২৬ আষাঢ়  ১৪২৭  শনিবার ১১ জুলাই ২০২০ 

Advertisement

বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই মহেশতলার চায়ের প্যাকেজিংয়ের গুদাম, কালো ধোঁয়ায় ঢাকল এলাকা

Published by: Sayani Sen |    Posted: May 28, 2020 1:02 pm|    Updated: May 28, 2020 3:31 pm

An Images

প্রতীকী ছবি

সুরজিৎ দেব, ডায়মন্ড হারবার: বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডে প্রায় পুড়ে ছাই চায়ের প্যাকেজিংয়ের গুদাম।বৃহস্পতিবার সকালে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার মহেশতলার চকমিরের ওই গুদামে আচমকাই দাউদাউ করে আগুন জ্বলতে শুরু করে। দমকলের ১৪টি ইঞ্জিনের তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। হতাহতের কোনও খবর নেই। তবে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে প্রচুর। 

বৃহস্পতিবার সকাল ৯ টা ১৫ মিনিট নাগাদ চকমিরের ওই চায়ের প্যাকেজিং ইউনিটে ভয়াবহ আগুন লাগে। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আগুনে ভস্মীভূত হয়ে যায় পুরো ইউনিট। দমকল সূত্রে খবর, বেলা বারোটা নাগাদ আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে এখনও পুরোপুরি আগুন নেভেনি। আগুন নেভাতে দমকলের ছ’টি ইঞ্জিন প্রথমে ঘটনাস্থলে আসে।

Fire

কিন্তু আগুনের তীব্রতা ক্রমশ বাড়তে থাকায় পরে আরও আটটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। এখন ওই গুদামের আগুন পুরোপুরি নেভাতে কুলিং প্রসেস চলছে বলেই দমকলের এক আধিকারিক জানিয়েছেন। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে দমকল কর্মীদের প্রথমে বেশ বেগ পেতে হয়।

Fire

[আরও পড়ুন: লিলুয়ায় দমকলকর্মীর বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেপ্তার ৩ CESC কর্মী]

দমকল কর্মীদের প্রাথমিক অনুমান, শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগেছে। তবে অগ্নিকাণ্ডের সময় গুদামে কেউ না থাকায় প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হয়েছে। ওই গুদামে প্যাকেজিংয়ের জন্য প্রচুর দাহ্য প্লাস্টিক দ্রব্য মজুত রাখা ছিল বলে জানিয়েছেন দমকল কর্মীরা। শর্ট সার্কিট থেকে আগুন ওই দাহ্য বস্তুর মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। আগুনের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে কয়েক কিলোমিটার দূর থেকে আকাশে কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলি দেখতে পাওয়া যায়।

দেখুন ভিডিও:

 

[আরও পড়ুন: আমফানের পর দেখা নেই নেতা-মন্ত্রীর, সেই ‘বুড়ো’ কান্তিই ভরসা রায়দিঘির মানুষের]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement