Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Calcutta HC

কম ফ্যাটের দই মানেই ভেজাল নয়, ২৬ বছর পর হাই কোর্টে বেকসুর খালাস কৃষ্ণনগরের মিষ্টি ব্যবসায়ী

মামলার সূত্রপাত ১৯৯৭ সালের ১৬ মে। কৃষ্ণনগরের সাব-ডিভিশনাল ফুড ইন্সপেক্টর দেবাশিস রায় পরিদর্শনে যান ভগীরথ ঘোষের মিষ্টির দোকানে। দোকানে মাটির হাঁড়িতে ৮ কেজি দই রাখা ছিল।

গোবিন্দ রায়
গোবিন্দ রায়

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৮, ২০২৬, ২১:৪৪

link
গোবিন্দ রায়
গোবিন্দ রায়

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৮, ২০২৬, ২১:৪৪

options
link
কম ফ্যাটের দই মানেই ভেজাল নয়, ২৬ বছর পর হাই কোর্টে বেকসুর খালাস কৃষ্ণনগরের মিষ্টি ব্যবসায়ী zoom
কলকাতা হাই কোর্ট। ফাইল ছবি
Advertisement

২৬ বছর পর কলকাতা হাই কোর্টে স্বস্তি পেলেন কৃষ্ণনগরের মিষ্ঠি ব্যবসায়ী ভগীরথ ঘোষ। দইয়ে ভেজাল ছিল এই অভিযোগে নিম্ন আদালত তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে। হাই কোর্টে মামলা ওঠে। এই মামলায় ভগীরথের সাজা খারিজ করলেন বিচারপতি চৈতালি চট্টোপাধ্যায় (দাস)। আদালতের পর্যবেক্ষণ, কম ফ্যাট আছে বলে দইকে ভেজাল বলা যায় না। এই কারণে মিষ্টি ব্যবসায়ী ভগীরথ ঘোষের ৬ মাসের জেল ও জরিমানার সাজা বাতিল করেছেন বিচারপতি।

মামলার সূত্রপাত, ১৯৯৭ সালের ১৬ মে। কৃষ্ণনগরের সাব-ডিভিশনাল ফুড ইন্সপেক্টর দেবাশিস রায় পরিদর্শনে যান ভগীরথ ঘোষের মিষ্টির দোকানে। দোকানে মাটির হাঁড়িতে ৮ কেজি দই রাখা ছিল। সেখান থেকে ৬০০ গ্রাম দই ১৫ টাকায় কিনে নমুনা সংগ্রহ করেন। তার একটি অংশ নদিয়ার পাবলিক অ্যানালিস্টকে পাঠানো হয়। রিপোর্টে বলা হয় লো ফ্যাট কনটেন্ট-এর জন্য সেটি ভেজাল! এর ভিত্তিতে ১৯৯৭ সালে মামলা হয়। ২০০০ সালে কৃষ্ণনগরের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ভগীরথ ঘোষকে ৬ মাসের জেল ও ১০০০ টাকা জরিমানা করেন।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এরপর ভগীরথ ঘোষের আপিল মামলায় ২০০৪ সালে সেশন কোর্ট ওই সাজা বহাল রাখে। তারপর ভগীরথ ২০০৪ সালে কলকাতা হাইকোর্টে রিভিশন মামলা দায়ের করেন। ২০১৯ সালে ওই মামলার শুনানিতে কেউ হাজির না থাকায় মামলা খারিজ হয়ে যায়। ২০২৫ সালে আবার শুনানির জন্যে গ্রহণ করা হয়। অভিযুক্তের পক্ষের যুক্তি ছিল যে, কোনও স্বাধীন সাক্ষী নেওয়া হয়নি। ৮ কেজির মধ্যে কোন হাঁড়ি থেকে নমুনা নেওয়া হল, তা স্পষ্ট নয়। আর তাছাড়া কম ফ্যাট মানেই ক্ষতিকারক বা খাওয়ার অযোগ্য নয়। ফ্যাট কম বেশি দুধের ওপর নির্ভর করে।

বিচারপতি চৈতালী চট্টোপাধ্যায় (দাস) জানান, শুধুমাত্র পাবলিক অ্যানালিস্টের রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে সাজা দেওয়া হয়েছে এখানে। রিপোর্টে কোথাও লেখা নেই, কম ফ্যাটের কারণে দইটি মানুষের খাওয়ার অযোগ্য, স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকারক বা নোংরা, পচা। আরও বলা হয়, আইন অনুযায়ী, ভেজাল প্রমাণ করতে হলে দেখাতে হবে যে নিম্নমানের জিনিস মেশানোর ফলে খাবারটি ক্ষতিকারক হয়েছে। তাই আদালত আবেদন মঞ্জুর করে নিম্ন আদালতের সাজা বাতিল করে দিয়েছে। আবেদনকারীকে জামিনের বন্ড থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.