Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
ভোটকেন্দ্রে ভূত

ঘুঙুরের শব্দ, শোনা যাচ্ছে হারমোনিয়ামের সুর, স্ট্রংরুমে ভূতের ভয়ে কাঁটা ভোটকর্মীরা

রাতবিরেতে উপস্থিতি জানান দিচ্ছেন তেনারা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৭, ২০১৯, ১৩:১৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৭, ২০১৯, ১৩:১৩

options
link
ঘুঙুরের শব্দ, শোনা যাচ্ছে হারমোনিয়ামের সুর, স্ট্রংরুমে ভূতের ভয়ে কাঁটা ভোটকর্মীরা zoom

সৌরভ মাঝি, বর্ধমান: কখনও গানের সুরে হারমোনিয়াম বেজে উঠছে। কখনও আবার ঘুঙুরের ঝুম ঝুম শব্দ। বলিউডের সেই ‘ভুলভুলাইয়া’ সিনেমার মতো। নিশুতি রাতে তেনারা উপস্থিতি জানান দিচ্ছেন। আর তাতেই হাড় হিম হয়ে যাচ্ছে রাজনৈতিক দলের এজেন্টদের। বর্ধমান পূর্ব কেন্দ্রের স্ট্রংরুমে ভূতের আতঙ্কে তোলপাড় শুরু হয়েছে।

যদি পূর্ব বর্ধমান জেলা নির্বাচনী দপ্তর বা জেলা প্রশাসনের তরফে ভৌতিক কর্মকাণ্ডের কথা অস্বীকার করা হয়েছে। ভোটকর্মীদের তরফে তাদের কাছে এমন কোনও অভিযোগ আসেনি বলে জানিয়েছেন জেলাশাসক তথা জেলা নির্বাচনী আধিকারিক অনুরাগ শ্রীবাস্তব। বিজ্ঞান মঞ্চের তরফেও এই ধরণের প্রচারকে মানসিক ভ্রম বলে জানানো হয়েছে।

Advertisement

বর্ধমান পূর্ব লোকসভা কেন্দ্রের ভোটগণনা হবে মহারাজ বিজয়চাঁদ ইনস্টিটিউট অফ ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি ক্যাম্পাসে। যা একসময় বর্ধমানের মহারাজদের অট্টালিকা ছিল। এখানেই স্ট্রং রুমে রাখা আছে এই কেন্দ্রের ১৯১৯টি বুথের ইভিএম ও ভিভিপ্যাট। কড়া নিরাপত্তা বলয়ে মুড়ে রাখা হয়েছে ক্যাম্পাস। অত্যাধুনিক অস্ত্র হাতে ২৪ ঘণ্টা প্রহরায় রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। রয়েছে সিসি ক্যামেরাও। মাছি গলার উপায় নেই। কিন্তু তেনাদের আটকাবে কার সাধ্য।

[ আরও পড়ুন: ‘এই পরিণতির জন্য আমিই দায়ী’, শোকস্তব্ধ মৃত পর্বতারোহী কুন্তল কাঁড়ারের বাবা ]

তৃণমূলের এক নির্বাচনী এজেন্ট বললেন, দিনে কোনও সমস্যা নেই। কিন্তু রাত ১২টার পর ওরা উপস্থিতি জানান দিচ্ছে। কেউ গুনগুন করে গান করলেই আচমকা হারমোনিয়াম বেজে উঠছে। ঘুঙুরের শব্দও শোনা যাচ্ছে। কিন্তু কাউকেই দেখা যাচ্ছে না। আর এক এজেন্টের মতে, “এখানে অশরীরী কিছু আছে আগে শুনেছিলাম। এবার সেটা প্রত্যক্ষ করলাম।” স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এই প্রাচীনভবনে নিশুতি রাতে এই ধরনের কর্মকাণ্ড প্রায়ই ঘটে থাকে। তাঁরাও শুনেছেন। স্থানীয় বাসিন্দা অসীম রায় বলেন, “নাচের শব্দ, হারমোনিয়াম, বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্রের শব্দ প্রায়ই শোনা যায়। এটা নতুন কিছু নয়।”

কিন্তু এমন কাণ্ড যে সত্যিই ঘটে তা মানতে নারাজ প্রশাসনিক কর্তারা। জেলাশাসক বলেন, “সিসি ক্যামেরা আছে। কড়া নিরাপত্তা রয়েছে। সরকারি আধিকারিকরা রয়েছেন। কেউই আমাদের কাছে এই ধরণের কোনও অভিযোগ করেনি। অভিযোগ এলে খতিয়ে দেখা হবে।”

[ আরও পড়ুন: শেষবেলার প্রচারে ঝড় তুললেন নুসরত, সঙ্গী দেব ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.