দীর্ঘ রোগভোগের পর রবিবার গভীর রাতে মৃত্যু হয়েছে বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ মুকুল রায়ের (Mukul Roy)। তাঁর মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ রাজনৈতিক মহল। বাবার কথা বলতে গিয়ে চোখে জল ছেলে শুভ্রাংশুর। বললেন, “বাবার সান্নিধ্য খুব কম পেয়েছি। কিন্তু যতটুকু পেয়েছি তা বন্ধুর মতো। জীবনের সব কঠিন সময়ে পাশে পেয়েছি বাবাকে। বড় বড় সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করেছে।”
এই বিষয়ে আরও খবর
গত কয়েক বছর ধরে কিডনি-সহ নানা শারীরিক সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ ছিলেন মুকুল রায়। প্রায়ই হাসপাতালে ভর্তি করাতে হত তাঁকে। বেশ কিছুদিন ধরে কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন বঙ্গ রাজনীতির একদা চাণক্য। রবিবার গভীর রাতে সেখানেই মৃত্যু হয় তাঁর। মুকুলের মৃত্যুতে শোকের ছায়া রাজ্য রাজনীতিতে। মৃত্যুর খবর সামনে আসতেই মুকুলের বাড়ির সামনে ভিড় জমাতে শুরু করেন তৃণমূলের নেতাকর্মীরা। জানা যাচ্ছে, হাসপাতাল থেকে দেহ বাড়িতে নিয়ে আসার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। কাঁচড়াপাড়ার ঘটক রোডের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হবে দেহ। সেখান থেকে শেষকৃত্যের জন্য নেওয়া হবে হালিশহর শ্মশানে।

শুভ্রাংশু বলেন, “বাবা সবসময় রাজনীতি নিয়ে ব্যস্ত থাকতেন। তাই বাবার সান্নিধ্য খুব কম পেয়েছি। কিন্তু যতটুকু পেয়েছি তা বন্ধুর মতো। জীবনের সব কঠিন সময়ে পাশে পেয়েছি বাবাকে। বড় বড় সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করেছে।”
বাবার মৃত্যুর খবরে শোকস্তব্ধ মুকুলপুত্র তথা বীজপুরের বিধায়ক শুভ্রাংশু রায়। তিনি বলেন, “বাবা সবসময় রাজনীতি নিয়ে ব্যস্ত থাকতেন। তাই বাবার সান্নিধ্য খুব কম পেয়েছি। কিন্তু যতটুকু পেয়েছি তা বন্ধুর মতো। জীবনের সব কঠিন সময়ে পাশে পেয়েছি বাবাকে। বড় বড় সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করেছে।” প্রসঙ্গত, কংগ্রেসের হাত ধরেই ছাত্র রাজনীতিতে উত্থান মুকুল রায়ের। ১৯৯৮ সালে তৃণমূল কংগ্রেস প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেই কংগ্রেস ছেড়ে চলে আসেন তৃণমূলে। এরপর আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি তাঁকে। উত্তর ২৪ পরগনার কাঁচড়াপাড়া থেকে দিল্লির রাজনীতি। মুকুল রায়ের কর্তৃত্ব দেখেছে দেশ। সাংগঠনিক রাজনীতিতে তাঁর অভিভাবকত্বে রকেটের মতো ছুটেছে তৃণমূল। ১৯৯৮ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক পদে ছিলেন তিনি। তাঁর নেতৃত্বে বাংলা তো বটেই ত্রিপুরা, অসম-সহ উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলিতেও নিজেদের বীজ বপন করে ঘাসফুল। রেলমন্ত্রী ছিলেন তিনি। বিধায়ক পদও সামলেছেন। ২০১৭ সালে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। ২০২১ সালে ফের ফেরেন তৃণমূলে। তবে তারপর আর তাঁকে সক্রিয় রাজনীতিতে দেখা যায়নি।
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
-
বাল্যবিবাহ রুখতে বাড়ি বাড়ি অভিযান, বন্ধ ভাতা, জেল পুরোহিত-কাজির! বঙ্গে বেনজির পদক্ষেপ শুভেন্দুর
-
দু’দশক পর পুরনো জুটির প্রত্যাবর্তন! শাহরুখের ‘কিং’এ কোন চরিত্রে অভিষেক-রানি?
-
ধুলিয়ান খুনে সিআইডি, মৃত সুজিত মণ্ডলের স্ত্রীকে চাকরি, শাস্তি একগুচ্ছ পুলিশ আধিকারিককে
-
দিল্লির দুর্ঘটনায় মৃত বেড়ে ৭, ঘটনার চব্বিশ ঘণ্টা পর রাজস্থানে আটক ভেঙে পড়া বাড়ির মালিক
-
হাই কোর্টে স্বস্তি মহুয়ার, নিম্ন আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা খারিজ করে মামলা স্থানান্তর



