Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ৮ জুলাই ২০২৬
Baruipur Encounter

পুলিশের রিভলভার কেড়ে গুলি চালায় প্রভাস! এনকাউন্টারের ঠিক আগের মুহূর্তে কী ঘটেছিল? প্রকাশ্যে রোমহর্ষক ঘটনা

কোন পরিস্থিতিতে গুলি চালান অফিসার?

Advertisement
দেবব্রত মণ্ডল
দেবব্রত মণ্ডল

শেষ আপডেট: জুলাই ৮, ২০২৬, ১৫:২৯

link
দেবব্রত মণ্ডল
দেবব্রত মণ্ডল

শেষ আপডেট: জুলাই ৮, ২০২৬, ১৫:২৯

options
link
পুলিশের রিভলভার কেড়ে গুলি চালায় প্রভাস! এনকাউন্টারের ঠিক আগের মুহূর্তে কী ঘটেছিল? প্রকাশ্যে রোমহর্ষক ঘটনা zoom
পুলিশের রিভলভার কেড়ে গুলি চালায় প্রভাস! এনকাউন্টারের ঠিক আগের মুহূর্তে কী ঘটেছিল?

তৃণমূল জমানায় রাজ্যে একাধিক ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অভিযোগ উঠেছে, দোষীরা রেহাই পেয়ে গিয়েছে। পুলিশ ও প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে বারবার প্রশ্ন উঠেছে। নির্বাচনের আগে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেছিলেন, “বিজেপি বাংলায় ক্ষমতায় এলে ধর্ষকদের কোর্টে পাঠাব না, সকালে জমা নেব, বিকেলে খরচ করব।” বারুইপুর কাণ্ডে (Baruipur Incident) কার্যত তাই-ই হল। গ্রেপ্তারের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই যোগীরাজ্যের ধাঁচে এনকাউন্টারে খতম মূল অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডল। পুলিশের দাবি, আত্মরক্ষায় গুলি চালাতে বাধ্য হয়েছিলেন অফিসাররা। মঙ্গলবার গভীররাতে ঠিক কী ঘটেছিল বারুইপুরের সূর্যপুরে? অপারেশনে ছিলেন কোন অফিসাররা? কোন পরিস্থিতিতে চালান গুলি?

সিটের সদস্য অর্ঘ্য মণ্ডল।

মঙ্গলবার দিনভর জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় ধৃতদের। রাতে ঘড়ির কাঁটায় পৌনে ১ টা নাগাদ প্রভাস মণ্ডলকে নিয়ে বারুইপুরের সূর্যপুরে অর্থাৎ অকুস্থলে যান সিটের সদস্যরা। নিয়ম অনুযায়ী ধৃতদের জেরায় বলা বক্তব্যের সঙ্গে পুর্ননির্মাণের তথ্য মিলিয়ে দেখতে হয়। সেই সময়ই শুরু হয় পুনর্নিমাণের কাজ। জানা যাচ্ছে, আচমকা সিটের সদস্য রনি সরকারের কোমরে থাকা পিস্তল কেড়ে নেয় প্রভাস। কেউ কিছু বুঝে ওঠার আগেই এক রাউন্ড গুলি চালায় সে। বিপদ বুঝে এরপরই আত্মরক্ষার্থে গুলি চালান বারুইপুর থানার গুন্ডাদমন শাখার দায়িত্বে থাকা অর্ঘ্য মণ্ডল। তাতেই খতম প্রভাস।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
সিটের সদস্য রনি সরকার।

বারুইপুর কাণ্ডে এনকাউন্টারের নেপথ্যের এই দুই দাবাং অফিসারই দুটি পৃথক থানার গুণ্ডাদমন শাখার দায়িত্বে রয়েছেন। অর্ঘ্য মণ্ডল ২০১৪ সালের ব্যাচের অফিসার। বর্তমানে বারুইপুর থানার গুন্ডাদমন শাখার দায়িত্বে রয়েছেন তিনি। এর আগে সোনারপুর, কুলতলি ও জয়নগর থানার দায়িত্বে ছিলেন তিনি। বারুইপুর এসওজি-র ইনচার্জও ছিলেন। এদিকে রনি সরকার এই মুহূর্তে ক্যানিং থানার গুন্ডাদমন শাখার দায়িত্বে। তবে তিনি কাজ শুরু করেছিলেন কনস্টেবল হিসেবে। পরবর্তীতে এসআইয়ের দায়িত্ব পান। এখনও পর্যন্ত নরেন্দ্রপুর, বারুইপুর, জয়নগর, বকুলতলা-সহ বেশ কয়েকটি থানায় কাজ করেছেন তিনি। সিট গঠনের সময়ই এই দুই অফিসারের উপর ভরসা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.