Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৮ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২৬ আগস্ট ২০২৬
Shankar Ghosh

ব্যাঙ্কে ঢুকেছে ৩ হাজার, ‘অন্নপূর্ণা’দের বাড়িতে ‘গর্বিত প্রাপক’ স্টিকার সাঁটলেন মন্ত্রী শংকর

প্রতি বুথের বাড়ি বাড়ি ঘুরে মহিলাদের সঙ্গে কথা বলেন। টাকা পেয়েছেন বলে জানালে, তাঁদের বাড়িতে 'গর্বিত প্রাপক' স্টিকার সেঁটে দিয়ে আসেন পর্যটন মন্ত্রী।

অভ্রবরণ চট্টোপাধ্যায়
অভ্রবরণ চট্টোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৬, ২০২৬, ১৪:২১

link
অভ্রবরণ চট্টোপাধ্যায়
অভ্রবরণ চট্টোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৬, ২০২৬, ১৪:২১

options
link
ব্যাঙ্কে ঢুকেছে ৩ হাজার, ‘অন্নপূর্ণা’দের বাড়িতে ‘গর্বিত প্রাপক’ স্টিকার সাঁটলেন মন্ত্রী শংকর zoom
শিলিগুড়িতে অন্নপূর্ণা প্রাপকদের বাড়িতে স্টিকার সাঁটলেন মন্ত্রী শংকর ঘোষ।
Advertisement

রাজ্যজুড়ে ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’ ঘিরে সামনে এসেছে একাধিক অসন্তোষ। টাকা না মেলায় দিকে দিকে বাড়ছে ক্ষোভ। যোগ্য প্রাপকদের আশ্বস্ত করে খোদ মুখ্যমন্ত্রীও ভরসা রাখতে বলেছেন বারবার। এবার শিলিগুড়িতে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পেয়েছেন কি না, সেই খোঁজ নিতে বাড়ি বাড়ি পৌঁছে গেলেন বিধায়ক শংকর ঘোষ। প্রতি বুথের বাড়ি বাড়ি ঘুরে মহিলাদের সঙ্গে কথা বলেন, জিজ্ঞাসা করেন ‘অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পেয়েছেন তো?’ টাকা পেয়েছেন বলে জানালে, তাঁদের বাড়িতে ‘গর্বিত প্রাপক’ স্টিকার সেঁটে দিয়ে আসেন পর্যটন মন্ত্রী।

শিলিগুড়িতে অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধাভোগীদের বাড়িতে স্টিকার লাগানোর কাজ শুরু করলেন রাজ্যের পর্যটন মন্ত্রী ও বিধায়ক শংকর ঘোষ। যোগ্য কোনও আবেদনকারী যাতে প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত না হন, তা নিশ্চিত করতেই উদ্যোগ বলে জানান তিনি। বাড়ি বাড়ি গিয়ে মহিলাদের সঙ্গে কথা বলেন, জিজ্ঞাসা করেন অন্নপূর্ণার টাকা পেয়েছেন কি না, যাঁরা ‘হ্যাঁ’ বলছেন, তাঁদের বাড়িতে ‘অন্নপূর্ণা যোজনা গর্বিত প্রাপক’ স্টিকার সাঁটিয়ে দেন মন্ত্রী। আর যাঁরা টাকা পাননি বলে জানিয়েছেন, তাঁদের বিধায়ক কার্যালয়ে যোগাযোগ করার পরামর্শও দেন শংকর।

Advertisement
শিলিগুড়িতে উপভোক্তাদের সঙ্গে কথা বলেন মন্ত্রী শংকর ঘোষ।

এদিন শংকর ঘোষ জানান, “শিলিগুড়ি শহরে বর্তমানে প্রায় ৩২ হাজার মহিলা অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা পাচ্ছেন। তবে এখনও প্রায় সাড়ে ৩ হাজার আবেদনকারীর আবেদন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আবেদন করেও যারা এখনও প্রকল্পের সুবিধা পাননি, তাঁদের বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। বিধায়ক সেবা কেন্দ্রের মাধ্যমে পাওয়া আবেদনগুলি ধারাবাহিকভাবে নারী ও শিশু কল্যাণ দপ্তরে পাঠানো হচ্ছে।” যোগ্য কোনও আবেদনকারী যাতে প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত না হন, তা নিশ্চিত করতেই নজর দেওয়া হচ্ছে বলে জানান শংকর ঘোষ।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.