অংশুপ্রতিম পাল, খড়গপুর: হাতে থাকা অবশিষ্ট কানা-কড়ি সবই শেষ। ঠিকার কাজ নেই প্রায় দেড় মাস হতে চলল। তাই বাড়ি ফিরতে চেয়ে হাঁটতে শুরু করলেন খড়গপুরে আটকে যাওয়া ৪০ জন পরিযায়ী শ্রমিকরা। এই শ্রমিকদের সকলেই ভিন রাজ্যের বাসিন্দা বলে জানা যায়।
আশা ছিল লকডাউনের ২১ দিন কাটলেই বাড়ি ফিরতে পারবেন তাঁরা। তবে সেই আশা তো দূর অস্ত। লকডাউনের দ্বিতীয় পর্বের পর ফের বাড়ল লকডাউনের তৃতীয় পর্ব। ফলে এতদিন দাঁতে দাঁত চেপে পরিযায়ী শ্রমিকরা বাড়ি থেকে দূরে থাকলেও তাঁরা এবার বাড়ি ফিরতে উদ্যোগ নেয়। শনিবার সকালে খড়গপুরের এই পরিযায়ী শ্রমিকরা দল বেঁধে বাড়ির উদ্দেশ্যে পায়ে হেঁটে রওনা দিলেন। কিন্তু বাঁধ সাজল সেই ভাগ্য। হেঁটে বাড়ি ফেরার সময় খড়গপুর শহরের ইন্দা এলাকায় তাঁদের পুলিশ আটকায়। জিজ্ঞাসাবাদ করার পর তাঁরা প্রশাসনকে বিস্তারিত জানায়। ফলে ডেকে পাঠানো হয় খড়গপুরের ঠিকাদারকে। পাশাপাশি ঠিকাদারকে নির্দেশ দেওয়া হয়, ৪০ জন পরিযায়ী শ্রমিকদের লকডাউন শুরুর থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত পুরো বেতন দিতে। এমনকি সকল শ্রমিকদের জন্য খাবারেরও ব্যবস্থা করা হয় প্রশাসনের তরফ থেকে। তাই পুলিশের তরফ থেকে গাড়ির আয়োজন করে তাদের ফের খড়গপুরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
[আরও পড়ুন:মানবিক, লকডাউনে আটকে থাকা পাকিস্তানিদের দেশে ফেরার অনুমতি দিল দিল্লি]
জানা যায়, এই পরিযায়ী শ্রমিকেরা ভারতীয় বায়ু সেনা বাহিনীর খড়গপুর গ্ৰামীণ থানার সালুয়া ঘাঁটিতে ঠিকা শ্রমিকের কাজ করতে এসেছিলেন। লকডাউনের পর থেকে এঁদের কাজ বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এঁরা সকলেই বিহার, হরিয়ানা ও ঝাড়খন্ডের বাসিন্দা। তাই লকডাউনের পর শ্রমিকদের দ্রুত বাড়ি ফিরিয়ে দেওয়ার আশ্বাসও দেন তিনি।
[আরও পড়ুন:সর্বকনিষ্ঠ! রাজস্থানে করোনার বলি ২০ দিনের শিশু]
সর্বশেষ খবর
-
নতুন তৃণমূল আত্মপ্রকাশের পরদিনই সন্দীপনের বাড়িতে বিক্ষোভ, কাটমানি-তোলাবাজিতে সরব বিজেপি
-
আরজিকর কাণ্ড এবার বড়পর্দায়, পরিচালনায় শঙ্কুদেব পণ্ডা, ‘অভিশপ্ত’ আগস্টেই শুরু শুটিং
-
বিশ্বজয়ের ৩ মাসের মধ্যে অধিনায়কত্ব যাচ্ছে সূর্যকুমারের, নেতৃত্বের দৌড়ে আপাতত ৩
-
দিল্লির পর বিহার, বিধ্বংসী আগুন হাসপাতালে, ঝলসে মৃত অন্তত ৪
-
কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহার হুমায়ুনের, অধীর, নওশাদের উদাহরণ তুলে আদালতে যাচ্ছেন এজেইউপি নেতা