Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৫ ভাদ্র ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ২৩ আগস্ট ২০২৬
Malda

প্রেমের টানে স্বামী-সংসার ত্যাগ! প্রেমিকের আসল চেহারা টের পেতেই শ্বশুরবাড়ি ফেরেন বধূ, তারপর…

বধূর স্বামী বলছেন, রিলসে মজে থাকতেন স্ত্রী, ফোনই নষ্ট করেছে তাঁদের দাম্পত্য।

বাবুল হক
বাবুল হক

শেষ আপডেট: জুলাই ৮, ২০২৬, ১৭:৩০

link
বাবুল হক
বাবুল হক

শেষ আপডেট: জুলাই ৮, ২০২৬, ১৭:৩০

options
link
প্রেমের টানে স্বামী-সংসার ত্যাগ! প্রেমিকের আসল চেহারা টের পেতেই শ্বশুরবাড়ি ফেরেন বধূ, তারপর… zoom
প্রেমের টানে স্বামী-সংসার ত্যাগ! প্রেমিকের আসল চেহারা টের পেতেই শ্বশুরবাড়ি ফেরেন বধূ, তারপর...
Advertisement

বর্তমান প্রজন্মের অধিকাংশই রিলসে আসক্ত! সেই রিলসের নেশা তো ছিলই, সেই সঙ্গে জীবনে এসেছিল নতুন পুরুষ। প্রেমিকের টানে স্বামী-সংসার ছেড়েছিলেন বধূ। যার পরিণতি হল মর্মান্তিক। প্রেমিকের আসল চেহারা টের পেয়ে স্বামীর ঘরে ফিরলেও সংসার করা হল না। শ্বশুরবাড়ি থেকে উদ্ধার বধূর ঝুলন্ত দেহ। প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে, শ্বশুরবাড়িতে ফেরার পর লাগাতার অপমানিত হতে হচ্ছিল তাঁকে। সেই কারণেই আত্মহত্যার সিদ্ধান নেন বধূ। ইতিমধ্যেই দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে পুলিশ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে শোরগোল পুরাতন মালদা থানার যাত্রাডাঙা এলাকায়।

জানা যাচ্ছে, মৃতার নাম রিনা মণ্ডল। ১২ বছর আগে পুরাতন মালদা থানার যাত্রাডাঙা এলাকার বাসিন্দা পলাশ বর্মনের সঙ্গে বিয়ে হয় তাঁর। পরিবার সূত্রে খবর, সম্প্রতি অ্যান্ড্রয়েড ফোন হাতে পেয়ে রিলস বানানোকে কার্যত নেশায় পরিণত করেছিলেন রিনার। দিনভর মোবাইলেই ডুবে থাকতেন। সেই রিলসের সূত্র ধরেই নাকি রকি নামে এক যুবকের সঙ্গে পরিচয় হয় রিনার। ক্রমে তাঁদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা বাড়তে থাকে। বিষয়টা বেশিদিন পলাশের নজর এড়ায়নি। স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সদস্য রকির কথা জানার পরই চরমে ওঠে দাম্পত্যকলহ। কয়েক মাস আগে প্রেমিকের সঙ্গে ঘর বাঁধার স্বপ্ন নিয়ে স্বামীর ঘর ছাড়েন রিনা।

Advertisement

শোনা যাচ্ছে, একটি বাড়ি ভাড়া নিয়েছিলেন রিনা। সেখানে যাতায়াত ছিল রকির। স্বাভাবিকভাবেই সংসার ছাড়তেই রকি-রিনার ঘনিষ্ঠতা আরও বাড়ে। অভিযোগ, সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়েই বধূর টাকা, গয়না এমনকী মোবাইল নিয়ে চম্পট দেয় প্রেমিক। এরপরই স্বামীর ঘরে ফেরেন রিনা। স্বাভাবিকভাবেই অনেক কটূ কথা শুনতে হয় তাঁকে। এসবেরই মাঝেই ঘর থেকে উদ্ধার হয় বধূর ঝুলন্ত দেহ। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, অপমানে-অবসাদে আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বধূ। এপ্রসঙ্গে মৃতার স্বামী বলেন, “সুখেই ছিলাম। ফোন কেনার পরই সব কেমন বদলে গেল। তবে পরিণতি এমন হবে ভাবিনি।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.