Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬

সম্পত্তি নিয়ে বিবাদ, আত্মীয়দের হাতে খুন বাঁকুড়ার প্রৌঢ়

অভিযুক্তরা পলাতক।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২, ২০১৮, ১৯:২৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২, ২০১৮, ১৯:২৬

options
link
সম্পত্তি নিয়ে বিবাদ, আত্মীয়দের হাতে খুন বাঁকুড়ার প্রৌঢ় zoom
Advertisement

টিটুন মল্লিক, বাঁকুড়া: দীর্ঘদিনের বিবাদের জের। আর সেই কারণে এক প্রৌঢ়কে বেধড়ক মারার অভিযোগ উঠল তাঁর নিকট আত্মীয়দের বিরুদ্ধে। মারের চোটে মৃত্যু হয়েছে সেই প্রৌঢ়ের। ঘটনাটি ঘটেছে বাঁকুড়ার ওন্দা থানার চূড়ামণিপুর গ্রামে। মৃতের নাম রবিন মণ্ডল। বয়স ৭০ বছর। পুলিশ সূত্রে খবর, সকালে চাষের জমিতে তাঁর উপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে চড়াও হয় আত্মীয়রা। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে আনা হয়। কিন্তু রাস্তাতেই মারা যান তিনি।

নিজের চেম্বারে নার্সকে ধর্ষণের চেষ্টা, বাঁকুড়ায় গ্রেপ্তার নার্সিংহোমের মালিক ]

Advertisement

ওন্দা থানার চুড়ামণিপুর গ্রামে রবিন মণ্ডলের পরিবারের সঙ্গে গোপাল মণ্ডলের পরিবারের বিবাদ নতুন নয়। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিনের বিবাদের জের গড়িয়েছে আদালত অবধি। তবু বিচারাধীন এই দুই পরিবারের ক্রোধ কমেনি। এলাকার মানুষেরা জানিয়েছেন, গোপাল মণ্ডল ও তাঁর ছেলেরা প্রায়শই রবিনবাবু ও তাঁর পরিবারের উপর বিভিন্নভাবে আক্রমণ চালাত এবং হুমকি দিত। এমনকী গ্রামবাসীদের সঙ্গেও গোপাল ঘোষদের সম্পর্ক ভাল ছিল না।

সোমবার সকাল সাড়ে ১১ নাগাদ বছর সত্তরের রবিনবাবু চাষের কাজে জমিতে যাওয়ার পরেই তাঁর উপর গোপাল ঘোষ ও তার ছেলেরা ঝাঁপিয়ে পড়ে বলে অভিযোগ। কোদাল, কাটারি-সহ ধারালো অস্ত্রের আঘাত চলতে থাকে নিরন্তর। আঘাত সহ্য করতে না পেরে চাষ জমিতেই লুটিয়ে পড়েন রবিন মণ্ডল। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে স্থানীয় কিছু মানুষ উদ্ধার করে ওন্দা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। খবর দেওয়া হয় বাড়িতে। কিন্তু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

বেড়াতে নিয়ে যাওয়ার নাম করে একাদশ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ প্রৌঢ়ের ]

ঘটনার পর উত্তেজিত গ্রামবাসীরা অভিযুক্ত গোপাল ঘোষের বাড়িতে ভাঙচুর চালায়। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্তরা পলাতক। ওন্দা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উত্তেজিত গ্রামবাসীদের শান্ত করার চেষ্টা করে। মূল অভিযুক্তদের না পেয়ে পরিবারে থাকা মহিলাদেরই আটক করে নিয়ে আসে পুলিশ। উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় বসানো হয়েছে পুলিশ পিকেট। কী কারণে এই ঘটনা তার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

ছবি: প্রতিবেদক

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.