Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১১ জুলাই ২০২৬
পরিযায়ী

চাহিদামতো কাজ নেই, ফের ‘পরিযায়ী’র পরিচয়ে ভিনরাজ্যে পাড়ি সুন্দরবনের শ্রমিকদের

অতিরিক্ত আয়ের জন্য ডাক পেয়েই দক্ষিণ ভারতে পাড়ি দিলেন শ্রমিকরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৮, ২০২০, ১৭:২১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৮, ২০২০, ১৭:২১

options
link
চাহিদামতো কাজ নেই, ফের ‘পরিযায়ী’র পরিচয়ে ভিনরাজ্যে পাড়ি সুন্দরবনের শ্রমিকদের zoom
ছবি: প্রতীকী

দেবব্রত মণ্ডল, বারুইপুর: লকডাউনে (Lockdown) ভিনরাজ্য থেকে বঙ্গে ফিরে আসা শ্রমিকদের কর্মসংস্থান হবে এখানেই। একাধিকবার এমনই আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল রাজ্য সরকারের তরফে। সেই লক্ষ্যে কাজও চলছে। বিভিন্ন জেলায় সরকারি প্রকল্পে পরিযায়ী শ্রমিকদেরই (Migrant Labourers) আগে কাজে লাগানো হচ্ছে। তা সত্ত্বেও জীবিকার জন্য ভিনরাজ্যে পাড়ি দেওয়ার প্রবণতা কমছে না তাঁদের মধ্যে। অতিরিক্তি আয়ের লক্ষ্যে দক্ষিণের রাজ্যগুলি থেকে কাজের ডাক পেয়ে ফের পাড়ি দিচ্ছেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার শ্রমিকরা।

নিজের রাজ্যেই এবার থেকে কাজ করতে পারবেন নিশ্চিন্তে – এই আশা নিয়ে ভিনরাজ্য থেকে সুন্দরবনে বিভিন্ন  দ্বীপে পৌঁছে গিয়েছিলেন হাজার হাজার পরিযায়ী শ্রমিক। কিন্তু ফেরা পর তাঁদের চাহিদা ও দক্ষতা অনুযায়ী কাজ জুটছিল না বলে অভিযোগ। কারণ, এঁরা সকলেই অন্ধ্রপ্রদেশের বিজয়ওয়াড়াতে পাথরের কাজ করতেন। সেই পাথরের কাজ সাধারণত সুন্দরবনে হয় না। ফলের কাজের সুযোগ প্রায় নেই। এইসব শ্রমিকরা তাই আবার ফিরে যাচ্ছেন দক্ষিণের রাজ্যগুলিতে। তবে মালিকের সঙ্গে চুক্তিমতো আগের থেকে এবার বেশি আয় করবেন তাঁরা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: পৌষমেলা হচ্ছেই, পাঁচিল ভাঙা বিতর্কের মধ্যেই ঘোষণা বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষের

করোনা সংক্রমণ রুখতে এখনও চলছে লকডাউন পর্ব। ট্রেন চলাচল বন্ধ। তাই এই সব শ্রমিকদের যাতে ভিনরাজ্যে পৌঁছতে সমস্যা না হয়, তার জন্য সেসব সংস্থাই গাড়ির ব্যবস্থা করেছে। তাতেই শ্রমিকরা সুন্দরবন থেকে পৌঁছে যাবেন নির্দিষ্ট গন্তব্যে। কুমিরমারি গ্রামের সমীরণ জোয়ারদার বিজয়ওয়াড়ায় কাজে যোগ দিতে যাওয়ার আগে বলেন, “আগে আমরা চার টাকা পার স্কোয়ার ফিটে কাজ করতাম। এখন আমাদের তা আরও বাড়ানো হয়েছে। তাছাড়া খাওয়া, থাকার সব ব্যবস্থা কোম্পানিই করবে।” আরেক পরিযায়ী শ্রমিক পলাশ মণ্ডলের কথায়, “বিভিন্ন কোম্পানি আমাদের নিয়ে যাওয়ার জন্য বেশ কিছুদিন যাবৎ যোগাযোগ করেছিল। কিন্তু যাতায়াতে সমস্যার কথা জানানো হয়। ফলে গাড়ি দিয়ে এখান থেকে নিয়ে যাচ্ছে। সাত জন শ্রমিক যেতে প্রায় সত্তর হাজার টাকা খরচা।  পুরোটাই বহন করছে যে কোম্পানির হয়ে আমরা কাজে যাচ্ছি, তারা।”

[আরও পড়ুন: বধূর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ছবি ভাইরাল করার হুমকি দিয়েছিল প্রেমিক, পরিণতি মর্মান্তিক]

সুন্দরবনের শুধু কুমিরমারি নয়, যোগেশগঞ্জ, মোল্লাখালি , আমতলি-সহ বিভিন্ন এলাকা থেকে ইতিমধ্যেই বহু মানুষ পরিযায়ী শ্রমিক হয়ে ফিরে এসেছেন গ্রামে। রাজ্য সরকারের সহযোগিতায় তাঁরা গ্রামে ফিরে কিছু সুযোগ সুবিধা পেলেও বহু শ্রমিকই এখন নিজের দক্ষতা অনুযায়ী কাজ করতে পারছেন না। ওদিকে, দক্ষিণের রাজ্যগুলিতেও শ্রমিকের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। আর তাই প্রয়োজন পড়েছে বাংলার শ্রমিকদের। তাই আবারও কাজের জন্য ভিন রাজ্যে পাড়ি জমাচ্ছেন পরিযায়ীরা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.