Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৭ আগস্ট ২০২৬
Local train

সাড়ে ৭ মাস পর গড়াল লোকাল ট্রেনের চাকা, আগের মতোই ভিড় হাওড়া-শিয়ালদহে

রেল পরিষেবা চালু হওয়ায় স্বস্তিতে আনজনতা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১১, ২০২০, ১৫:২৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১১, ২০২০, ১৫:২৮

options
link
সাড়ে ৭ মাস পর গড়াল লোকাল ট্রেনের চাকা, আগের মতোই ভিড় হাওড়া-শিয়ালদহে zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনার (Coronavirus) কারণে চলতি বছরের মার্চের শেষভাগে বাকি গণপরিবহনের পাশাপাশি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল ট্রেন পরিষেবাও। তারপর দীর্ঘদিন পেরিয়েছে। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা করে কিছু স্পেশ্যাল ট্রেন চালানো হয়েছে। তবে সকলের মনেই প্রশ্ন ছিল লোকাল ট্রেনের চাকা গড়াবে কবে। দীর্ঘ প্রতিক্ষার অবসান ঘটিয়ে বুধবার সকালে প্রায় সাড়ে ৭ মাস পর বাংলায় চালু হল লোকাল ট্রেন পরিষেবা।

বুধবার সকাল থেকেই হাওড়া ও শিয়ালদহ স্টেশনের টিকিট কাউন্টারে দেখা গিয়েছে যাত্রীদের লম্বা লাইন। যদিও অন্যান্য স্টেশনগুলি তুলনামূলক ফাঁকাই ছিল। হাওড়া বা শিয়ালদহগামী সকালের ট্রেনেও যে খুব বেশি ভিড় নজরে পড়েছে তেমনটা নয়। নিয়ম মেনে প্রত্যেক যাত্রীই ব্যবহার করছেন মাস্ক। পালন করছেন সামাজিক দূরত্ব। পরিস্থিতি আয়ত্তে রাখতে প্রতি স্টেশনেই রয়েছে আরপিএফ, জিআরপি। ঘিরে দেওয়া হয়েছে স্টেশনের প্রবেশ ও বাহির পথ। যাতে কোনও ভাবে জমায়েত হতে না পারে। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত কোথাও কোনও সমস্যা তৈরি হয়নি। মসৃণভাবেই সব শাখায় গড়াচ্ছে ট্রেনের চাকা।

Advertisement

Local train service started after 7 and a half months

[আরও পড়ুন: রাজ্যের আবেদনে হাওড়ায় বাড়ল আরও ১০৯টি লোকাল ট্রেন, স্টেশনে থাকবে অ্যাম্বুল্যান্স]

পূর্বসূচি অনুযায়ী বুধবার ভোর ৩.৫৪ মিনিটে প্রথম ডায়মন্ড হারবার লোকাল শিয়ালদহ ছাড়ে। হাওড়া থেকে ভোর চারটার সময় ছাড়ে ব্যান্ডেল ও দশ মিনিট বাদে বর্ধমান মেন ও কর্ড। আপাতত হাওড়া শাখায় চলবে ৩১১ টি ট্রেন, শিয়ালদহ শাখায় ৪১৩টি। উল্লেখ্য, করোনা পরিস্থিতি ট্রেন চালালো হলেও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার খাতিরে একাধিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে রেলের তরফে। জানা গিয়েছে, থার্মাল স্ক্যানারে যাত্রীর শরীরের তাপমাত্রা বেশি পাওয়া গেলে তাঁকে ফাঁকা ঘরে বসানো হবে। এরপর রাজ্যের তরফে রাখা অ্যাম্বুল্যান্স করে হাসপাতালে নিয়ে পরীক্ষা করা হবে।

[আরও পড়ুন: শারদ সম্মানের মঞ্চ থেকে নন্দীগ্রাম দিবসের শুভেচ্ছা মুখ্যমন্ত্রীর, নাম নিলেন না শুভেন্দুর!]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.