Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Murshidabad

বাংলা বলায় মুর্শিদাবাদের ৪ শ্রমিককে মার ওড়িশায়! ‘জয় শ্রীরাম’ বলতেও বাধ্য করল বজরং দল

আহত অবস্থাতেই বাড়ি ফিরেছেন ওই চার শ্রমিক।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৮, ২০২৫, ১৪:২৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৮, ২০২৫, ১৪:২৯

options
link
বাংলা বলায় মুর্শিদাবাদের ৪ শ্রমিককে মার ওড়িশায়! ‘জয় শ্রীরাম’ বলতেও বাধ্য করল বজরং দল zoom
বিজেপিশাসিত ওড়িশায় ফের আক্রান্ত বাংলার চার পরিযায়ী।

অতুলচন্দ্র নাগ, ডোমকল: বাংলায় কথা বলার জের! বিজেপিশাসিত ওড়িশায় ফের আক্রান্ত মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) সাগরপাড়া থানার হরেকৃষ্ণপুর গ্রামের চার পরিযায়ী শ্রমিক। সে রাজ্যে ফেরিওয়ালার কাজে গিয়েছিলেন তাঁরা। অভিযোগ, সেখানে বেধড়ক মারধর করা হয় তাঁদের। এমনকী ‘জয় শ্রীরাম’ বলতে বাধ্য করা হয় । শ্রমিকদের অভিযোগ, অভিযুক্তরা সবাই বজরং দলের সদস্য। ঘটনার পর রীতিমতো আতঙ্কে ওই চার পরিযায়ী শ্রমিক। আহত অবস্থাতেই কোনও রকমে বাড়ি ফিরে এসেছেন তাঁরা। জানা যাচ্ছে, তাঁদের মধ্যে রুহুল শেখ (২২) এর অবস্থা শোচনীয়।

জানা যাচ্ছে, রোজগারের আশায় ওড়িশায় পাড়ি দেন মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) রুহুল শেখ, নাহিদ সরকার, সামীম শেখ-সহ আরও কয়েকজন। নাহিদ জানান, ”শুধু বাংলায় কথা বলার জন্যই নয়, মুসলিম বলে বেদম মারধর করেছে বজরংদলের সদস্যরা। তাই নয়, জয় শ্রীরাম ধ্বনি দেওয়ার পরেও ছাড় দেওয়া হয়নি। চলেছে বেধড়ক মার।” নাহিদের কথায়, ”অভিযুক্তরা এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দেয়, না গেলে পুড়িয়ে মেরে দেওয়া হবে। আতঙ্কে আমরা দ্রুত গ্রামে ফিরে আসি।” অন্যদিকে রুহুলের কাকা সুখচাঁদ শেখ জানান, ”ঘটনার সূত্রপাত সোমবার। ওইদিন ওড়িশার গঞ্জাম জেলার কুদুরা থানার রানিপাড়া এলাকায় মসারি, বিছানার চাদর, ব্ল্যাঙ্কেট ইত্যাদি ফেরি করতে বেরিয়েছিল তাঁরা। সেখানেই ওড়িশার বজরংদলের সদস্যরা আমার ২২ বছরের ভাইপোকে বেধড়ক মারধর করেছে।” শুধু তাই নয়, সমাজমাধ্যমে সেই ছবি-ভিডিও আপলোড করে ভাইরাল করে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ সুখচাঁদ শেখের।

Advertisement

আক্রান্তদের দাবি, পুলিশের কাছে সাহায্যের জন্য গেলে কোনও সাহায্য পাননি। এমনকি স্থানীয় জন প্রতিনিধিরাও কোনও সাহায্য করেননি। নাহিদ সরকার জানান, ”রুহুল একটু সুস্থ হলে বুধবার রাতেই আমরা বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিই। আবার আক্রান্ত হতে পারি, সেই আতঙ্কেই দ্রুত বাড়ি চলে আসি।” তবে এই ঘটনা নতুন নয়, গত কয়েকমাসে ওড়িশা-সহ দেশের একাধিক রাজ্যে বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকদের আক্রান্ত হওয়ার খবর সামনে এসেছে। একের পর এক ঘটনায় পশ্চিমবঙ্গ পরিযায়ী ঐক্য পরিষদের সম্পাদক অসিফ ফারুক বলেন, ”ভিন রাজ্যে বাঙালি পরিযায়ী শ্রমিক ও ছোট ব্যাবসায়ীরা বার বার আক্রান্ত হচ্ছেন। এটা খুবই খারাপ ব্যাপার। সেই বিষয়টির উল্লেখ করে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে আমরা চিঠি দিয়েছি।” কিন্তু কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলেই অভিযোগ ফারুকের। তাঁর কথায়, ”আবারও এই বিষয়ে চিঠি দেওয়া হবে। প্রতিকার না হলে আন্দোলনে নামা হবে।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.