Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Nadia

ওড়িশায় কাজে গিয়ে হেনস্তার শিকার নদিয়ার পরিযায়ী শ্রমিক, ছেলেকে ‘বাঁচাতে’ পুলিশের সাহায্য চায় পরিবার

নদিয়ার শান্তিপুর ফুলিয়ার মঠ পাড়া এলাকার বাসিন্দা সুজয় পাল। পরিবারের দাবি, গত ১৫ বছর ধরে ওড়িশার ভজনগঞ্জে হকারির কাজ করেন সুজন।

Advertisement
রমণী বিশ্বাস
রমণী বিশ্বাস

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬, ১৭:৪৮

link
রমণী বিশ্বাস
রমণী বিশ্বাস

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬, ১৭:৪৮

options
link
ওড়িশায় কাজে গিয়ে হেনস্তার শিকার নদিয়ার পরিযায়ী শ্রমিক, ছেলেকে ‘বাঁচাতে’ পুলিশের সাহায্য চায় পরিবার zoom
প্রতীকী ছবি।

বিজেপিশাসিত ওড়িশায় কাজে গিয়ে ফের পুলিশের নির্যাতনের শিকার বাংলার পরিযায়ী শ্রমিক! দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে প্রতিবেশী সে রাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকের কাজ করছেন নদিয়ার সুজয় পাল। কিন্তু হঠাৎই তাঁকে ওড়িশা পুলিশ মারধর করে বলে অভিযোগ। এমনকী মধ্যরাতে দরজায় লাথি মেরে ধরপাকড় শুরু করা হয় বলেও অভিযোগ। ঘটনায় রীতিমতো আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন তাঁদের পরিবার। এই অবস্থায় পুলিশের সাহায্যের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

নদিয়ার শান্তিপুর ফুলিয়ার মঠ পাড়া এলাকার বাসিন্দা সুজয় পাল। পরিবারের দাবি, গত ১৫ বছর ধরে ওড়িশার ভজনগঞ্জে হকারির কাজ করেন সুজন। তাঁর সঙ্গে একাধিক ব্যক্তিও পরিযায়ী শ্রমিকের কাজ করে। অভিযোগ, গত ১৫ দিন ধরে তাঁদের মালিককে গ্রেফতার করে রেখেছে পুলিশ। এমনকী সুজয় পাল-সহ অন্যান্য পরিযায়ী শ্রমিকদের উপরেও অত্যাচার চালায় ওড়িশার পুলিশ। পর্যাপ্ত কাগজপত্র, ভোটার কার্ড আধার কার্ড-সহ সমস্ত কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও সে রাজ্যে হয়রানির শিকার ওই পরিযায়ী শ্রমিকদের হতে হচ্ছে বলে অভিযোগ। পুলিশের অত্যাচার তীব্রতর হওয়ায় সামাজিক মাধ্যমে বর্তমান আতঙ্কের কথা তুলে ধরেন সুজয় পাল। সেই খবর বাড়িতে পৌঁছাতেই উৎকণ্ঠায় রয়েছে সুজয় পালের পরিবার। এই অবস্থায় মা ফুল ঝরা পাল, বাবা সুকুমার পাল চাইছেন, অবিলম্বে ছেলেকে ফেরাতে বাংলার পুলিশ সাহায্য করুক। 

Advertisement

ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক তরজা। বলে রাখা প্রয়োজন, গত কয়েকদিন আগেই বিজেপিশাসিত পুণেতে কাজে গিয়ে রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হয় কুড়মি জনজাতির পরিযায়ী শ্রমিকের। মৃত ওই শ্রমিকের নাম সুখেন মাহাতো। বাড়ি পুরুলিয়ার জঙ্গলমহল বরাবাজারের তুমড়াশোলের বাঁধডিতে। গত কয়েকদিন আগে পুণের শিকারপুর থানার করেগাঁও ভিমা এলাকা থেকে ওই কুড়মি যুবকের রক্তাক্ত ক্ষতবিক্ষত মৃতদেহ উদ্ধার করে মহারাষ্ট্র পুলিশ। অভিযোগ ওঠে, বাংলায় কথা বলার জন্য ওই পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। যা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক তরজা। এর মধ্যেই ফের বিজেপিশাসিত ওড়িশায় কাজে গিয়ে হেনস্তার শিকার বাংলার পরিযায়ী শ্রমিক। 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.