Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
Rahul Gandhi

‘বাবা-মায়েরা যা পারেনি, তোমরা করেছ’, জেন জি-কে বার্তা রাহুলের, ঝাড়খণ্ড মনে করাল বিজেপি

চাকরি নেই, নতুন প্রজন্মকে রিলের নেশায় ডুবিয়ে রেখেছে মোদি সরকার, 'ছাত্রো কি গুঞ্জ' অনুষ্ঠানে তোপ বিরোধী দলনেতার।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৯, ২০২৬, ১০:০২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৯, ২০২৬, ১০:০২

options
link
‘বাবা-মায়েরা যা পারেনি, তোমরা করেছ’, জেন জি-কে বার্তা রাহুলের, ঝাড়খণ্ড মনে করাল বিজেপি zoom
প্রয়াগরাজে 'ছাত্রো কি গুঞ্জ' অনুষ্ঠানে রাহুল গান্ধী।
সৌজন্য: সোশাল মিডিয়া।
Advertisement

‘তোমরা সেই কাজটা করে ফেলেছ, যেটা তোমাদের বাবা-মায়েরাও পারেননি। তোমরা ভয় কে জয় করতে শিখিয়েছ। দেশ বদলে দিয়েছ।’ উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে ‘ছাত্রো কি গুঞ্জ’ অনুষ্ঠানে গিয়ে জেন জি-কে বার্তা বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর। তাঁর বক্তব্য, ভারতের ছাত্রসমাজ অন্ধকারে বাতি জ্বালিয়েছে। যদিও রাহুলের ওই অনুষ্ঠানকে কটাক্ষ করতে ছাড়ছে না বিজেপি। সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু বলছেন, “বিরোধী দলনেতার উচিত ছিল রাঁচিতে আন্দোলনরত পড়ুয়াদের পাশে দাঁড়ানো।

দিল্লির যন্তর মন্তরে পড়ুয়াদের বিক্ষোভের আগে থেকেই পড়ুয়াদের ইস্যু নিয়ে সরব বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। ‘ছাত্রো কি গুঞ্জ’ কর্মসূচির মাধ্যমে জেন জি-র মন পাওয়ার মরিয়া চেষ্টা করছেন বিরোধী দলনেতা। ইতিমধ্যেই গোটা দুই ‘ছাত্র কি গুঞ্জ’ অনুষ্ঠান করে ফেলেছন রাহুল। শনিবার রাতে উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে ওই অনুষ্ঠানে প্রশ্নফাঁস-সহ শিক্ষাব্যবস্থার অব্যবস্থা নিয়ে কেন্দ্রকে বিঁধে রাহুলের বক্তব্য, বর্তমান প্রজন্মকে রিলের নেশায় মগ্ন করে রেখেছে। তিনি বলেন, “ছেলেমেয়েদের পড়াতে বাবা-মা লক্ষ লক্ষ, কোটি কোটি টাকা খরচ করছেন। তার বদলে বিএ-এমএ ডিগ্রি পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু তাতে চাকরির কোনও গ্যারান্টি মিলছে না। এই মুহূর্তে দেশে ১০০০ জন শিক্ষিত বেকারের মধ্যে মাত্র ১২ জন চাকরি পায়। সরকার এখন সবাইকে বলছে রিল বানাও-রিল দেখ। চাকরি পাবে না। এই প্রজন্মকে রিলের নেশায় ডুবিয়ে দিচ্ছে।”

Advertisement

নাম উল্লেখ না করেও যন্তর মন্তরের জেন জি আন্দোলনের প্রশংসা করেন রাহুল। লোকসভার বিরোধী দলনেতা বলেন, “যুবসমাজ নিজেদের ভিতরের ভয়কে জয় করেছেন। তাঁরা অন্ধকারের মধ্যে আলোর মশাল জ্বালিয়েছেন। তোমাদের বাবা-মায়েরা যা পারেননি সেটাই করে দেখিয়েছ তোমরা।” রাহুলের কথায়, “ভারতের মনে অহিংসা। কোনও পড়ুয়ার মনে ঘৃণার কোনও জায়গা নেই। আমাদের ভালোবাসা দিয়ে এই দুর্নীতিগ্রস্ত সিস্টেমকে শেষ করতে হবে। খতম-টাটা-বাই বাই করে দিতে হবে।”

যদিও রাহুলের ওই প্রয়াগরাজের অনুষ্ঠানকে কটাক্ষ করেছেন বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু। তিনি বলছেন, “রাহুলের উচিত ছিল প্রয়াগরাজে না গিয়ে ওই অনুষ্ঠানটা ঝাড়খণ্ডে গিয়ে করা।” আসলে এই মুহূর্তে ঝাড়খণ্ডে পরীক্ষার বেনিয়ম নিয়ে সে রাজ্যের পড়ুয়ারা কংগ্রেস জোট সরকারের বিরুদ্ধেই বিক্ষোভ দেখাচ্ছে। সরকার বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আলোচনা করেও সমস্যা মেটাতে পারেনি। সেটা মনে করিয়েই রাহুলকে খোঁচা দিয়েছেন রিজিজু। 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.