Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৩ অক্টোবর ২০২৬
Gopalnagar

পুলিশ বান্ধবীর সঙ্গে ব্যাঙ্ক ম্যানেজার স্বামীর পরকীয়া! গোপালনগরে শ্বশুরবাড়িতে উদ্ধার যুবতীর দেহ 

যুবতীর নাম পূর্ণিমা মণ্ডল বৈদ্য। বয়স ৩৫। বাপের বাড়ি নদিয়ার চাকদহে। প্রায় ১৪ বছর আগে গোপালনগরের বাসিন্দা সন্দীপ বৈদ্যের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। দম্পতির এক কন্যা সন্তানও রয়েছে।

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬, ২১:২৮

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬, ২১:২৮

options
link
পুলিশ বান্ধবীর সঙ্গে ব্যাঙ্ক ম্যানেজার স্বামীর পরকীয়া! গোপালনগরে শ্বশুরবাড়িতে উদ্ধার যুবতীর দেহ  zoom
স্বামী সন্দীপের সঙ্গে মৃত গৃহবধূ পূর্ণিমা বৈদ্য। নিজস্ব চিত্র।
Advertisement

পুলিশ বান্ধবীর সঙ্গে ব্যাঙ্ক ম্যানেজার স্বামীর পরকীয়া! জানতে পেরেছিলেন স্ত্রী। প্রতিবাদ করেন। তা নিয়ে ঝামেলা। শারীরিক অত্যাচারের অভিযোগ! তারপরই শ্বশুরবাড়ি থেকে উদ্ধার বধূর ঝুলন্ত দেহ। মঙ্গলবার ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার গোপালনগরে। বধূ বাপের বাড়ি শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন। কড়া শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

মৃতা যুবতীর নাম পূর্ণিমা মণ্ডল বৈদ্য। বয়স ৩৫। বাপের বাড়ি নদিয়ার চাকদহে। প্রায় ১৪ বছর আগে গোপালনগরের বাসিন্দা সন্দীপ বৈদ্যের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। দম্পতির এক কন্যা সন্তানও রয়েছে। সন্দীপ চাকদহের একটি ব্যাঙ্কে উচ্চপদে কর্মরত। মৃতার পরিবার জানিয়েছে, কন্যা সন্তান জন্মের পর থেকে তাঁদের মেয়ের উপর অত্যাচারের মাত্রা বেড়ে যায়। পাশাপাশি বাপের বাড়ি থেকে টাকা নিয়ে আসার জন্যও তাঁকে চাপ দেওয়া হত বলে অভিযোগ।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এরই মধ্যে স্বামী সন্দীপের এক মহিলার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা সামনে আসে। তা নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে অশান্তি তৈরি হয়েছিল। যুবতীর পরিবারের দাবি, ব্যাঙ্কের সূত্রে এক মহিলা পুলিশকর্মীর সঙ্গে সন্দীপের ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। সেই মহিলাকে গোপালনগরের বাড়িতেও নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেই বিষয়ে পূর্ণিমা আপত্তি তোলে। পরিস্থিতি আরও বিগড়ে যেতে থাকে। মৃতার দিদি সীমা মণ্ডলের দাবি, ঘটনার আগের দিন রাত প্রায় দু’টো নাগাদ পূর্ণিমা ফোন করে তাঁর উপর অত্যাচার করা হচ্ছে বলে জানান। এমনকী তাঁকে প্রাণে মেরে ফেলার চেষ্টা হচ্ছে বলেও দাবি করেন। পরের দিন শ্বশুরবাড়ির তরফে মৃতার পরিবারে ফোন করে জানানো হয়, পূর্ণিমার শরীর খারাপ। পরিবারের সদস্যদের গোপালনগরে ডাকা হয়। সেখানে গিয়ে তাঁরা পূর্ণিমাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান বলে পরিবারের দাবি। পূর্ণিমার মা ঝর্ণা মণ্ডল মেয়ের মৃত্যুর জন্য তাঁর শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের দায়ী করেছেন। অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি।

অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে।পূর্ণিমার মৃত্যু কী করে তা প্রাথমিক রিপোর্ট আসার পরই স্পষ্ট হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। পূর্ণিমা আত্মঘাতী হয়েছেন না কি, পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.