Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
fire

ফলতায় টায়ার কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, আগুন আয়ত্তে আনতে হিমশিম দমকলকর্মীরা

ঘটনাস্থলে দমকলের ৮টি ইঞ্জিন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১১, ২০২১, ২০:২৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১১, ২০২১, ২০:২৩

options
link
ফলতায় টায়ার কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, আগুন আয়ত্তে আনতে হিমশিম দমকলকর্মীরা zoom

সুরজিৎ দেব, ডায়মন্ড হারবার:দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা বাণিজ্য কেন্দ্রের ১ নম্বর সেক্টরে টায়ার কারখানায় বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড। কালো ধোঁয়ায় ঢেকে গিয়েছে গোটা এলাকা। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে দমকলের ৬ টি ইঞ্জিন। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু হয়েছে আগুন নেভানোর কাজ। আতঙ্কে স্থানীয়রা। 

জানা গিয়েছে, রবিবার দুপুর দু’টো নাগাদ ওই টায়ার কারখনা থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখেন স্থানীয়রা। তড়িঘড়ি খবর দেওয়া হয় দমকলে। তবে দমকলের ইঞ্জিন পৌঁছনোর আগেই দাউদাউ করে জ্বলে ওঠে আগুন। ভিতরে দাহ্য পদার্থ মজুত থাকায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে থাকে আগুন। ধোঁয়ায় গোটা আকাশ কার্যত ঢেকে যায়। অতিদ্রুততার সঙ্গে  আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে দমকল। তবে শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, ঘড়ির কাঁটায় বিকেল ৬ টা বাজলেও এখনও সম্পূর্ণ আয়ত্তে আসেনি আগুন।  যদিও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বলেই জানা যাচ্ছে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘জায়গায় জায়গায় শীতলকুচি’ মন্তব্যের জের, দিলীপ ঘোষের বহিষ্কারের দাবিতে সরব অভিষেক]

কী থেকে এই অগ্নিকাণ্ড তা এখনও জানা যায়নি। দমকলের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে না আসা পর্যন্ত অগ্নিকাণ্ডের সঠিক কারণ জানা সম্ভব নয়। তবে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, শট সার্কিট থেকেই এই বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড। এ বিষয়ে স্থানীয় শ্রমিক ইউনিয়নের নেতা অরুময় গায়েন বলেন, “বারবার ফলতা বাণিজ্য কেন্দ্রে বারবার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে। কেন কিছুদিন পরপর এই ঘটনা ঘটছে, উচ্চপর্যায়ের তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন।”  এই ঘটনার নেপথ্যে ষড়যন্ত্র থাকতে পারে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। 

আরও পড়ুন: কমিশনের অনুমতি, শীতলকুচিতে গুলিকাণ্ডে হতাহতদের আর্থিক সাহায্য দেবে রাজ্য

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.