Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
Mamata Banerjee On RG Kar Verdict

Mamata Banerjee On RG Kar Verdict: ফাঁসি নয় সঞ্জয়ের, ‘এই ধরনের নরপিশাচকে…’, আশাহত মমতার কাঠগড়ায় সিবিআই

'ফাঁসি হলে মনকে সান্ত্বনা দিতে পারতাম', মালদহ থেকে প্রথম প্রতিক্রিয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২০, ২০২৫, ১৮:০৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২০, ২০২৫, ১৮:০৩

options
link
Mamata Banerjee On RG Kar Verdict: ফাঁসি নয় সঞ্জয়ের, ‘এই ধরনের নরপিশাচকে…’, আশাহত মমতার কাঠগড়ায় সিবিআই zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আর জি করে তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ-হত্যাকাণ্ডের (RG Kar Cse) নৃশংসতা সর্বোচ্চ সাজার যোগ্য, এমনই মনে করেন অধিকাংশ নাগরিক। অথচ সোমবার শিয়ালদহ আদালতের বিচারক মৃত্যুদণ্ড নয়, দোষী সঞ্জয় রায়কে আমৃত্যু কারাবাসের সাজা শুনিয়েছে। তাতে নাগরিক সমাজে তুমুল আলোড়ন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও (Mamata Banerjee) তেমনই মত। এদিন সাজার খবর শুনে মালদহ থেকে তিনি বললেন, ”আমরা প্রথম দিন থেকে ফাঁসির দাবি করেছিলাম। এখনও তাই করছি। আদালতের রায় নিয়ে কিছু বলব না। আমরা তো তিনটে মামলায় ফাঁসির সাজা ঘোষণা করিয়ে দিয়েছি, ৫৪ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে। এই মামলাও আমাদের হাতে থাকলে অনেক আগেই মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করিয়ে দিতাম। কিন্তু কেসটা আমাদের হাত থেকে কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। এই ধরনের নরপিশাচের চরমতম শাস্তি হওয়া উচিত। ফাঁসি হলে মনকে সান্ত্বনা দিতে পারতাম।”

সোমবার থেকে জেলা সফরে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমন গুরুত্বপূর্ণ দিনে মুর্শিদাবাদ রওনা হওয়ার আগেই তিনি বলেছিলেন, ”আমি তো ফাঁসির দাবিতে পথে নেমেছিলাম। আমরা চাই, ফাঁসি হোক। সবাই চাই চান। তবু বিচারককে অনেক দিক খতিয়ে দেখে তবে রায় দিতে হয়। তাই সময় লাগবে।” সবদিক খতিয়ে দেখে এদিন শিয়ালদহ আদালতের বিচারক অনির্বাণ দাস জানান, অপরাধ বিরলতম, তা বলা যাবে না। তাই আমৃত্যু কারাদণ্ড দেওয়া হল।

Advertisement

সঞ্জয়ের সাজা ঘোষণার পর অনেকেরই মন ভেঙে গিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীও আশাহত হয়েছেন। তা গোপনও করেননি। আমৃত্যু যাবজ্জীবনের সাজা শুনে  মালদহে পৌঁছে কার্যত আক্ষেপ করলেন তিনি। বললেন,  ”আদালতের রায় নিয়ে কিছু বলব না। আমরা তো তিনটে মামলায় ফাঁসির সাজা ঘোষণা করিয়ে দিয়েছি, ৫৪ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে। এই মামলাও আমাদের হাতে থাকলে অনেক আগেই মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করিয়ে দিতাম। কিন্তু কেসটা আমাদের হাত থেকে কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। আমি জানি না, কীভাবে কেসটা সাজানো হয়েছে। কীসের ভিত্তিতে সাজা ঘোষণা হয়েছে। কিন্তু এ ধরনের নরপিশাচের চরমতম শাস্তি হওয়া উচিত। ফাঁসি হলে আমরা মনকে সান্ত্বনা দিতে পারতাম।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.