ারি। রাজ্যের ২০০ বিধায়কের ফেসবুক পেজ সার্ভে করে টিম পিকে এক্সেলেন্ট ব়্যাংক দিয়েছেন জিতেন্দ্রকে। প্রথম পাঁচের মধ্যেই তাঁর নাম রয়েছে। তবে তালিকায় প্রথমেই রয়েছেন উত্তর হাওড়ার বিধায়ক তথা মন্ত্রী লক্ষ্মীরতন শুক্লা, দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, তিনে রাসবিহারীর বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, চারে নাটাবাড়ি রবীন্দ্রনাথ ঘোষ তারপরই পাঁচ নম্বরে রয়েছেন পাণ্ডবেশ্বরের বিধায়ক জিতেন্দ্র তিওয়ারি।

লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের আসন সংখ্যা কমে যাওয়ার পরই রাজ্যের রাজনৈতিক রণনীতি ঠিক করতে বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হয় প্রশান্ত কিশোরকে। আগামী বিধানসভা নির্বাচনকে মাথায় রেখে বিভিন্ন স্তরের তৃণমূল নেতাকর্মী এমনকি সাধারণ মানুষকে নিয়ে যে সার্ভে শুরু করেন প্রশান্ত কিশোর। শাসকদলের সংগঠন তৈরির ক্ষেত্রে বিশেষ নজর দেয় পিকে। তাঁর নির্দেশেই সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজেদের কাজকর্ম ও মানুষের সঙ্গে যোগাযোগের বিশেষ নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল দলের কর্মী থেকে নেতা-মন্ত্রীদের। সেই নির্দেশিকা অনুযায়ী সোশ্যাল মিডিয়ায় জনসংযোগের কাজ শুরু করেন নেতা-নেত্রীরা। নির্দেশ মেনে জনসংযোগের কাজ চালানোর পরই বিধায়ক জিতেন্দ্র তিওয়ারির ব্যক্তিগত ফেসবুক পেজ খতিয়ে দেখে জানা গিয়েছে, সেখানে দৈনিক ঢুঁ মারেন গড়ে ২২ হাজার ৩০৮ জন। তাই নিয়ম মেনে তিনি পেয়েছেন এক্সিলেন্ট।

Advertisement

 

আসানসোলের বাকি বিধায়কদের নাম রয়েছে একেবারে নিচের সারিতে। জিতেন্দ্র তিওয়ারির পর আসানসোল দক্ষিণের বিধায়ক তাপস বন্দ্যোপাধ্যায় রয়েছেন ‘গুডের’ তালিকায়। তাঁর ফেসবুকে পেজ লাইক সংখ্যা ৭ হাজার ১৫৯ জন। তবে আসানসোল উত্তরের বিধায়ক তথা মন্ত্রী মলয় ঘটক, বারাবনীর বিধায়ক বিধান উপাধ্যায় পিকের রিপোর্ট কার্ডে পেয়েছেন ‘পুওর’। মলয় ঘটকের ফেসবুক পেজ লাইকের সংখ্যা ১ হাজার ৯০০ ও বিধান উপাধ্যায়ের ফেসবুক পেজ লাইকের সংখ্যা ১ হাজার ২০০ জন। কুলটির বিধায়ক উজ্জ্বল চট্টোপাধ্যায় রয়েছেন ক্রিটিক্যালের তালিকায়। তাঁর ফেসবুক পেজ লাইক সংখ্যা মাত্র ৮০ জন।

[আরও পড়ুন: কীর্তনে মাতলেন শুভেন্দু অধিকারী, খেজুরির সৎসঙ্গের উৎসবে অন্য রূপে মন্ত্রী]

এ প্রসঙ্গে জিতেন্দ্র তিওয়ারিকে জিজ্ঞেস করা হলে বলেন, “আমি এব্যাপারে কিছুই জানিনা। আমার দলের কর্মীরাই ফেসবুক পেজটি চালায়।” জিতেন্দ্র তিওয়ারির ফেসবুক পেজটি চালান তৃণমূল ছাত্রনেতা তথা নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ সভাপতি আদর্শ শর্মা। তিনি বলেন, “জিতেন্দ্র তেওয়ারি ফেসবুক পেজটি চলছে ২০১৫ সাল থেকে। দলের কর্মসূচি থেকে মুখ্যমন্ত্রীর অনুপ্রেরণার উন্নয়মুখী প্রকল্প সমস্ত কিছু সময় করে এই পেজে পোস্ট করা হয়। দুটি লোকসভা ভোটেই এই পেজ থেকে বিজেপি বিরোধী প্রচার চালানো হয়েছিল।” তিনি জানিয়েছেন, এই ফেসবুক পেজের সঙ্গে ইনস্টাগ্রাম ও টুইটারও লিংক করা আছে। পাশাপাশি, সার্ভে চলাকালীন ফলোয়ারের সংখ্যা ২২ হাজার থাকলেও এখন তা বেশি ২৫ হাজার হয়েছে বলেই দাবি আদর্শের।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.