Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
প্রয়াত মুকুল রায়
Mukul Roy

‘সান্নিধ্য কম পেয়েছি, তবে বন্ধুর মতো ছিলেন’, বাবার মৃত্যুতে আবেগঘন মুকুলপুত্র শুভ্রাংশু

দীর্ঘ রোগভোগের পর রবিবার গভীর রাতে মৃত্যু হয়েছে বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ মুকুল রায়ের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬, ১২:০১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬, ১২:০১

options
link
‘সান্নিধ্য কম পেয়েছি, তবে বন্ধুর মতো ছিলেন’, বাবার মৃত্যুতে আবেগঘন মুকুলপুত্র শুভ্রাংশু zoom
প্রয়াত মুকুল রায়। শোকস্তব্ধ পরিবার ও রাজনৈতিক মহল।

দীর্ঘ রোগভোগের পর রবিবার গভীর রাতে মৃত্যু হয়েছে বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ মুকুল রায়ের (Mukul Roy)। তাঁর মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ রাজনৈতিক মহল। বাবার কথা বলতে গিয়ে চোখে জল ছেলে শুভ্রাংশুর। বললেন, “বাবার সান্নিধ্য খুব কম পেয়েছি। কিন্তু যতটুকু পেয়েছি তা বন্ধুর মতো। জীবনের সব কঠিন সময়ে পাশে পেয়েছি বাবাকে। বড় বড় সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করেছে।”

গত কয়েক বছর ধরে কিডনি-সহ নানা শারীরিক সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ ছিলেন মুকুল রায়। প্রায়ই হাসপাতালে ভর্তি করাতে হত তাঁকে। বেশ কিছুদিন ধরে কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন বঙ্গ রাজনীতির একদা চাণক্য। রবিবার গভীর রাতে সেখানেই মৃত্যু হয় তাঁর। মুকুলের মৃত্যুতে শোকের ছায়া রাজ্য রাজনীতিতে। মৃত্যুর খবর সামনে আসতেই মুকুলের বাড়ির সামনে ভিড় জমাতে শুরু করেন তৃণমূলের নেতাকর্মীরা। জানা যাচ্ছে, হাসপাতাল থেকে দেহ বাড়িতে নিয়ে আসার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। কাঁচড়াপাড়ার ঘটক রোডের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হবে দেহ। সেখান থেকে শেষকৃত্যের জন্য নেওয়া হবে হালিশহর শ্মশানে।

Advertisement
অসুস্থ মুকুল রায়।

শুভ্রাংশু বলেন, “বাবা সবসময় রাজনীতি নিয়ে ব্যস্ত থাকতেন। তাই বাবার সান্নিধ্য খুব কম পেয়েছি। কিন্তু যতটুকু পেয়েছি তা বন্ধুর মতো। জীবনের সব কঠিন সময়ে পাশে পেয়েছি বাবাকে। বড় বড় সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করেছে।”

বাবার মৃত্যুর খবরে শোকস্তব্ধ মুকুলপুত্র তথা বীজপুরের বিধায়ক শুভ্রাংশু রায়। তিনি বলেন, “বাবা সবসময় রাজনীতি নিয়ে ব্যস্ত থাকতেন। তাই বাবার সান্নিধ্য খুব কম পেয়েছি। কিন্তু যতটুকু পেয়েছি তা বন্ধুর মতো। জীবনের সব কঠিন সময়ে পাশে পেয়েছি বাবাকে। বড় বড় সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করেছে।” প্রসঙ্গত, কংগ্রেসের হাত ধরেই ছাত্র রাজনীতিতে উত্থান মুকুল রায়ের। ১৯৯৮ সালে তৃণমূল কংগ্রেস প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেই কংগ্রেস ছেড়ে চলে আসেন তৃণমূলে। এরপর আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি তাঁকে। উত্তর ২৪ পরগনার কাঁচড়াপাড়া থেকে দিল্লির রাজনীতি। মুকুল রায়ের কর্তৃত্ব দেখেছে দেশ। সাংগঠনিক রাজনীতিতে তাঁর অভিভাবকত্বে রকেটের মতো ছুটেছে তৃণমূল। ১৯৯৮ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক পদে ছিলেন তিনি। তাঁর নেতৃত্বে বাংলা তো বটেই ত্রিপুরা, অসম-সহ উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলিতেও নিজেদের বীজ বপন করে ঘাসফুল। রেলমন্ত্রী ছিলেন তিনি। বিধায়ক পদও সামলেছেন। ২০১৭ সালে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। ২০২১ সালে ফের ফেরেন তৃণমূলে। তবে তারপর আর তাঁকে সক্রিয় রাজনীতিতে দেখা যায়নি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.