অরূপ বসাক, মালবাজার: করোনা (Corona Virus) পরিস্থিতিতে একই সঙ্গে কাজ হারিয়েছিলেন বাবা-ছেলে। কী করবেন বুঝে উঠতে পারছিলেন না বৃদ্ধ। সেই সুযোগকেই কাজে লাগালো ছেলে। বৃদ্ধ বাবার জমানো টাকাই শুধু নয়, বাড়ি বিক্রি করে সমস্ত সম্পত্তি টাকাপয়সা নিয়ে চম্পট দিল গুণধর। অসহায় বাবা রাস্তার পাশে প্রতিক্ষালয়ে রাত্রী যাপন করছেন। খেতে না পেয়ে শরীরে বাসা বেঁধেছে নানা রোগ। মালবাজার (Malbazar) মহকুমার ওদলাবাড়ি ডিপো পাড়া এলাকার ঘটনা। ওদলাবাড়ির স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যরা অসহায় ওই বৃদ্ধকে ভরতি করেছে হাসপাতালে।
ওই বৃদ্ধের নাম রামচন্দ্র কানু। তিনি বলেন, “আমি ওদলাবাড়ি একটি মিষ্টির দোকানে কাজ করতাম। কিন্তু লকডাউনের (Lockdown) জন্য কাজ আর নেই। ছেলেরও কাজ নেই। তাই একদিন ছেলে আমাকে বলল বাড়ি বিক্রি করে শিলিগুড়ি যাওয়ার কথা। সেখানে অন্য দোকানে দু’জনেই কাজ করব। আমার কাছে কিছু টাকা ছিল, সেই টাকাও ছেলে নিয়ে নেয়। আমি ভাবলাম শিলিগুড়ি গেলে ভালই কাজ পাবো। তাই ছেলের কথায় বাড়ি বিক্রিতে সম্মতি দিয়ে দিই। গত ১ মাস আগে বাড়িঘর বিক্রি করে ছেলে এবং ছেলের বউ আমাকে প্রতিক্ষালয়ে বসিয়ে কোথায় চলে গিয়েছে। তাঁদের আর খোঁজ নেই।”
[আরও পড়ুন: শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে আসার শাস্তি! তরুণীকে খুনের অভিযোগ বাবা-মায়ের বিরুদ্ধে, পুকুরে উদ্ধার দেহ]
সেই থেকে প্রতিক্ষালয়েই দিন-রাত কাটাচ্ছিলেন ওই বৃদ্ধ। ঠিকমতো খাওয়া দাওয়া না করার জন্য শরীর দুর্বল হতে থাকে।কমে যায় হাটা চলার ক্ষমতা। এবিষয়ে স্বেচ্ছাসেবী সম্পাদক নফসর আলি বলেন, কয়েকদিন ধরে ওই বৃদ্ধকে ওদলাবাড়ি ৩১ নাম্বার জাতীয় সড়কের পাশে প্রতিক্ষালয়ে মধ্যে থাকতে দেখছি। খাওয়া দাওয়া ঠিকঠাক না হওয়ায় দুর্বল হয়ে গেছে।ওনার চিকিৎসার সমস্ত দায়িত্ব নিয়েছি আমরা। পাশাপাশি উনার ছেলের খোঁজ চালাচ্ছি।”
[আরও পড়ুন: ভক্ত সেজে ভগবানের দুয়ারে ফিল্মি কায়দায় চুরি, পুলিশের জালে ‘সুন্দরী’ চোরদের দল]
সর্বশেষ খবর
-
অগ্রিম ৫ লক্ষ টাকা দিয়েও মেলেনি ফ্ল্যাট! জনতার দরবারে লেকটাউনের মহিলা
-
কমনওয়েলথ গেমসে ইতিহাস, সোনার মেয়ে অস্মিতাকে জমি, আর্থিক পুরস্কার দিল ত্রিপুরা সরকার
-
স্বাধীনতা দিবসে লোকভবনে আমন্ত্রিত ৪ হাজার, অনুষ্ঠানে অন্য ৫ রাজ্যও, নবান্নের গুচ্ছ গাইডলাইন
-
সুজিতের অ্যাকাউন্টে নিয়োগ দুর্নীতির ৮ কোটিরও বেশি টাকা, হাই কোর্টে চাঞ্চল্যকর দাবি ইডির
-
সঙ্গীদের নাম আড়াল করতে মোবাইল ভাঙে জঙ্গি রানা! নোটবুক হাতড়ে খোঁজ মিলল ৬ পাক চরের