Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Jalpaiguri

জলপাইগুড়িতে মাছের মড়ক! রুই-কাতলা, চিতল ভেসে যাচ্ছে করলায়, মাছ ধরতে হুড়োহুড়ি জনতার

নদীতে ভেসে যাচ্ছে রুই, কাতলা, আড়, চিতল, বোয়াল-সহ অন্যান্য প্রজাতির মাছ। কোনও মাছ ভেসে গিয়েছে। কোনওটি আবার খাবি খাচ্ছ। সেই মাছ ধরা, দেখার জন্য ভিড় করেছেন এলাকার বাসিন্দারা। তাহলে কি মাছের মড়ক লাগল নদীতে?

Advertisement
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬, ১০:২২

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬, ১০:২২

options
link
জলপাইগুড়িতে মাছের মড়ক! রুই-কাতলা, চিতল ভেসে যাচ্ছে করলায়, মাছ ধরতে হুড়োহুড়ি জনতার zoom
ধরা হয়েছে মাছ।

নদীতে ভেসে যাচ্ছে রুই, কাতলা, আড়, চিতল, বোয়াল-সহ অন্যান্য প্রজাতির মাছ। কোনও মাছ ভেসে গিয়েছে। কোনওটি আবার খাবি খাচ্ছ। সেই মাছ ধরা, দেখার জন্য ভিড় করেছেন এলাকার বাসিন্দারা। তাহলে কি মাছের মড়ক লাগল নদীতে? ঘটনায় চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে। ঘটনাটি ঘটেছে জলপাইগুড়ির করলা নদীতে। কোনও কীটনাশক জলে মেশানোর জন্য কি এই ঘটনা? শুরু হয়েছে তদন্ত।

জানা গিয়েছে, জলপাইগুড়ি শহরের বুক চিড়ে বয়ে তিস্তা নদীতে মিশেছে করলা নদী। প্রচুর সংখ্যায়, বহু প্রজাতির মাছ পাওয়া যায় নদীতে। এদিন সকালে স্থানীয় বাসিন্দারা দেখতে পান, জলের স্রোতে বহু মাছ ভেসে যাচ্ছে। খবর ছড়িয়ে পড়তেই বহু সাধারণ মানুষ ভিড় নদীর পাড়ে। দেখা যায়, নদীর জলে ভেসে রুই, কাতলা, আড়, চিতল, বোয়াল-সহ অন্যান্য প্রজাতির একাধিক মাছ ভাসছে। সেগুলির মধ্যে অনেক মাছ বেঁচেও রয়েছে। সেই দেখেই বহু মানুষ মাছ ধরতে উৎসাহিত হয়ে নদীতে নেমে পড়েন। মাছ ধরে বাড়িও নিয়ে যাওয়া হয় বলে খবর।

Advertisement
lot of fish have floated in the Karla River in Jalpaiguri
নদীর পাড়ে মাছ ধরার জন্য ভিড় বাসিন্দাদের। নিজস্ব চিত্র

খবর যায় জলপাইগুড়ি পুরসভায়। আধিকারিকরাও সেখানে পৌঁছন। করলা নদী থেকে ধরে নিয়ে গিয়ে ওই মাছ না খাওয়ার প্রচার শুরু হয়েছে এলাকায়। কিনতি কেন ঘটল এমন ঘটনা? প্রাথমিকভাবে জলে কোনও কীটনাশক মিশিয়ে দেওয়ার আশঙ্কাও করা হচ্ছে। তাতেই কি নদীর জল বিষাক্ত হয়ে মাছের মড়ক দেখা গেল? সেই প্রশ্ন উঠেছে। প্রসঙ্গত, ২০১১ সালে কার্যত একই ঘটনা ঘটেছিল করলা নদীতে। সেসময় প্রচুর সংখ্যায় মাছ নদীতে ভেসে যেতে দেখা গিয়েছিল। মারাত্মকভাবে মৎস্য ভাণ্ডার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। এবারও কি একই পরিস্থিতি তৈরি হল? সেই আশঙ্কার কথাও উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না। পুরসভার আধিকারিকরা বিষয়টি মৎস্য দপ্তরকে জানিয়েছেন বলে খবর। নদীর থেকে ধরা মাছ না খাওয়ার জন্য প্রচারও শুরু হয়েছে এলাকায়।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.