Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
নিখোঁজ

সূত্র গাড়িতে পাওয়া চটি, ২ দিন পরও দুর্গাপুরে ব্যবসায়ী নিখোঁজ রহস্যের জট খুলল না

রাত সাড়ে দশটা থেকে এগারোটার মধ্যেই রহস্যের আসল চাবিকাঠি, মনে করছে পুলিশ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৫, ২০১৯, ১৮:২২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৫, ২০১৯, ১৮:২২

options
link
সূত্র গাড়িতে পাওয়া চটি, ২ দিন পরও দুর্গাপুরে ব্যবসায়ী নিখোঁজ রহস্যের জট খুলল না zoom

সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়,দুর্গাপুর:  রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হওয়ার ২ দিন পরও দুর্গাপুরের ব্যবসায়ীর খোঁজ মিলল না। তবে রাস্তা থেকে উদ্ধার তাঁর গাড়ি। মোবাইলের সুইচ অফ থাকায় সন্দেহ আরও বেড়েছে পুলিশ ও পরিবারের। মোবাইল ট্র্যাকারের সাহায্যে কললিস্ট খতিয়ে দেখে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

[আরও পড়ুন: বিচ্ছেদে নারাজ প্রেমিক, যুবককে বিষ খাইয়ে খুনের চেষ্টা প্রেমিকার]

২২ আগস্ট, রাত তখন সাড়ে দশটা। সিটি সেন্টারের কবিগুরুর বাসিন্দা পেশায় ব্যবসায়ী শরাফত আলি একটি ফোন পেয়ে বাড়ি থেকে গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে যান।  নিখোঁজ শরাফত আলির স্ত্রী শ্রাবন্তী সেনগুপ্ত জানান, “কাউকে টাকা দিতেই ঘর থেকে বেরিয়েছিলেন তিনি। তারপর থেকেই আর তাঁর কোনেও খোঁজ পাচ্ছি না।” রাত এগারোটা থেকে শরাফতের ফোন সুইচ অফ হয়ে যায় বলে জানিয়েছেন স্ত্রী। তারপর থেকেই পরিবার তাঁর খোঁজ শুরু করে।

Advertisement

পরেরদিন, ২৩ তারিখ সন্ধেবেলা দুর্গাপুর থানার সিটি সেন্টার ফাঁড়িতে পরিবারের পক্ষ থেকে নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়। রবিবার সকালে সিটি সেন্টারের চতুরঙ্গ ময়দানের কাছে শরাফত আলির গাড়িটি পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। খবর দেওয়া হয় থানায়। পুলিশ সেখানে গিয়ে গাড়ির দরজার লক ভাঙে। গাড়ির ভিতর এক জোড়া স্লিপার,  পিঠের ব্যাগ ও বেশ কিছু কাগজ পাওয়া যায়। শরাফতের ভাই বাপি শেখ জানান, “ সেদিন রাতে দাদা প্রায় বারো লক্ষ টাকা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন। ওই টাকার জন্যেই কেউ দাদাকে অপহরণ করে থাকতে পারে।”  

dgp-businessman-shoe
গাড়িতে পরিত্যক্ত চটি

তবে ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশের কাছে বেশ কিছু বিষয় ধোঁয়াশা রয়ে গিয়েছে।  ওই ব্যবসায়ী আদতে কীসের ব্যবসা করেন তাও পুলিশের কাছে এখনও পরিষ্কার নয়। তবে লোহার স্ক্র্যাপের ব্যবসার সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরেই যুক্ত শরাফত আলি বলে জানা গেছে। যদিও পরিবারের তরফে বাঁকুড়ায় হোটেল ব্যাবসা করেন বলে দাবি করা হয়েছে। স্থানীয় এক মহিলার কাছ থেকে দুটি গাড়ি ভাড়া নিয়েছিলেন শরাফত আলি। একটি গাড়ি শরাফত ফেরত দিলেও পরিত্যক্ত অবস্থায় যে গাড়িটি পাওয়া গেছে, তা পরের মাসে ফেরত দেওয়ার কথা।

[আরও পড়ুন: ফিকে হয়েছে বারো বছর আগের স্মৃতি, তাপসী মালিকের মূর্তি ঢাকল আগাছায়]

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শরাফত আলি সিটি সেন্টারে ভাড়া থাকেন। আদতে তাঁর বাড়ি বীরভূমের সাঁইথিয়ায়। পুলিশ পরিত্যক্ত গাড়িটি উদ্ধার করে ফাঁড়িতে নিয়ে যায়। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, ২২ আগস্ট রাত সাড়ে দশটা থেকে এগারোটার মধ্যেই শরাফত আলির নিখোঁজ রহস্য লুকিয়ে আছে। যে ফোন পেয়ে তিনি বেরিয়েছেন, সেই ফোন কলটি কার, তা নিয়েও তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশের ডিসি–১ (পূর্ব) অভিষেক গুপ্তা জানান, “মোবাইল ফোনের কল লিস্ট খতিয়ে দেখে নিখোঁজের তদন্ত শুরু হয়েছে। ঘনিষ্ঠদের জিজ্ঞাসাবাদ করে আমরা এর কিনারা করার লক্ষ্যে এগোচ্ছি।” গাড়ি থেকে পাওয়া সূত্রগুলির ভিত্তিতেই এগোচ্ছেন তদন্তকারীরা।

ছবি: উদয়ন গুহরায়।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.