৫ আষাঢ়  ১৪২৬  বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০১৯ 

Menu Logo বিলেতে বিশ্বযুদ্ধ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সৌরভ মাজি, বর্ধমান: হাসপাতালের সব গেট বন্ধ, কোনও রোগীকে ভিতরে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। উলটে যাঁরা কোনওভাবে হাসপাতালে ভিতরে ঢুকে পড়েছিলেন, তাঁদেরকেও টেনে বের করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। জুনিয়র ডাক্তারকে সঙ্গে রোগীর আত্মীয় ও পরিজনের খণ্ডযুদ্ধে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল। ছবি তুলতে গিয়ে আক্রান্ত হলেন ‘সংবাদ প্রতিদিন’-এর চিত্র সাংবাদিক মুকুলেসুর রহমান। বর্ধমান থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি।

[আরও পড়ুন: আগে কর্তব্য, প্রতীকী প্রতিবাদের পর পরিষেবায় ফিরলেন পুরুলিয়ার চিকিৎসকরা]

বছরভর যাঁদের স্টেথোস্কোপ কাঁধে হাসপাতালে চত্বরে ঘুরে দেখা যায়, বুধবার সেই জুনিয়র ডাক্তাররাই রড-লাঠি-বাঁশ হাতে দাপিয়ে বেড়ালেন বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে চত্বরে। সকাল থেকেই হাসপাতালের সবকটি গেট বন্ধ করে দেন আন্দোলনকারীরা। এদিকে ততক্ষণে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে সামনে রোগীর ভিড় জমে গিয়েছে। একসময়ে ধৈর্য্যের বাঁধ ভাঙে রোগীর পরিজন ও স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের। জুনিয়র ডাক্তারদের সঙ্গে খণ্ডযুদ্ধ বেঁধে যায় তাঁদের। বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের জুনিয়র ডাক্তারদের হাতে পুলিশ আধিকারিকদের হেনস্তা হতে হয় বলে অভিযোগ। হাসপাতালে জরুরি বিভাগের সামনে যখন গন্ডগোলের ছবি তুলতে যান ‘সংবাদ প্রতিদিন’-এর চিত্র সাংবাদিক মুকুলেসুর রহমান, তখন তাঁকে বাধা দেন জুনিয়র ডাক্তার। কিন্তু নিজের কর্তব্যে অবিচল ছিলেন মকুলেসুর। তাঁকে বেধড়ক মারধর করেন জুনিয়র ডাক্তাররা। এমনকী, প্রমাণ লোপাট করার জন্য কেড়ে নেওয়া হয় ক্যামেরা। ভাঙচুর চলে বাইকেও।

এনআরএস কাণ্ডের প্রতিবাদের সোমবার রাত থেকে কর্মবিরতিতে শামিল হয়েছেন বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের ইন্টার্ন ও জুনিয়র ডাক্তাররা। সোমবার রাতে রোগীর পরিজনদের সঙ্গে জুনিয়র ডাক্তারদের গন্ডগোল হয়। মঙ্গলবার দিনভরই আউটডোর-সহ হাসপাতালে সব বিভাগই অচল ছিল। ফলে্ চরম দুর্ভোগে পড়তে হয় রোগীদের।

দেখুন  ভিডিও:

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং