নিজস্ব সংবাদদাতা, হুগলি: রাজ্যে ফের মনুয়া কাণ্ডের ছায়া। বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের জের, আর সেকারণেই আরামবাগের কৃষ্ণবল্লভপুরের কাজিপাড়ায় গত সপ্তমীর রাতে স্ত্রী ও স্ত্রীর প্রেমিকের হাতে খুন হলেন স্বামী। মৃতের নাম শেখ আসগর আলি।
[অভিজাত বাসিন্দাদের সঙ্গে বসে ভোগ খেতে দেওয়া হল না পরিচারিকাকে]
জানা গিয়েছে, ১৮ বছর আগে আসগরের সঙ্গে বিয়ে হয় রেমিশা বেগমের। বেকারিতে কাজ করতেন তিনি। সেই সূত্রেই থাকতেন কলকাতায় থাকতেন। আর এই ফাঁকেই বছর তিনেক ধরে খানাকুলের রাজহাটির বাসিন্দা ফজলের সঙ্গে রেমিশার বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে তৈরি হয়। স্ত্রীর এই সম্পর্কের কথা জানতে পেরে কলকাতার কাজ ছেড়ে আরামবাগের একটি বেকারিতে কাজে যোগ দেন আসগর। পুলিশ সূত্রে খবর, পথের কাঁটা সরাতে রেমিশা ও তার প্রেমিক ফজল আসগরকে খুনের পরিকল্পনা করে। আর সেই মতো গত ২৭ সেপ্টেম্বর সপ্তমীর রাতে আসগর ঘুমিয়ে পড়লে রেমিশা ও ফজল তার গলায় নাইলনের দড়ির ফাঁস লাগিয়ে খুন করে। মৃত্যু সুনিশ্চিত করতে দুজনে আসগরের মুখে বালিশ চেপে ধরে। গলায় দড়ির ফাঁসের দাগ যাতে বোঝা না যায় তার জন্য আসগরের গলায় ভাল করে পাউডারও লাগিয়ে দেওয়া হয়।
[লক্ষ্মীপুজোর দিন তৃণমূলের সঙ্গে সব সম্পর্ক ছিন্ন করবেন মুকুল]
এরপর অষ্টমীর সকালে রেমিশা তার খুড় শ্বশুর ও খুড়শাশুড়িকে বলে আসগর ঘুম থেকে উঠছে না। আসগরের গলার দাগ দেখে তাদের সন্দেহ হয়। এই নিয়ে আরামবাগ থানায় রেমিশা ও ফজলের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ দায়ের করা হয়। এরপপই পুলিশ রেমিশা ও তার প্রেমিক ফজলকে গ্রেপ্তার করে। ধৃতদের আদালতে তুলে ইতিমধ্যে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। এই ঘটনায় ফের একবার কয়েকমাসে ঘটে যাওয়া বারাসতের মনুয়া-কাণ্ডের ছায়া দেখছেন পুলিশ আধিকারিকরা। যে নৃশংসতার সঙ্গে প্রেমিককে সঙ্গে নিয়ে রেমিশা স্বামীকে খুন করেছে, সেই ঘটনার সঙ্গে বারাসতের ঘটনার বহু মিল রয়েছে।
[ফের মনুয়া কাণ্ডের ছায়া, পরকীয়ার জেরে স্ত্রীর প্রেমিকের হাতে খুন যুবক]
সর্বশেষ খবর
-
ডিম-বেগুন হামলার পরই রক্ষাকবচের আর্জি, হাই কোর্টে মহুয়া
-
প্রভিডেন্ট ফান্ডে টাকা জমার নিয়ম বদল, এবার ‘ঐচ্ছিক জমা’র বিকল্প আনল ইপিএফ
-
বিধায়কদের প্রশিক্ষণ শিবিরে বাম-তৃণমূলকে নিশানা, ‘রাজ্যকে দাঁড় করাতেই হবে’, সংকল্প মুখ্যমন্ত্রীর
-
‘এতে হইচই করার কিছু নেই’, রাম মন্দিরে চুরিকে গুরুত্বই দিচ্ছেন না উত্তরপ্রদেশের উপমুখ্যমন্ত্রী
-
রাস্তা আটকে ২১ জুলাই, আদালত অবমাননায় মমতা-অভিষেকের হলফনামা তলব হাই কোর্টের