বিক্রম রায়, কোচবিহার: বিজেপি নেতাদের বেঁধে রেখে টাকা আদায় করতে হবে, তার পর ভোট নিয়ে কথা। কেন্দ্রের বকেয়া আদায়ে এমনই ‘নিদান’ দিলেন কোচবিহারের তৃণমূল (TMC) নেতা তথা প্রাক্তন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ (Rabindranath Ghosh)। বৃহস্পতিবার তুফানগঞ্জের এক সভায় তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এনিয়ে জেলা বিজেপি (BJP) সম্পাদকের পালটা দাবি, তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে জনরোষ তৈরি হয়েছে। তাঁদের সামনে পেলে গাছে বেঁধে পেটাবে জনতা।
তুফানগঞ্জের ওই সভায় রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বলেন, ”বিজেপির লোক বাড়ি বাড়ি এলে ওদের ঘিরে ধরুন। বলুন, আগে টাকা দাও, তার পর ভোটের কথা। নইলে বেঁধে রাখুন। বেঁধে রেখে টাকা চান। অনুনয়-বিনয় অনেক হয়েছে। লড়াই করে টাকা আদায় করতে হবে। এরা সব সমাজের বিষ। এদের সমাজচ্যুত করতে হবে।” এর পর তিনি আবার INDIA জোটের কথা উল্লেখ করেন। বলেন, বিজেপি মুক্ত ভারত গড়তে যে জোট তৈরি হয়েছে, তাতে সবাইকে শামিল হতে হবে।
[আরও পড়ুন: স্বাধীনতার জন্য ইংরেজদের বিরুদ্ধে লড়েছে ইংরেজরাই, নাগপুরের সভায় একী বললেন রাহুল!]
রবীন্দ্রনাথ ঘোষের এই মন্তব্যে যথেষ্ট শোরগোল পড়ে গিয়েছে। এর পালটা জেলা বিজেপি নেতৃত্বও ফুঁসে উঠেছে। জেলা বিজেপির সম্পাদক অজয় রায়ের বক্তব্য, ”তৃণমূল নেতাদের এসব কথায় কিছু এসে যায় না। ওদের তো অর্ধেকের বেশি নেতা জেলে আছে। আরও কিছু যাবে। আর যারা বাইরে থাকবে, তাদের উপর জনরোষ তৈরি হয়েছে। জনতাই তাদের সামনে পেলে গাছে বেঁধে পেটাবে। আগামী নির্বাচনে বোঝা যাবে, তৃণমূলের কী অবস্থা হয়।” তৃণমূল-বিজেপির এই তরজা ঘিরে শীতের কোচবিহার সরগরম।
দেখুন ভিডিও:
[আরও পড়ুন: ‘হাত’ ছাড়া নিয়ে উদ্বিগ্ন বঙ্গ সিপিএম, কংগ্রেসকে কৌশলে চাপ আলিমুদ্দিনের]
সর্বশেষ খবর
-
ভাঙড় বিস্ফোরণের ‘মূলচক্রী’, শওকতকে ১৪ দিনের এনআইএ হেফাজতে পাঠাল আদালত
-
সরকারি সম্পত্তি ধ্বংসে ‘জিরো টলারেন্স’, সিএএ বিক্ষোভে ভাঙচুরে তদন্তের নির্দেশ শুভেন্দুর
-
গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন? অস্ত্র মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ খান স্যরের
-
বরানগর-বারাকপুর মেট্রো প্রকল্পের অগ্রগতি, হকারের পুনর্বাসনের আর্জি জানিয়ে রেলমন্ত্রীকে চিঠি বিধায়ক কৌস্তভের
-
কেন ভাঙা হবে না পুরবোর্ড? ৭২ ঘণ্টায় জবাব চাইল রাজ্য, এবার কলকাতা পুরসভায় প্রশাসক!