BREAKING NEWS

১২ আশ্বিন  ১৪২৭  মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

লকডাউনের দিনক্ষণ বারবার বদলে ক্ষুব্ধ বিরোধীরা, মন্ত্রিসভা ভেঙে দেওয়ার দাবি মান্নানের

Published by: Sucheta Sengupta |    Posted: August 3, 2020 10:34 pm|    Updated: August 3, 2020 10:36 pm

An Images

বুদ্ধদেব সেনগুপ্ত: লকডাউনের (Lockdown) তারিখ বারবার বদল হওয়াতেই স্পষ্ট যে সরকার দিশেহারা। মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে সরকার। রাজ্যের এমনই অভিযোগে সরব বাম ও কংগ্রেস নেতৃত্ব। মন্ত্রিসভা ভেঙে দেওয়ার দাবি তুললেন বিরোধী দলনেতা আবদুল মান্নান। লকডাউনের দিনক্ষণ কারা, কোন যুক্তিতে বদলাচ্ছেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন বাম পরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তী।

আগস্ট মাসে কবে কবে রাজ্যে পূর্ণ লকডাউন থাকবে, সেই দিনক্ষণ ঠিক করতে গিয়ে চারবার সিদ্ধান্ত বদল করতে হয়েছে রাজ্য সরকারকে। এভাবে সপ্তাহে দু’দিন করে লকডাউনের সিদ্ধান্ত কার সঙ্গে আলোচনা করে নেওয়া হয়েছে, এ নিয়ে প্রথমদিন থেকেই প্রশ্ন তুলেছিলেন বিরোধীরা। সমালোচনাও কম হয়নি। এবার বারবার করে দিন বদলে যথেষ্ট ক্ষুব্ধ বাম, কংগ্রেস শিবির। বিরোধী দলনেতা আবদুল মান্নানের (Abdul Mannan) অভিযোগ, সরকারের এই সিদ্ধান্তহীনতা বুঝিয়ে দিচ্ছে, তারা কতটা অসহায়। সরকার চালাতে হিমশিম খাচ্ছে। এই অবস্থায় সরকার ভেঙে দেওয়া উচিৎ বলে দাবি করেন তিনি। সরকারে বসে যাঁরা এমন বিভ্রান্তিমূলক সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন, তাঁরা মানসিক রোগগ্রস্ত। এদের নিয়ে রাজ্যে করোনা মোকাবিলা করা সম্ভব নয় বলে অভিযোগ বিরোধী দলনেতার।

[আরও পড়ুন: কলকাতায় উপসর্গহীন করোনা রোগীর সংখ্যা প্রায় ৭০ শতাংশ, দাবি কলকাতা পুরসভার]

আবদুল মান্নানের সুরে সুর মিলিয়েছেন বাম পরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তী। তাঁর কটাক্ষ, সরকার নয়, সার্কাস চলছে। লকডাউন নিয়ে প্রহসন করছে চলছে। এদিকে, রাজ্যের করোনা গ্রাফ ক্রমশই ঊর্ধ্বমুখী। একেকদিন সংক্রমণে রীতিমত রেকর্ড তৈরি হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ৭৮ হাজার ছাড়িয়েছে। সোমবার মৃত্যুর সংখ্যা সর্বাধিক। এই অবস্থায় সপ্তাহে ২ দিন রাজ্যে পূর্ণ লকডাউন রেখে কী লাভ হচ্ছে, সেই প্রশ্ন তুলছেন বিরোধীরা। বাম-কংগ্রেসের এই প্রতিক্রিয়া নিয়ে শাসকশিবির মুখ খুলতে নারাজ। তবে গোড়া থেকেই তাঁদের বক্তব্য, এই কঠিন সময়ে রাজনৈতিক ভেদাভেদ না করে সরকারের সঙ্গে হাত মিলিয়ে কাজ করা উচিৎ বিরোধীদের।

[আরও পড়ুন: করোনার কবলে সিপিএম নেতা মহম্মদ সেলিম, চিকিৎসাধীন বেসরকারি হাসপাতালে]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement