Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৯ জুলাই ২০২৬

আফগানিস্তানের কায়দায় মুর্শিদাবাদে হেরোইন তৈরি, ধৃত পাচারকারী

যোগ রয়েছে আন্তর্জাতিক মাফিয়াদেরও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৪, ২০১৮, ১৭:৪৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৪, ২০১৮, ১৭:৪৮

options
link
আফগানিস্তানের কায়দায় মুর্শিদাবাদে হেরোইন তৈরি, ধৃত পাচারকারী zoom

অর্ণব আইচ: মাদকবিরোধী অভিযানে ফের বড়সড় সাফল্য পেল ‘নার্কোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো’ বা এনসিবি। শুক্রবার সন্ধ্যায় মুর্শিদাবাদ থেকে এক মাদকপাচারকারীকে গ্রেপ্তার করেন গোয়েন্দারা। উদ্ধার করা হয় প্রায় এক কোটি টাকা মূল্যের হেরোইন। শনিবার ধৃতকে বহরমপুর আদালতে তোলা হবে।

[শহরে এসকর্টের মাধ্যমে মাদক পাচার, গোয়েন্দাদের জালে ৪]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

গোয়েন্দা সূত্রে খবর, ধৃত পাচারকারীর নাম আবদুস সালাম ওরফে জাহির শেখ। লালগোলার অমরকুণ্ড এলাকার বাসিন্দা ধৃত ব্যক্তি। কলকাতায় পাচারের উদ্দেশ্যে মাদক মজুত করেছিল সে। ওই এলাকায় মাদক পাচারচক্রের রমরমার খবর আগে থেকেই ছিল গোয়েন্দাদের কাছে। এর আগেও একাধিক  পাচারকারীর থেকে পাওয়া গিয়েছিল সূত্র। সব মিলিয়ে এদিন রীতিমতো জাল বিছিয়েই অভিযানে নামেন কেন্দ্রীয় মাদকবিরোধী সংস্থার আধিকারিকরা। এদিন অভিযানের শেষে আরও একটি চাঞ্চল্যকর তথ্য উদঘাটন করেন গোয়েন্দারা। এনসিবি সূত্রে খবর, উদ্ধার হওয়া মাদক স্থানীয় একটি কারখানায় বানানো হয়েছে। আফগানিস্তানের মতোই এবার হেরোইন তৈরি করা হচ্ছে মুর্শিদাবাদে। এই খবরে রীতিমতো নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন।

উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে রীতিমতো শিকড় ছড়িয়ে রয়েছে মাদক পাচারচক্রের। যোগ রয়েছে আন্তর্জাতিক মাফিয়াদেরও। মালদহ জেলায় এখনও অবাধে চলছে পোস্ত চাষ। পোস্ত থেকেই হেরোইন তৈরি হয়। তবে প্রক্রিয়াটি জটিল এবং ব্যয়সাপেক্ষ। এবার সেই পদ্ধতি পাচারকারীরাও শিখে ফেলেছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। মূলত পাঞ্জাব ও রাজস্থান সীমান্ত দিয়ে হেরোইনের বড় অংশ পাচার হয়ে ভারতে আসে। বাংলাদেশ সীমান্তও ব্যবহার করে পাচারকারীরা। তবে বিদেশ থেকে হেরোইন আনতে অনেক খরচ। পাশাপাশি রয়েছে নজরদারির ভয়। তাই বাজারমূল্য বেড়ে যায় মাদকের। তার বদলে রাজ্যেই মাদক বানানো গেলে দাম অনেকটাই কম হবে। ফলে আরও বেশি করে যুবপ্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া যাবে এই বিষ।

উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগেই এক নিষিদ্ধ মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করে যাদবপুর থানার পুলিশ। নিষিদ্ধ ওই মাদক সরবরাহ করা হত যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের। এর আগেও বেশ কয়েকজন মাদক পাচারকারীকে শহরের বুক থেকে গ্রেপ্তার করেছিল এনসিবি। সাধারণত রাতের পার্টি কিংবা রেভ পার্টিতে এ ধরনের নিষিদ্ধ মাদক ব্যবহার করা হয়। এর প্রভাবে যে কোনও সময় বড়সড় বিপদ ঘটতে পারে। আর একবার নেশার কবলে পড়লে সারাটা জীবন নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই এই বিষের বিরুদ্ধে লড়াই আরও জোরদার করে তুলেছে প্রশাসন।

[বউদির দোকান থেকে মাদকের হোম ডেলিভারি, ক্রেতা কলেজ পড়ুয়ারা]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.