মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর গড়ে ফের ধাক্কা তৃণমূলে। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার এগরায় তৃণমূল কংগ্রেসের হাতছাড়া হল আরও একটি পঞ্চায়েত সমিতি। অবশেষে এগরা ২ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতি নিজেদের দখল নিল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। এদিন এক হাইভোল্টেজ অনাস্থা ভোটের মাধ্যমে এই পঞ্চায়েত সমিতির স্থায়ী বোর্ডটি ভেঙে দেওয়া হয়। বিজেপিকে সমর্থন জানাতে এদিন উপস্থিত ছিলেন সাংসদ জুন মালিয়া।
উল্লেখ্য, গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে এগরা ২ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির ২৪টি আসনের মধ্যে ১২টি তৃণমূল এবং ১২টি বিজেপি দখল করেছিল। আসন সংখ্যা সমান-সমান থাকায় তৈরি হয়েছিল চরম অচলাবস্থা। তবে সেই সময় নিয়ম অনুযায়ী এলাকার বিধায়ক ও সাংসদদের ভোটাভুটির জোরে কোনওক্রমে পঞ্চায়েত সমিতির বোর্ড গঠন করে নিজেদের দখলে রাখতে সমর্থ হয় তৃণমূল কংগ্রেস। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে বিধানসভা নির্বাচনে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও শক্তির সমীকরণ বদলে যাওয়ায়, আজ এই পঞ্চায়েত সমিতির বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনা হয়।
আরও পড়ুন:
আজ, বুধবার অনাস্থা বৈঠককে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই এগরা ২ নম্বর ব্লক প্রশাসন চত্বরে উত্তেজনা ও কড়া নিরাপত্তা মোতায়েন ছিল। পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য ছাড়াও নিয়ম অনুযায়ী এলাকার সাংসদ, বিধায়ক এবং প্রধানদের ভোটাভুটিতে অংশ নেওয়ার কথা ছিল। শেষ পর্যন্ত সমস্ত হিসাব-নিকাশ উলটে দিয়ে বিজেপির সমর্থনে আজ মোট ২০ জন সদস্য উপস্থিত হন। এর ফলে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করে অনাস্থা প্রস্তাবে জয়ী হয় গেরুয়া শিবির। বিদায়ী স্থায়ী সমিতির বোর্ডটি ভেঙে দেওয়া হয়।
বিজেপির পক্ষে ভোট দিতে ও পাশে দাঁড়াতে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ সৌমেন্দু অধিকারী, বিধায়ক দিব্যেন্দু অধিকারী ও সাংসদ জুন মালিয়া। বোর্ড দখলের পর বিজেপি দাবি করে, এগরা ২ ব্লকের মানুষ অবশেষে উন্নয়ন ও প্রকৃত গণতন্ত্রের পক্ষে রায় দিয়েছেন। অন্যদিকে, বোর্ড হাতছাড়া হওয়া নিয়ে তৃণমূল শিবিরের অন্দরে শুরু হয়েছে তীব্র জল্পনা।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
‘আমি গান্ধী নই, আরও খুন করব’, কেরলে ভরা আদালতে হুঙ্কার দোষী সাব্যস্তের
-
তুমি মুসলিম? প্রশ্ন করেই ভারতীয়কে এলোপাথাড়ি ছুরির কোপ আমেরিকায়
-
হার্টে স্টেন্ট বসিয়েছেন? এই একটি ভুলেই বাড়তে পারে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি
-
শালতোড়া হাসপাতালে রোগীকে নিষিদ্ধ রিঙ্গার ল্যাকটেট, অভিযোগ বিজেপি বিধায়কের
-
বাঙালির বিশ্বকাপ আবেগেই সম্ভব, মেসি-রোনাল্ডোদের ভালোবেসে আত্মপ্রকাশ ‘দৌরাত্ম্যা’র