Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

৬ মাসে ৯০ লক্ষ ভক্ত সমাগম, দিনে গড় আয় চার লাখ! পর্যটনস্থল থেকে তীর্থস্থান হয়ে উঠেছে দিঘা

দিঘার জগন্নাথ মন্দিরকে কেন্দ্র করে কর্মসংস্থান হয়েছে বহু মানুষের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৩, ২০২৫, ১২:১৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৩, ২০২৫, ১২:১৭

options
link
৬ মাসে ৯০ লক্ষ ভক্ত সমাগম, দিনে গড় আয় চার লাখ! পর্যটনস্থল থেকে তীর্থস্থান হয়ে উঠেছে দিঘা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভ্রমণ পিপাসু বাঙালির কাছে ঘুরতে যাওয়া মানেই দিঘা-পুরী-দার্জিলিং। সপ্তাহান্তে অনেকেই দু’দিনের জন্য ব্যাগ গুছিয়ে হাজির হন দিঘায়। ফলে ভিড় লেগেই থাকে। কিন্তু গত কয়েকমাসে তা বেড়েছে কয়েকগুণ। কারণ, জগন্নাথ মন্দির। ভক্ত সমাগম বলছে, পর্যটনকেন্দ্র থেকে দিঘা এখন পরিণত হয়েছে তীর্থস্থানে। জগন্নাথ দেবের দর্শন পেতে ৬ মাসে নাকি ৯০ লক্ষ ভক্ত গিয়েছেন মন্দিরে।

Digha-Jagannath-Temple

Advertisement

পুরীর জগন্নাথ ধামের আদতে দিঘায় মন্দির তৈরির কথা দীর্ঘদিন আগেই ঘোষণা করেছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তা নিয়ে বিতর্ক কম হয়নি। সব কিছুর মাঝেই চলতি বছরের ৩০ এপ্রিল, অক্ষয় তৃতীয়ায় দিঘায় জগন্নাথ মন্দিরের দ্বারোদ্ঘাটন করেন মুখ্যমন্ত্রী। পরদিন থেকেই দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেওয়া হয় মন্দিরের দ্বার। সেই থেকে ভক্তের ঢল মন্দিরে। কর্তৃপক্ষ মারফত জানা গিয়েছে, গত ৬ মাসে প্রতিদিন প্রায় ৫০ হাজার ভক্ত জগন্নাথদেব দর্শন করেছেন। উৎসবের দিনগুলোতে স্বাভাবিকভাবেই আরও বেড়েছে ভক্তের সংখ্যা।

Digha-Jagannath-Temple

জানেন এই বিপুল ভক্ত সমাগমে জগন্নাথ মন্দিরে দৈনিক আয় কত? জগন্নাথ মন্দিরের ট্রাস্টি বোর্ডের অন্যতম সদস্য রাধারমণ দাস জানিয়েছে, দৈনিক শুধুমাত্র প্রণামী বাক্সে নগদ জমা পড়ে কমবেশি ১ লক্ষ টাকা। অনুদান ও উপহার বাবদ দৈনিক আয় আরও প্রায় ১ লক্ষ টাকা। এছাড়া রয়েছে প্রসাদ বিক্রি। সেখানে দৈনিক আয় প্রায় ২ লক্ষ টাকা। অর্থাৎ দিঘার জগন্নাথ মন্দিরে গড়ে ৪ লক্ষ টাকা।

জগন্নাথ মন্দিরের কারণে দিঘার পর্যটন ব্যবসা যে আরও চাঙ্গা হয়েছে তা বলাই বাহুল্য। তাছাড়াও মন্দিরকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে আরও বহু ছোট ছোট দোকান। মন্দিরের সেবা এবং নিরাপত্তা, সাফাইকর্মী, হাউস কিপিং মিলিয়ে প্রায় ১৭০ জন কর্মী রয়েছে। অর্থাৎ মন্দিরকে কেন্দ্র করে কর্মস্থান হয়েছে বহু মানুষের। আয় বেড়েছে হোটেল ব্যবসায়ীদের। 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.