চারটে পিরিয়ড শেষ হলেই নিয়ম করে বাজে টিফিনের ঘণ্টা। রোজকার মতো থালা হাতে রান্নাঘরের দিকে ছুটছে পড়ুয়ারা। গিয়েই মুখ শুকনো। হাঁড়ি ফাঁকা। টানা তিনদিন ধরে এই ছবিই বোড়াল সমিতি বিদ্যাপীঠে। স্কুল সূত্রে খবর, বর্তমানে প্রায় আড়াইশো পড়ুয়ার দুপুরের খাবারের ভরসা ওই মিড-ডে মিল। রুটিন মেনে ডিম, মাংস, সয়াবিনের তরকারি, আলু সেদ্ধ দেওয়া হত। বুধবার থেকে সেই ব্যবস্থা পুরোপুরি বন্ধ। উনুনে হাঁড়ি চড়ছে না, তিনদিন ধরে অভুক্ত গড়িয়ার খুদে পড়ুয়ারা।
কেন আচমকা এই সিদ্ধান্ত? স্কুলের প্রধান শিক্ষক জানিয়েছেন, “গত ৯০ দিন ধরে মিড-ডে মিলের জন্য কোনও সরকারি বরাদ্দ ঢোকেনি। প্রথম দিকে শিক্ষকরা নিজেদের থেকে টাকা দিয়ে, পরে স্থানীয় বাজার থেকে বাকিতে জিনিসপত্র এনে পরিস্থিতি সামাল দিচ্ছিলেন। এখন দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়েছে।” তাঁর দাবি, শুধু মুদিখানাতেই বকেয়া দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৫ হাজার টাকা। এছাড়া ডিম ব্যবসায়ীর কাছে ৯ হাজার ও আলু বিক্রেতার কাছে ১২ হাজার টাকা ধার জমেছে। প্রতিদিনই পাওনাদাররা এসে টাকা চাইছেন। সেই চাপে পড়েই রান্না বন্ধ রাখা ছাড়া উপায় ছিল না। পুরসভা ও জেলা স্কুল পরিদর্শকের দফতরে লিখিতভাবে জানিয়েও কোনও উত্তর মেলেনি বলে অভিযোগ।
এদিকে রাজপুর-সোনারপুর পুরসভার বক্তব্য ভিন্ন। তাদের দাবি, সমস্যার শিকড় জেলাস্তরে। জেলা থেকে বরাদ্দ না আসায় এবং সরকারি পোর্টালের প্রযুক্তিগত জটিলতার কারণে টাকা ছাড়া যাচ্ছে না। দ্রুত জট খোলার চেষ্টা চলছে। শিক্ষা দফতরের তরফেও জানানো হয়েছে, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কিন্তু সরকারি টানাপোড়েনের মাঝে সবচেয়ে বেশি ভুগতে হচ্ছে পড়ুয়াদেরই।
সর্বশেষ খবর
-
বাংলাদেশে দুর্গাপুজোয় টানা ৫ দিনের ছুটি, সংখ্যালঘু আবেগ মেরামতে অনুদানও বাড়ালেন তারেক
-
রাষ্ট্রসংঘে কাশ্মীর ইস্যু উথ্থাপন! ‘নির্লজ্জ’ এর্দোগানকে কড়া জবাব ভারতের
-
পুজোর আগে ২ শনি-রবিতে চলবে অতিরিক্ত মেট্রো, কবে কোন রুটে? কী জানাল কর্তৃপক্ষ?
-
‘তোমাকেই বিয়ে করব’, সিঁথি রাঙানোর প্রতিশ্রুতিতে বিধবার সঙ্গে সহবাস, লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ!
-
‘অষ্টমীতে মায়ের দেওয়া শাড়ি পরে অঞ্জলি’, পুজোয় মুম্বই না কলকাতায় থাকবেন? জানালেন রুক্মিণী