Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Health Department

স্থিতিশীল না করে রেফার নয়! রোগী ভোগান্তি দূর করতে একাধিক নির্দেশিকা স্বাস্থ্যদপ্তরের

রোগীকে অন্যত্র রেফার করার আগে তা জানাতে হবে হাসপাতালে ডেপুটি অথবা সহকারী সুপারকে।

অভিরূপ দাস
অভিরূপ দাস

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৮, ২০২৬, ১৪:২৪

link
অভিরূপ দাস
অভিরূপ দাস

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৮, ২০২৬, ১৪:২৪

options
link
স্থিতিশীল না করে রেফার নয়! রোগী ভোগান্তি দূর করতে একাধিক নির্দেশিকা স্বাস্থ্যদপ্তরের zoom
Advertisement

গুরুতর অসুস্থ রোগী এলেই অন্যত্র রেফারের মানসিকতা বদলাতে হবে। ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটের ব্যবস্থাপনা খতিয়ে জরুরি নির্দেশিকা জারি করল স্বাস্থ্যদপ্তর (Health Department)। স্বাস্থ্যদপ্তরের আদেশ, ‘গুরুতর অসুস্থ রোগী এলে আগে তাঁকে স্থিতিশীল করতে হবে। তার পর অন্যত্র রেফার করা যেতে পারে।’ তবে ইচ্ছেমতো নয়, রোগীকে অন্যত্র রেফার করার আগে তা জানাতে হবে হাসপাতালে ডেপুটি অথবা সহকারী সুপারকে। ডেপুটি সুপার এরপর যোগাযোগ করবেন স্বাস্থ্যভবনের ইন্টিগ্রেটেড কন্ট্রোল রুমে। যেখানে রেফার করা হচ্ছে সেখানে ক্রিটিক্যাল কেয়ার বেড আছে কিনা তা নিশ্চিত করতে হবে। তবে যদি রোগীর পরিবার নিজেরাই অন্যত্র নিয়ে যেতে চান সে ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম।

কোন হাসপাতালে কটি ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিট রয়েছে? আদৌ তা কতটা কার্যকর, তার সমস্ত তথ্য আপলোড করতে হয় ক্রিটিক্যাল কেয়ার ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমে। সম্প্রতি এই ‘সিসিএমআইএস’ পোর্টাল খতিয়ে দেখেছে স্বাস্থ্যদপ্তর। গত ১৩ আগস্ট বাংলার প্রতিটি সরকারি হাসপাতালের ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিট নিয়ে রাজ্য স্তরের একটি বৈঠক হয়। দেখা গিয়েছে একাধিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটের পরিকাঠামো তৈরি কিন্তু ব্যবহার হয়নি। তালিকায় রয়েছে, বীরপাড়া স্টেট জেনারেল, ফ্রেজারগঞ্জ হেলথ সেন্টার, চন্দননগর মহকুমা, সাগরদিঘি সুপার স্পেশালিটি, কল্যাণী গান্ধী মেমোরিয়াল, বেলদা-ডেবরা ও শালবনি সুপার স্পেশালিটি, আমতলা টিসিইউ, মেটিয়াবুরুজ সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল। সংশ্লিষ্ট জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে দ্রুত এগুলোকে চালু করতে হবে। ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে তা কার্যকর করতে হবে। চালু করে তা আপডেট করতে হবে সিসিএমআইএস পোর্টালে। হাইব্রিড সিসিইউ এখনও হস্তান্তর করা হয়নি হাসপাতালের কাছে। সেই তালিকায় ফালাকাটা-ওন্দা-পুরুলিয়া ও গোপালপুর সুপার স্পেশালিটি, রায়গঞ্জ মেডিক্যাল, কালনা মহকুমা, আসানসোল জেলা হাসপাতাল। ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সেগুলিও প্রস্তুত করে হস্তান্তর করতে হবে হাসপাতালের কাছে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

প্রতিটি ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটের জন্য বেঁধে দেওয়া হয়েছে গাইডলাইন। সমস্ত স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিট কী অবস্থায় রয়েছে, তা খতিয়ে দেখতে প্রতি সপ্তাহে রিভিউ মিটিং আয়োজন করতে হবে। প্রতিটি ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট বা আইসিইউতে থাকতে হবে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রিধারী একজন স্পেশালিস্ট। এ ছাড়াও বিশেষজ্ঞ যাঁরা থাকবেন তাদের ডিগ্রি বেঁধে দিয়েছে স্বাস্থ্য দপ্তর। অ্যানাস্থেটিস্টের প্রয়োজনীয় ডিগ্রি এমডি অথবা ডিএনবি ইন অ্যানাস্থেশিওলজি, তেমনই মেডিসিন, পালমোনারি মেডিসিন, এমার্জেন্সি মেডিসিনের চিকিৎসককে এমডি অথবা ডিএনবি ডিগ্রিধারী হতে হবে। এঁরা প্রতেক্যেই আইসিইউ স্পেশালিস্ট হিসাবে গণ্য হবেন। ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিট থেকে সংক্রমণ ছড়ানোর ঘটনা অহরহ। তা ঠেকাতে নির্দিষ্ট ‘গাইডলাইন’ বেঁধে দিয়েছে স্বাস্থ্যদপ্তর। প্রতিটি হাসপাতালের ‘ইনফেকশন কন্ট্রোল নার্সকে’ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, সিসিইউগুলিতে নিয়মিত ইনফেকশন কন্ট্রোল স্টেটাস পর্যবেক্ষণ করতে হবে।  

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.