Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১২ জুন ২০২৬
Silda EFR Camp Attack

শিলদার ইএফআর ক্যাম্পে মাওবাদী হামলায় দোষী সাব্যস্ত ২৩

প্রায় ১৪ বছর পর শিলদার ইএফআর ক্যাম্পে মাওবাদী হামলার ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত ২৩ জন। তাদের দোষী সাব্যস্ত করল মেদিনীপুর অতিরিক্ত জেলা এবং দায়রা আদালতের বিচারক সালিশ শাহী। দোষীদের বক্তব্য শোনার পরই সাজা ঘোষণা করবে আদালত। 

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৪, ১৬:৪৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৪, ১৬:৪৮

options
link
শিলদার ইএফআর ক্যাম্পে মাওবাদী হামলায় দোষী সাব্যস্ত ২৩ zoom
নিজস্ব চিত্র

সংবাদ প্রতিদিন ব্যুরো: প্রায় ১৪ বছর পর শিলদার ইএফআর ক্যাম্পে মাওবাদী হামলার ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত ২৩ জন। তাদের দোষী সাব্যস্ত করল মেদিনীপুর অতিরিক্ত জেলা এবং দায়রা আদালতের বিচারক সালিশ শাহী। দোষীদের বক্তব্য শোনার পরই সাজা ঘোষণা করবে আদালত। 

আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে মনসারাম হেমব্রম, ঠাকুরমণি হেমরম, কল্পনা মাইতি, মানস মাহাতো, কাজল মাহাতো, মঙ্গল সোরেন, সনাতন সোরেন, শুকলাল সোরেন, কানাই হাঁসদা, রাজেশ হাঁসদা, শ‌্যামচরণ হাঁসদা, ইন্দ্রজিৎ কর্মকার, রাজেশ মুণ্ডা, রঞ্জন মুণ্ডা, লোচন সিং সর্দার, চুনারাম বাস্কে, আশিস মাহাতো, ধৃতিরঞ্জন মাহাতো, বিষ্ণু সোরেন, অর্ণব দাম, রামসাই হাঁসদা, প্রশান্ত পাত্র এবং বুদ্ধেশ্বর মাহাতো।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সরকারি আইনজীবী দেবাশিস মাইতি বলেন, ‘‘ওই ঘটনায় ২৪ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা পড়েছিল। তার মধ্যে একজনের মৃত্যু হয়েছে। ৯ জন জামিনে মুক্ত ছিল। মঙ্গলবার ২৩ জনকেই আদালতে হাজির করা হয়। বিচারক তাদের সকলকেই দোষী সাব্যস্ত করে। এবং জামিনে থাকা ৯ জনকে হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দেয়। মঙ্গল এবং বুধবার ২৩ জনের বক্তব্য শুনবেন বিচারক। তার পরই হবে সাজা ঘোষণা।’’

[আরও পড়ুন: কোর্টের স্থগিতাদেশের পরদিনই সন্দেশখালিতে অশান্তি! নিজের অবস্থানে অনড় অভিষেক]

উল্লেখ্য, ২০১০ সালে ১৫ ফেব্রুয়ারি শিলদা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র চত্বরে থাকা ইএফআর ক্যাম্পে মাওবাদী হামলা হয়। সে দিনের হামলায় ২৪জন ইএফআর জওয়ানের মৃত্যু হয়। তাঁবু করে থাকা জওয়ানদের ক্যাম্প ঘিরে ধরে হামলার পর বাইরে থেকে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। লুট করে নেওয়া হয় মোট ৪৭টি আগ্নেয়াস্ত্র। যার মধ্যে এসএলআর ছিল ১৯টি। ছিল ১০টি একে-৪৭, ১৬টি ইনস্যাস, একটি ৯ এমএম পিস্তল ছাড়াও ১টি কার্বাইন। ইএফআর জওয়ানদের পাল্টা গুলিতে মাওবাদী নেতা সুষেন-সহ ৯ জনের মৃত্যু হয়। পুলিশ সূত্রের খবর, পরবর্তীতে এর মধ্যে বেশ কয়েকটি খোয়া যাওয়া অস্ত্র উদ্ধারও করা হয়। ২০১০ সালের জনুয়ারিতে লক্ষ্মণপুরের জঙ্গল থেকে একটি একে-৪৭, ওই বছরের জুলাইতে মেটালার জঙ্গল থেকে ১টি এসএলআর ছাড়াও পরবর্তীতে ২০১১ সালে বাগঘরার জঙ্গল থেকে ১টি ইনস্যাস পাওয়া যায়। পরে পুলিশ আরও দুটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করে।

এই ঘটনার তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় সিআইডিকে। ২০১০ সালেই তারা তদন্ত শুরু করে। সে বছরের মে মাসে মোট ২৪ জনের নামে চার্জশিট জমা দেওয়া হয় আদালতে। ঘটনার মূল চক্রী হিসেবে চিহ্নিত করা হয় মাওবাদী নেতা কিষেণজিকে। যদিও পরবর্তীতে অভিযুক্তদের মধ্যে জাগরি বাস্কে, সুচিত্রা মাহাতো-সহ একাধিক মাওবাদী নেতানেত্রীরা সরকারের ডাকে সারা দিয়ে আত্মসমর্পণ করে মূল স্রোতে ফিরে আসেন। মৃত্যু হয় শশধর মাহাতো, কিষেণজির মতো নেতাদের। গত চার পাঁচ বছর ধরে লুট হওয়া বাকি অস্ত্রগুলির আর কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। ফের ২০১১ সালে এনায়েতপুর সিপিএম পার্টি অফিসের পিছনে জঙ্গলে গর্ত খুঁড়ে লুট হওয়া কয়েকটি আগ্নেয়াস্ত্র পাওয়া যায়। তা ঘিরেও ধোঁয়াশা তৈরি হয়।

[আরও পড়ুন: ‘হিরো’ সাজা বাইকচালকদের সতর্কবার্তা, রোহিতের বার্তা হাতিয়ার রাজ্য পুলিশের]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.