Advertisement
Advertisement
Mamata Banerjee

মুখ্যমন্ত্রিত্বের সময়সারণি: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

২০ মে, ২০১১ বাংলার মুখ্যমন্ত্রী পদে ক্ষমতায় এলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী, সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠাতাও। এছাড়াও, রাজ্যের প্রথম মহিলা মুখ্যমন্ত্রী তিনি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬, ১৭:৫৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬, ১৭:৫৭

options
link
মুখ্যমন্ত্রিত্বের সময়সারণি: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় zoom
ফাইল ছবি।

২০ মে, ২০১১ বাংলার মুখ্যমন্ত্রী পদে ক্ষমতায় এলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী, সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠাতাও। এছাড়াও, রাজ্যের প্রথম মহিলা মুখ্যমন্ত্রী তিনি। রাজনৈতিক জীবনের পাশাপাশি, শিল্প ও সাহিত্যে তাঁর বিশেষ আগ্রহ।

তিনি একাধারে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের স্বরাষ্ট্র, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা, ভূমি ও ভূমিসংস্কার, তথ্য ও সংস্কৃতি, পর্বতাঞ্চল বিষয়ক, কৃষি, বিদ্যুৎ, কর্মী ও প্রশাসনিক সংস্কার, সংখ্যালঘু কল্যাণ, এবং মাদ্রাসা শিক্ষা ও মুসলিম জনগোষ্ঠী পালন বিভাগেরও ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী। পূর্বে কেন্দ্রীয় ক্যাবিনেট মন্ত্রী হিসেবে রেল (দু’বার), কয়লা মন্ত্রক, মানবসম্পদ উন্নয়ন, যুব, ক্রীড়া, এবং নারী ও শিশুকল্যাণ বিভাগের দায়িত্ব সামলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

Advertisement

২০১২ সালে ‘টাইম ম্যাগাজিন’ তাঁকে বিশ্বের ১০০জন প্রভাবশালী ব্যক্তির অন্যতম হিসেবে অভিহিত করে। সেই একই বছর ব্লুমবার্গ মার্কেটস তাঁকে বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রভাবশালী ৫০জন ব্যক্তির মধ্যে পরিগণিত করে। ২০১৮ সালে ‘স্কচ’ তাঁকে বর্ষসেরা মুখ্যমন্ত্রী সম্মাননা প্রদান করে।

২০১২ সালে ‘টাইম ম্যাগাজিন’ তাঁকে বিশ্বের ১০০জন প্রভাবশালী ব্যক্তির অন্যতম হিসেবে অভিহিত করে। সেই একই বছর ব্লুমবার্গ মার্কেটস তাঁকে বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রভাবশালী ৫০জন ব্যক্তির মধ্যে পরিগণিত করে। ২০১৮ সালে ‘স্কচ’ তাঁকে বর্ষসেরা মুখ্যমন্ত্রী সম্মাননা প্রদান করে।

তাঁর জন্ম ১৯৫৫ সালের ৫ জানুয়ারি। পড়ুয়াজীবনেই রাজনীতিতে প্রবেশ। তাঁর রাজনৈতিক কর্মজীবনের সূচনা কংগ্রেসে। ১৯৭৬-এ পশ্চিমবঙ্গ মহিলা কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক হলেন। ১৯৮৪ সালে যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকে নির্বাচন লড়েন। জয়ী হয়ে সাংসদ নির্বাচিত হন। ভারতের সর্বকনিষ্ঠ সাংসদদের অন্যতম ছিলেন সে সময়ে। একাধারে সামলান সর্বভারতীয় যুব কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বও।

২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচন, ২০১৬ ও ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন–প্রতিবারই বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে ক্ষমতায় বহাল থাকেন তিনি। কন্যাশ্রী, রূপশ্রী, স্বাস্থ্যসাথী, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, সবুজ সাথী, দুয়ারে সরকার, আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান– প্রভৃতি জনকল্যাণমূলক উদ্যোগগুলি জনমননে তাঁর স্থান পাকা করেছে।

১৯৯৭ সালে কংগ্রেস দলটির সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে, সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস গঠন করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অল্প সময়েই তা বামফ্রন্ট শাসিত পশ্চিমবঙ্গে প্রধান বিরোধীপক্ষ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। ২০১১ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের সঙ্গে যৌথভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস। জয়লাভ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।

২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচন, ২০১৬ ও ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন–প্রতিবারই বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে ক্ষমতায় বহাল থাকেন তিনি। কন্যাশ্রী, রূপশ্রী, স্বাস্থ্যসাথী, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, সবুজ সাথী, দুয়ারে সরকার, আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান– প্রভৃতি জনকল্যাণমূলক উদ্যোগগুলি জনমননে তাঁর স্থান পাকা করেছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.