অর্ণব দাস, বারাকপুর: লাইনের পাশে রেলিং দেওয়ায় যাতায়াতে অসুবিধা। প্রতিবাদে রেল অবরোধে শামিল দত্তপুকুরের বাসিন্দারা। শিয়ালদহ-বনগাঁ শাখার দত্তপুকুর (Duttapukur) স্টেশনে রেললাইনে বসে পড়েন বিক্ষুব্ধরা। যার জেরে ব্যহত হয় ট্রেন চলাচল। প্রবল সমস্যায় পড়েন নিত্য যাত্রীরা।
বিষয়টা ঠিক কী? দত্তপুকুরে রেললাইনের পাশের একটি নির্দিষ্ট জায়গা দিয়ে প্রতিদিন যাতায়াত করেন এলাকার বহু মানুষ। সম্প্রতি রেলের তরফে নাকি সেই জায়গাটি ঘিরে দেওয়া হয়েছে। তারই প্রতিবাদে মঙ্গলবার ক্ষোভে ফেটে পড়েন দত্তপুকুরের বাসিন্দারা। বেলা পৌনে বারোটা নাগাদ রেল লাইনে বসে পড়েন মহিলা-পুরুষ। তাঁদের দাবি, এই রেলিং সরিয়ে দিতে হবে। তাঁদের কথায়, যে পয়েন্টে রেল গ্রিল দিয়ে আটকে দিচ্ছে, সেই রাস্তা দিয়ে এলাকার মানুষেরা বছরের পর বছর যাতায়াত করছে। এই রাস্তার বিকল্প কোনও পথ নেই। ফলে এটি আটকে দিলে যাতায়াতের চরম অসুবিধা হবে। তাঁদের দাবি, অন্তত কিছুটা অংশ ফাঁকা রাখতে হবে। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন জারি রাখার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তাঁরা।
[আরও পড়ুন: প্রবল বৃষ্টিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের হোটেলে ঢুকে পড়ল লরি! আলিপুরদুয়ারে মৃত ২]
এই বিক্ষোভের জেরে মঙ্গলবার পৌনে বারোটা নাগাদ দত্তপুকুরে আপ ও ডাউন লাইনে বন্ধ হয়ে যায় রেল চলাচল। একের পর এক দাঁড়িয়ে পড়ে ট্রেন। রাস্তায় বেরিয়ে প্রবল সমস্যায় পড়তে হয় নিত্যযাত্রীদের। কেউ স্টেশনে ট্রেনের অপেক্ষায়। কেউ আবার দীর্ঘক্ষণ ধরে আটকে ট্রেনে। অনেকে আবার বিকল্প পথে রওনা হয়েছেন গন্তব্যের উদ্দেশে। তবে সব মিলিয়ে প্রবল ভোগান্তিতে আমজনতা। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পুলিশ। আন্দোলনকারীদের বুঝিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টায় তাঁরা। তবে আন্দোলনকারীদের দাবি বৈধ নয় বলেই দাবি করেছেন নিত্যযাত্রীরা।
[আরও পড়ুন: ‘কোনও অভিযোগ নেই’, অনুব্রতর বিরুদ্ধে সাক্ষী দেওয়া নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন শতাব্দী]
সর্বশেষ খবর
-
কম ফ্যাটের দই মানেই ভেজাল নয়, ২৬ বছর পর হাই কোর্টে বেকসুর খালাস কৃষ্ণনগরের মিষ্টি ব্যবসায়ী
-
টাকা দিয়ে দেবীদর্শন! বদলের বঙ্গে বন্ধ হচ্ছে পুজোর ‘বিতর্কিত’ প্রিভিউ শো?
-
মন্দির ধসে পড়লেও নড়ানো যাচ্ছে না বজরংবলীকে! উজ্জয়িনীতে ‘অলৌকিক’ কাণ্ড, ভাইরাল ভিডিও
-
বনগাঁ আদালতে আইনজীবী সেজে প্রতারণা! ৩ জনকে আটক করল পুলিশ
-
৫ মাসে ২৩ ফাঁসির নির্দেশ, খুনের হুমকির মুখে সেই বিচারক বললেন, ‘ভয় পাওয়ার চেয়ে মরে যাওয়া ভালো’