Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
locket chatterjee

‘আমফানের ত্রাণ চুরি করা তৃণমূল নাকি ত্যাগী!’, মুখ্যমন্ত্রীকে খোঁচা লকেটের

'বাংলার তিন শিল্প চপ, ঢপ আর বোমা!', মন্তব্য বিজেপি সাংসদের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৫, ২০২০, ১৭:৫৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৫, ২০২০, ১৭:৫৭

options
link
‘আমফানের ত্রাণ চুরি করা তৃণমূল নাকি ত্যাগী!’, মুখ্যমন্ত্রীকে খোঁচা লকেটের zoom

সৈকত মাইতি, তমলুক: শাসক-বিরোধী আক্রমণ-পালটা আক্রমণে উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। এবার লকেট চট্টোপাধ্যায়ের (Locket Chatterjee) নিশানায় মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্য সরকার। আত্মবিশ্বাসী ভঙ্গিতে সাংসদ বললেন, “একুশের নির্বাচনের পর কালিঘাটে পিসি আর ভাইপো বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়া কেউ থাকবেন না!”

একুশের নির্বাচনকে পাখির চোখ করে প্রচারে নেমেছে শাসক-বিরোধী উভয়ই। বুধবার বাঁকুড়ায় সভা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee)। এদিকে জেলায় জেলায় সভা করছেন বিজেপির সাংসদ-নেতারাও। বুধবার মেচেদায় রেল ময়দানে কৃষি আইনের সমর্থনে সভা করেন বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। সেখানে ছিলেন কৈলাস বিজয়বর্গীয়, শঙ্কুদেব পণ্ডা-সহ একাধিক দাপুটে নেতা। সেখান থেকে মুখ্যমন্ত্রীকে একহাত নেন লকেট। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘তৃণমূল ত্যাগী’ মন্তব্যকে বিদ্রুপ করে লকেট বলেন, “আমফানের ত্রাণ চুরি করা, কেন্দ্রের পাঠানো চাল-ডাল চুরি করা তৃণমূল নাকি ত্যাগী!” বাংলার বেকারত্ব প্রসঙ্গেও মুখ্যমন্ত্রীকেই নিশানা করেন তিনি। বলেন, “করোনার কারণে পরিযায়ী শ্রমিকরা বাড়ি ফেরায় স্পষ্ট হয়েছে বাংলার কর্মসংস্থানের পরিস্থিতি। বাংলায় কোনও কাজ নেই বলেই হাজার হাজার মানুষকে ঘর ছেড়ে, পরিজনদের ছেড়ে চলে যেতে হচ্ছে ভিনরাজ্যে। করোনার কারণে তাঁরা রাজ্যে ফিরলেও ফের তাঁদের চলে যেতে হয়েছে। বাংলায় শুধু তিনটেই শিল্প, চপ, ঢপ আর বোমা!”

Advertisement

[আরও পড়ুন: উপত্যকাও শান্ত, কিন্তু বাংলায় শান্তি নেই’, মমতাকে বিঁধতে কাশ্মীরের সঙ্গে তুলনা টানলেন দিলীপ]

নারী নির্যাতন, ধর্ষণ ও একের পর এক ঘটে চলা খুন, অশান্তি প্রসঙ্গেও এদিন রাজ্য সরকারকে তোপ দাগেন লকেট চট্টোপাধ্যায়। রাজ্যে সন্ত্রাস দমনে মুখ্যমন্ত্রী ব্যর্থ বলেও মন্তব্য করলেন তিনি। নিজেদের স্বার্থে, সুস্থ বাংলা পেতে একুশের নির্বাচনে সকলকে বিজেপিতে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। আশ্বাস দেন পাশে থাকার। আত্মবিশ্বাসী সুরে মুখ্যমন্ত্রী ও ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিঁধে বললেন, “বিধানসভা ভোটের পর তৃণমূলে পিসি আর ভাইপো ছাড়া কেউ থাকবে না।” প্রতিশ্রুতি দিলেন একুশে জিতে সোনার বাংলা গড়ে তোলার। উল্লেখ্য, এদিন তৃণমূল ছেড়ে খাদ্য কর্মাধ্যক্ষ সিরাজ খান যোগ দিলেন বিজেপিতে। সেপ্রসঙ্গে আলোচনা করতে গিয়ে সম্প্রীতির বার্তা দেন কৈলাস। বলেন, “বাংলায় সিরাজ আর শ্রীরাম একসঙ্গে বিজেপির হয়ে লড়বে।” 

[আরও পড়ুন: ‘শাড়ি পরা হিটলারি শাসন বরদাস্ত করা হবে না’, নাম না করে মুখ্যমন্ত্রীকে বেনজির কটাক্ষ সায়ন্তনের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.