আকাশনীল ভট্টাচার্য, বারাকপুর: রান্নাঘরে ঢুকে গৃহবধূর গায়ে কেরোসিন তেলে ঢেলে পুড়িয়ে মারার অভিযোগ উঠল শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে৷ শনিবার ঘটনাটি ঘটে নিউ ব্যারাকপুরের ৪ নং ওয়ার্ডের দুর্গাবাড়ি রোডে৷ খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রথম তাঁকে উদ্ধার করে পানিহাটি স্টেট জেনারেল হাসপাতালে ভরতি করে৷ শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় আর জি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়৷ সেখানে যাওয়ার শনিবার রাতে পথেই মৃত্যু হয় ওই গৃহবধূর৷
[আরও পড়ুন: 8 মাস পর কোমা থেকে জাগাল রাগসংগীত, মিউজিক থেরাপিতে সুস্থতার পথে মালদহের মহিলা]
স্থানীয় সূত্রে খবর, দীর্ঘদিন ধরেই দুর্গাবাড়ি রোডের ওই বাড়িতে পারিবারিক অশান্তি চলছিল৷ শাশুড়ি, দেওরের সঙ্গে ঝঞ্ঝাট লেগে থাকত সোমা সাহা নামে ওই গৃহবধূর৷ শনিবার সেই অশান্তি চরমে ওঠে৷ অভিযোগ, সকালে রান্নার সময়ে শাশুড়ি অতর্কিতে পিছন থেকে সোমার গায়ে কেরোসিন তেল ঢেলে দেয়৷ তারপর আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়৷ অগ্নিদগ্ধ হন সোমা সাহা৷ তাঁর চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা নিউ ব্যারাকপুর থানায় খবর দেন৷ পুলিশ সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছয়৷ তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে পুলিশ জবানবন্দি নেওয়ার চেষ্টা করে৷ তাতেই জানা গিয়েছে শাশুড়ি এবং অন্যান্য সদস্যদের কীর্তি৷
জানা গিয়েছে, সোমাদেবীর স্বামী বিপুল সাহা পেশায় ব্যবসায়ী৷ দুই সন্তান রয়েছে তাঁর৷ একজনের বয়স ৭ বছর, আরেকজন সাড়ে তিন বছরের৷ যদিও সোমাদেবী তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ করেননি৷ স্বামীকে তিনি সম্পূর্ণ নির্দোষ বলেই দাবি করেছেন৷ মৃত্যুর আগে তাঁর জবানবন্দির ভিত্তিতে শাশুড়ি বীণাদেবী এবং দেওরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে৷ সোমাদেবীর বাড়ির সদস্যরা অপরাধীদের কঠোর শাস্তির দাবি তুলেছেন৷ তাঁদের অভিযোগ, মেয়ে আত্মহত্যা করেছে, এমনটাই প্রতিষ্ঠা করতে চাইছে শ্বশুরবাড়ির লোকজন৷ যা আদৌ সত্যি নয়৷ গার্হস্থ্য হিংসার অভিযোগ দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ৷
[আরও পড়ুন: আরামবাগে ঝোপ থেকে উদ্ধার তৃণমূল কর্মীর দেহ, উঠছে খুনের অভিযোগ]
সর্বশেষ খবর
-
ফের ভূমিকম্পে কেঁপে উঠছে মাটি, আতঙ্কের গ্রাসে দার্জিলিং-সহ উত্তর
-
টাকি পুরসভার ‘বিদ্রোহী’ তৃণমূল কাউন্সিলরের পদত্যাগ, জোর জল্পনা
-
অরূপ-স্বরূপের ‘রহস্যময় ঘরে’ তল্লাশি পুলিশের, উদ্ধার মোবাইল-আইপ্যাড, প্রচুর নথি!
-
কুলটিতে ‘ভয় আউট, ভরসা ইন’, মন্ত্রীর জনতার দরবারে ৫ বছরের সমস্যার সমাধান ২৪ ঘণ্টায়!
-
আলিপুরদুয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউনিয়ন রুমে কন্ডোম, নেশার সামগ্রী! শোরগোল শিক্ষাঙ্গনে