Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১৩ জুন ২০২৬
Netai Massacre

আজও মেলেনি বিচার, গণহত্যার ১৩ বছর পর সিবিআইকে দুষছে নেতাইয়ের শহিদ পরিবার

বিচারের আশায় দিন গুনছেন স্বজনহারানো শহিদ পরিবারের সদস্যরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৭, ২০২৪, ১১:০২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৭, ২০২৪, ১১:০২

options
link
আজও মেলেনি বিচার, গণহত্যার ১৩ বছর পর সিবিআইকে দুষছে নেতাইয়ের শহিদ পরিবার zoom
ফাইল চিত্র

গোবিন্দ রায়: নেতাই গণহত্যার আজ ১৩ বছর পূর্তি। কিন্তু এখনও পর্যন্ত শেষ হয়নি নেতাই গণহত্যার বিচারপর্ব। আজও বিচারের আশায় দিন গুনছেন স্বজনহারানো শহিদ পরিবারের সদস্যরা। গত বছর ফেব্রুয়ারি মাসে দ্রুত মামলার নিষ্পত্তি করতে নিম্ন আদালতকে নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাই কোর্ট। উচ্চ-আদালতের নির্দেশে নেতাই গণহত্যা মামলার নিষ্পত্তিতে সিবিআই সক্রিয় হলেও প্রায় এক বছর হতে চলল, এপর্যন্ত ১১৫ জনের মধ্যে মাত্র ৭৩ জনের সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে।

বাকি এখনও ৪২ জনের সাক্ষ্যদান পর্ব। আগামী ১৫ জানুয়ারি হাই কোর্টে পরবর্তী মামলার পরবর্তী শুনানির দিন রয়েছে। যেখানে ২ বছরের মধ্যে এই মামলার বিচারপর্ব শেষ করতে হবে বলে হাই কোর্টের নির্দেশ ছিল, সেখানে প্রায় ১১ মাস শেষ। এই সময়ের মধ্যে সাক্ষ্যদান কতটা শেষ হয় তা একটা বড় প্রশ্নের মুখে। তাৎপর্যপূর্ণভাবে আজই সিপিএমের যুব সংগঠন ডিওয়াইএফআইয়ের ব্রিগেড সমাবেশ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: মোদির লাক্ষাদ্বীপ সফর নিয়ে বিতর্কে মালদ্বীপ! ভারতীয়দের ‘উপহাস’ মুইজ্জুর দলের নেতার]

জানা গিয়েছে, ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি পশ্চিম মেদিনীপুরের লালগড় থানার নেতাইয়ে সিপিআইএম কর্মীদের গুলিতে ৯ জন গ্রামবাসীর মৃত্যু হয়েছিল। বহু গ্রামবাসী গুরুতর আহত হন। ওই বছর ১০ জানুয়ারি হাই কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের তৎকালীন কার্যকরী কমিটির সাধারণ সদস্যদের সভায় প্রস্তাবমতো তৎকালীন বারের সহ সভাপতি সুখেন্দুশেখর রায় ও সহ সম্পাদক সঞ্জয় বর্ধন নেতাই গণহত্যার প্রতিবাদে সিবিআই তদন্ত ও মৃত পরিবারের সদস্য ও আহতদের ক্ষতিপূরণের দাবিতে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করে। ১৮ ফেব্রুয়ারি হাই কোর্টের তৎকালীন প্রধান বিচারপতি জয়নারায়ণ প্যাটেল ও অসীমকুমার রায়ের ডিভিশন বেঞ্চ সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেয়। পাশাপাশি, মৃতদের পরিবারকে ২ লাখ টাকা ও গুরুতর আহতদের ১ লাখ ও কম গুরুতর আহতদের ৫০ হাজার টাকা করে অন্তর্বর্তী ক্ষতিপূরণের আদেশ দেয়।

আদালত জানিয়ে দেয়, হাই কোর্টের নজরদারি ও তত্ত্বাবধানে জনস্বার্থ মামলাটি চলবে। তৎকালীন রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টে এই নির্দেশের বিরুদ্ধে আবেদন করে। কিন্তু দেশের সর্বোচ্চ আদালত হাই কোর্টের নির্দেশই বহাল রাখে। ২০১১ সালের জুলাই মাসে ক্ষমতায় এসে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মৃতদের পরিবারকে ৫ লাখ টাকা ও গুরুতর আহতদের ক্ষতিপূরণ দেয়। এর পর থেকে গত ১২ বছর ধরে বার অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষে মামলার অ্যাডভোকেট অন রেকর্ড আইনজীবী সঞ্জয় বর্ধন মামলাটির তদারকি করছেন। তিনি আদালতে জানিয়েছেন, “দু বছর আগে সাংসদ ও আইনজীবী সুখেন্দুশেখর রায়ের আরটিআইয়ের জবাবে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর জানিয়েছিল, ১১৫ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যপ্রমাণ গ্রহণ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, বিলম্বিত সাক্ষ্যপ্রমাণ গ্রহণের কারণে বেশিরভাগ অভিযুক্তই জামিন পেয়ে গিয়েছে।

অভিযোগ, গত এক বছর ধরে সিবিআই মামলার অগ্রগতির রিপোর্ট আদালতে পেশ করেনি। হাই কোর্টে গত বছর ২ মে মামলার শুনানিতে সিবিআই জানায়, ৩২ জনের সাক্ষ্যপ্রমাণ গ্রহণ শেষ হয়েছে। প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানমের ডিভিশন বেঞ্চ, নেতাই জনস্বার্থ মামলাটিকে ১৯ মে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি অজয় গুপ্তের ডিভিশন বেঞ্চে ফেরত পাঠায়। কারণ, সেখানে চলা অপর অভিযুক্তদের জামিন মামলা একসঙ্গে শুনানি করতে হবে।

[আরও পড়ুন: ‘ছেলে ততদিনই নিজের থাকে যতদিন বউমা না আসে’, বলছেন দেশের ‘হবু প্রধান বিচারপতি’]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.