অর্থনৈতিক করিডরের ১১৬ (এ) জাতীয় সড়ক নির্মাণের জন্য এবার জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে জমি হস্তান্তর করল মুর্শিদাবাদ জেলা প্রশাসন। বৃহস্পতিবার বহরমপুরে জেলাশাসক ভবনে জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে জমি হস্তান্তর করেন জেলাশাসক। খড়গপুর থেকে বর্ধমান ভায়া মোড়গ্রাম পর্যন্ত নতুনভাবে নির্মাণ হবে অর্থনৈতিক করিডর। মোড়গ্রামের এই ১১৬ (এ) অর্থনৈতিক করিডর মিশে যাবে ১২ নম্বর জাতীয় সড়কে।
প্রায় আট বছর আগে খড়গপুর-মোড়গ্রাম অর্থনৈতিক করিডর ঘোষণা করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। তৃণমূল সরকারের সময় জমি জটে আটকে ছিল এই অর্থনৈতিক করিডরের কাজ। রাজ্যে সরকার বদল হতেই সেই চিত্র বদলে যায়। জমি জট কাটিয়ে জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে জমি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হয়।
আরও পড়ুন:
মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলায় এই অর্থনৈতিক করিডর বড়ঞা, খড়গ্রাম, নবগ্রাম, সাগরদিঘি পর্যন্ত বিস্তৃত। বর্ধমান থেকে বড়ঞায় প্রবেশ করে সাগরদিঘির মোড়গ্রাম পর্যন্ত প্রায় ৩৮.৮ কিলোমিটার দীর্ঘ চার লেনের রাস্তা নির্মাণ হবে। সেই রাস্তা নির্মাণের জন্য বৃহস্পতিবার ৮৯.৮১৬৪ একর জমি হস্তান্তর করা হয় জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে। যে জমি হস্তান্তর করা হয়েছে তার দীর্ঘ প্রায় ৬.০১ কিলোমিটার।
এখনও পর্যন্ত ২৫১.২২ একর জমি হস্তান্তর করা হয়েছে। এই ৩৮.৮ কিলোমিটার রাস্তার জন্য প্রয়োজন ৫৮৬ একর জমি। এই জমি জুলাই মাসের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে হস্তান্তর প্রক্রিয়া শেষ হবে বলে মনে করছেন প্রশাসনিক আধিকারিকরা। জেলাশাসক আর অর্জুন বলেন, “৩৮.৮ কিলোমিটার দীর্ঘ মুর্শিদাবাদের এই অর্থনৈতিক করিডর, সেখানে প্রায় ১৬.০১ কিলোমিটার জমি দেওয়া হয়েছে। খুব শীঘ্রই বাকিটা সম্পন্ন হবে।” জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের (বর্ধমান) প্রকল্প আধিকারিক সৌতম পাল বলেন, “খড়গপুর থেকে মোড়গ্রাম পর্যন্ত ছয়টি জেলায় ২৩০ কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণ হবে। ৮০ শতাংশ জমি পেয়ে গেলেই কাজ শুরু হবে।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
জেলেই ভোট কাটবে নন্দীগ্রামের কং প্রার্থীর, ৭ অক্টোবর পর্যন্ত জেল হেফাজত মিলন প্রধানের
-
জন্মসালের সঙ্গে শিক্ষাগত যোগ্যতায় গরমিল! হাসিরানির হলফনামা নিয়ে হাই কোর্টে মামলা কংগ্রেসের
-
সম্পদ সৃষ্টির থেকে সম্পদ বণ্টন, কীভাবে বদলে যাচ্ছে অবসর পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা
-
মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে লক্ষ্মীবারে কলকাতায় গৌতম আদানি, বাংলায় বিপুল বিনিয়োগের সম্ভাবনা
-
‘ক্ষমার অযোগ্য’, ‘বিগ বস’ দূর্গে টাস্ক কাণ্ডে ফুঁসছেন সৃজলা! নন্দিনীকে ‘নির্লজ্জ, অমানুষ’ তোপ শনের