শেখর চন্দ্র, আসানসোল: আসানসোলের ডামরা এলাকায় কিশোরীর দেহ উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেপ্তার যুবক। ধৃতের নাম রাকেশ পাসওয়ান। তাঁর ডাকেই সাড় দিয়ে কিশোরী বাড়ি ছেড়ে ছিল বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে। রাকেশের সঙ্গে কিশোরীর কী সম্পর্ক ছিল তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। মৃত্যুর কারণ ঘিরে ধোঁয়াশা রয়েছে। আজ, শনিবার কিশোরীর দেহের ময়নাতদন্ত করা হবে।
এদিকে কিশোরীর পরিচয় জানতে পেরেছে পুলিশ। কিশোরী দশম শ্রেণির ছাত্রী। সে দুর্গাপুরের গোপালমাঠ এলাকার বাসিন্দা। বাড়ি থেকে বেরনোর পর তার আর খোঁজ পাওয়া যায়নি। পরে শুক্রবার সকালে আসানসোল দক্ষিণ থানার ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাত নম্বর খোলামুখ খনির সামনের পলাশবনে যুবতীর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। পুলিশে খবর দেয় স্থানীয়রা।
বাসিন্দাদেরই অনুমান, কিশোরীকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে। একজন দাবি করেন তিনি পোড়া কিছু দেখেছেন। এখানেই প্রশ্ন ওঠে, তাহলে কি ধর্ষণ ও খুনের পর, দেহ পুড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল? গতকাল শুক্রবার এক বাসিন্দা জানিয়েছিলেন, “আশেপাশে বেআইনি কয়লা খাদান বা পাথর খাদান রয়েছে। সেখানে দুষ্কৃতীদের আনাগোনা। আমরা স্থানীয়রা রাতে এইদিকে আসতে ভয় পাই। আমি দেহ পুরোপুরি দেখতে পাইনি। কিন্তু যুবতীকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে বলে আমার অনুমান। দেহ দুমড়ে-মুচড়ে গিয়েছে। নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছে তাঁকে।” তবে কী কারণে মৃত্যু পুলিশ এখনও স্পষ্ট করে কিছু জানায়নি। ধৃতকে হেফাজতে নিয়ে তদন্ত চালাচ্ছে তাঁরা। ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট এলেই মৃত্যুর কারণ স্পষ্ট হবে বলে জানিয়েছে তারা।
সর্বশেষ খবর
-
পিকু ইউনিটের নামে তোলাবাজি! গ্রেপ্তার উদয়নের ‘ডান হাত’ বিশু
-
পছন্দ হোক না হোক, ‘ব্র্যান্ড মোদি’-কে অগ্রাহ্য করা যাবে না
-
সিনেমা-সংস্কৃতির খনি! বাংলায় অ্যাক্টিং স্কুল তৈরির আর্জি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু সাক্ষাতে অনুপম খের
-
সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে টিকা নেওয়ার পরই মৃত্যু নাবালিকার! ভিডিও ভাইরাল হতেই উঠছে প্রশ্ন
-
রক্ষকই ভক্ষক! রামমন্দিরে চুরি লবকুশের, গ্রেপ্তার ক্যাশবাক্সের চাবির মালিক-সহ মন্দিরের ৮ কর্মী