Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
MP Swapan Dasgupta TMC leader Anubrata Mandal

বিজেপিকে ফের ‘ভাইরাস’ বলে তোপ অনুব্রতর, পালটা জবাব স্বপন দাশগুপ্তর

এর আগে দিলীপ ঘোষকে 'বড় ভাইরাস' বলে তোপ দেগেছিলেন অনুব্রত মণ্ডল।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৬, ২০২০, ২০:০১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৬, ২০২০, ২০:০১

options
link
বিজেপিকে ফের ‘ভাইরাস’ বলে তোপ অনুব্রতর, পালটা জবাব স্বপন দাশগুপ্তর zoom
Advertisement

ভাস্কর মুখোপাধ্যায়, বোলপুর: বিধানসভা নির্বাচনের আগে বহিরাগত তত্ত্বে সরগরম বাংলার রাজনীতি। বৃহস্পতিবারই বিজেপি নেতাকর্মীদের বহিরাগত বলেই আক্রমণ শানিয়েছেন খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তবে স্বমেজাজে ‘বহিরাগত’দেরই এবার ‘ভাইরাস’ বলে তোপ দাগলেন বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। তাঁকে পালটা জবাব দিলেন বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ স্বপন দাশগুপ্ত।

অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mandal) এদিন বলেন, “গোটা রাজ্যে যেভাবে বিজেপি ভাইরাস নিয়ে এসেছে। বিশেষত বাইরে থেকে পাঁচটা ভাইরাস নিয়ে এসেছে তারা জেলায় জেলায় ছুটে বেড়াচ্ছে। এই ভাইরাসগুলো তাড়াবার জন্য বোলপুরে মহিলারা পথে নেমেছেন। তাঁরা এই ভাইরাস তাড়াচ্ছে। ৩৫ হাজার মহিলা এই মিছিলে যোগ দিয়েছেন। বহিরাগতদের এই বাংলাতে কোনও স্থান নেই। এখানকার মানুষ খুব সচেতন।” উল্লেখ্য, দিনকয়েক আগে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষকে ‘বড় ভাইরাস’ বলে তোপ দেগেছিলেন অনুব্রত। তাঁকে ডোবার জলে স্নানের পর স্যানিটাইজড করে দলে যোগদানের আহ্বানও জানিয়েছিলেন। যদিও সেবার তার পালটা জবাব দিয়েছিলেন দিলীপ ঘোষ। “ভলিউম কমে গিয়েছ, কিছুদিনের মধ্যে স্পিকার বন্ধ হয়ে যাবে” বলে কটাক্ষ করেছিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘সময় আসলেই ব্যবস্থা নেব’, কুশমন্ডিতে বিজেপি নেতা ‘খুনে’ তৃণমূলকে হুঁশিয়ারি সায়ন্তনের]

এদিকে অনুব্রত মণ্ডলের বৃহস্পতিবারের মন্তব্য নিয়েও শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। জেলা তৃণমূল সভাপতিকে পালটা জবাব দিয়েছেন সাংসদ স্বপন দাশগুপ্ত (Swapan Dasgupta)। তিনি বলেন, “এই ধরনের ভাষা এবং এই ধরনের রাজনীতি পশ্চিমবঙ্গে কলঙ্ক সৃষ্টি করেছে। গত পঞ্চাশ বছরে পশ্চিমবঙ্গে হিংসার রাজনীতি চলছে। কাশ্মীরের পর বাংলা ছাড়া আর কোথাও এত সুসংবদ্ধভাবে হিংসার রাজনীতি হয় না। আর এই হিংসা এমন পর্যায়ে এসে গিয়েছে, যেখানে গণতন্ত্র যা আমরা পাঁচ বছর ধরে নির্বাচন বলি। সেই নির্বাচন পদ্ধতিটাই বিকৃত হয়ে গিয়েছে। এই জন্য বিজেপি এ রাজ্যে নতুন ধরনের রাজনৈতিক সংস্কৃতি আনতে চায়।”

[আরও পড়ুন: ‘সহ্যের সীমা অতিক্রম করেছি’, তৃণমূলের সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করার ঘোষণা মিহির গোস্বামীর]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.