সুমন করাতি, হুগলি: কানাইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের মামলায় আদালতে রাজ্য সরকারের হয়ে সওয়াল করবেন শ্রীরামপুরের সাংসদ তথা আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার পকসো আদালতে শুনানির জন্য মামলাটি উঠবে। সেখানেই অভিযুক্তের কঠোর শাস্তির জন্য সওয়াল করবেন কল্যাণ। তিনি বলেন, “সরকার পরিবারের পাশে আছে। অভিযুক্তের যাতে সর্বোচ্চ শাস্তি হয় তার ব্যবস্থা করা হবে।”
শনিবার রাতে হুগলির কানাইপুরের নাবালিকার বাড়িতে যান স্থানীয় সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্য সরকার তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিনিধি হিসাবে নির্যাতিতার বাড়িতে গিয়েছিলেন তৃণমূলের এই বর্ষীয়ান নেতা। তাঁকে কাছে পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন মৃতা নাবালিকার দিদিমা ও দিদি। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁদের আশ্বস্ত করেন, সরকার পরিবারের পাশে আছে। সব রকম সাহায্য করা হবে। তারপরই জানা যায় এই মামলায় সরকারের হয়ে লড়বেন তিনি। মৃতার পরিবারকেও আইনি সাহায্য করা হবে।
সাংসদ বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী আমাকে পাঠিয়েছেন। সরকার এই পরিবারের পাশে আছে। অভিযুক্তের যাতে সর্বোচ্চ শাস্তি হয় তার ব্যবস্থা করা হবে। এটা বিরল থেকে বিরলতম ঘটনা। দুষ্কৃতীরা সমাজে মিশে থেকে, এই ধরনের জঘন্য অপরাধ করে। এদের বিরুদ্ধেই আমাদের লড়াই। আর জি করের সময়ও আমি একই কথা বলেছিলাম। আজও বলছি।”
গত মঙ্গলবার বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন নাবালিকাকে বাড়ি থেকে খাবারের লোভ দেখিয়ে নিয়ে যায় প্রতিবেশী যুবক। যুবক নাবালিকাকে ধর্ষণ ও খুন করে বলে অভিযোগ। নিখোঁজ থাকার পর বৃহস্পতিবার বাড়ি থেকে অনেকটা দূরে নপাড়া এলাকা থেকে নাবালিকার দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। অভিযুক্তকে বৃহস্পতিবার রাতেই খড়িয়াল এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ধর্ষণ ও খুনের মামলা রুজু হয়। কলকাতায় নাবালিকার দেহের ময়নাতদন্ত করা হয়েছে।
সর্বশেষ খবর
-
‘ববিদাকে ফোন করব’, ফিরহাদের পদত্যাগের পরই জল্পনা বাড়ালেন ‘আসল তৃণমূল’ ঋতব্রত
-
‘ইন্ডাস্ট্রিতে কেউ কচি নয়’, স্বরূপের শ্লীলতাহানি মামলায় রূপার নিশানায় কারা? কী বলছেন স্বপন দাশগুপ্ত?
-
দিল্লি দরবারে বৈঠক শেষে ‘খুশি’ মনে রাজ্যে ফিরছেন মুখ্যমন্ত্রী, আজ রাতেই দপ্তর বণ্টন!
-
অভিষেকের কথাই শেষ কথা নয়! দলের খোলনলচে বদলে বড় সিদ্ধান্ত বিদ্রোহে ‘বিপন্ন’ মমতার
-
ভারতে ইবোলার হানা! জয়পুরে উগান্ডার পর্যটকের শরীরে সংক্রমণের লক্ষণ ঘিরে চর্চা