Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Corona Virus

স্বস্তি দিয়ে রাজ্যে ঊর্ধ্বমুখী সুস্থতার হার, বাংলায় কোভিডজয়ী সাড়ে তিন লক্ষেরও বেশি

সুস্থতার হার প্রায় ৯০ শতাংশ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৫, ২০২০, ২১:০৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৫, ২০২০, ২১:০৩

options
link
স্বস্তি দিয়ে রাজ্যে ঊর্ধ্বমুখী সুস্থতার হার, বাংলায় কোভিডজয়ী সাড়ে তিন লক্ষেরও বেশি zoom
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বুধবারের তুলনায় বৃহস্পতিবার সামান্য কমল রাজ্যের দৈনিক করোনা আক্রান্তের (Corona Positive) সংখ্যা। কমেছে মৃত্যুও। আশা জাগিয়ে ৪ হাজারের বেশি মানুষ করোনাকে জয় করেছেন। ফলে এদিন সুস্থতার হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৯.০৫ শতাংশ। যা গোটা দেশের গড়ের তুলনায় বেশ কিছুটা বেশি। 

বৃহস্পতিবার রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তরের পরিসংখ্যান বলছে, বাংলায় (West Bengal) একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৯৪৮ জন। যা বুধবারের তুলনায় সামান্য কম। এদিনও সর্বাধিক করোনা সংক্রমিত হয়েছে কলকাতায় (৮৫৫)। এরপরই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগণা (৮৩৬)। এদিকে দুশোর উপর করোনা সংক্রমিতের সন্ধান মিলেছে উত্তর ২৪ পরগণা, হাওড়া ও হুগলিতে। চিন্তা বাড়িয়ে শতাধিক সংক্রমিত হয়েছে দার্জিলিং (১৩৬) ও জলপাইগুরিতে (১০২)। ফলে এদিন রাজ্যে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩ লক্ষ ৯৩ হাজার ৫৭৪ জন। তবে চিকিৎসাধীন করোনা রোগীর সংখ্যা বেশকিছুটা কমে দাঁড়িয়েছে ৩৫ হাজার ৯৫৩। 

Advertisement

[আরও পড়ুন : গুরুংয়ের প্রভাব? বিজেপি ছেড়ে ‘ঘর ওয়াপসি’ ১৭ মোর্চা কাউন্সিলরের]

সগত কয়েকদিনের মতো এদিনও বাংলায় করোনামুক্ত হয়েছেন ৪ হাজারেরও বেশি। স্বাস্থ্য দপ্তরের তথ্য বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনাকে জয় করেছেন ৪ হাজার ১৮৭ জন। ফলে বাংলায় করোনামুক্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩ লক্ষ ৫০ হাজার ৪৪৯ জন। উৎসবের মরশুমে এই পরিসংখ্যান নিসন্দেহে স্বস্তি দিয়েছে রাজ্য প্রশাসন ও কোভিড যোদ্ধাদের। বৃহস্পতিবার এ রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে হল ৮৯.০৫ শতাংশ। 

বুধবার তুলনায় রাজ্যে মৃত্যুও সামান্য কমেছে। রাজ্যে একদিনে মৃত্যু হয়েছে ৫৪ জনের। ফলে বাংলায় করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ৭ হাজার ১২২ জন। দৈনিক মৃত্যুর নিরিখে শীর্ষে রয়েছে সেই কলকাতাই (১৫)। সামান্য পিছনে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা (১৪)। রাজ্যের চিকিৎসকদের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে এই দুই জেলার সংক্রমণ ও মৃত্যুহার। কিছুতেই এই দুই জেলার সংক্রমণ বা মৃত্যু হারে লাগাম পরাতে পারছেন না তাঁরা। 

[আরও পড়ুন : ‘জাতপাতের রাজনীতি করছেন অমিত শাহ’, আদিবাসীর বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজ নিয়ে খোঁচা বিরোধীদের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.