Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
North Bengal

ফুটপাথ দখল করে শিলিগুড়িতে ১০ লাখি পার্ক! অভিযোগ পেয়েই চলল বুলডোজার

শিলিগুড়ির ৪১ নম্বর ওয়ার্ডে রাস্তা দখল করে প্রায় ১০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে তৈরি করা হয়েছিল একটি আজব পার্ক। কিন্তু সেই পার্কে ছিল শুধু একটি ঘেরাটোপ ও হাতেগোনা কয়েকটি গাছ।

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জুন ২৭, ২০২৬, ১৫:৪৮

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জুন ২৭, ২০২৬, ১৫:৪৮

options
link
ফুটপাথ দখল করে শিলিগুড়িতে ১০ লাখি পার্ক! অভিযোগ পেয়েই চলল বুলডোজার zoom
বুলডোজার দিয়ে ভেঙে দেওয়া হল পার্ক।
Advertisement

শিলিগুড়ি ফুটপাথ দখল করে ছোট্ট একটি পার্ক। তার জন্য খরচ করা হয়েছে প্রায় ১০ লক্ষ টাকা। ৪১ নম্বর ওয়ার্ডে এই পার্ক দেখে রেগে অগ্নিশর্মা কমিশনার বীর বিক্রম রাই। তিনি সঙ্গে সঙ্গে ওই পার্ক গুড়িয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেন। বুলডোজার দিয়ে তা ভেঙে ফেলা হয়।

ওই এলাকার প্রাক্তন কাউন্সিলর শিবিকা মিত্তাল। তাঁকে এবিষয়ে প্রশ্ন করতেই তিনি বলেন, “এই কাজটা অসম্পূর্ণ। এটা এখনও শেষ হয়নি। অনেক কাজ বাকি আছে। শুধুমাত্র ঘেরা দেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে দোলনা, বেঞ্চ, ফোয়ারা আরও অনেক কিছু লাগানোর ছিল। মাত্র ২০শতাংশ কাজ হয়েছে। সব নিয়ে ১০লক্ষ টাকা বরাদ্দ ছিল।” 

শিলিগুড়ির ৪১ নম্বর ওয়ার্ডে রাস্তা দখল করে প্রায় ১০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে তৈরি করা হয়েছিল একটি আজব পার্ক। কিন্তু সেই পার্কে ছিল শুধু একটি ঘেরাটোপ ও হাতেগোনা কয়েকটি গাছ। স্থানীয়দের অভিযোগ, এত টাকা খরচ হলেও বাস্তবে পার্কের নামে এটি সরকারি টাকার শ্রাদ্ধ করা হয়েছে। উল্টে পার্কটি তৈরি হওয়ার পর থেকেই সামান্য বৃষ্টিতেই গোটা এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়ত। এহেন অভিযোগ পাওয়া মাত্র শিলিগুড়ি পুরনিগমের নতুন কমিশনার বীর বিক্রম রাই ইসকন মন্দির রোড সংলগ্ন এলাকা পরিদর্শনে যান। সেখানে ওই পার্কটি দেখে তিনি তা ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেন। এরপর জেসিবি এনে কর্মীরা পার্কটি ভেঙে দেন। তার পাশেই রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের একটি পার্টি অফিস। সেটা সরিয়ে নেওয়ার জন্য নোটিস দেওয়া হয়।

Advertisement

এদিকে ওই এলাকার প্রাক্তন কাউন্সিলর শিবিকা মিত্তাল। তাঁকে এবিষয়ে প্রশ্ন করতেই তিনি বলেন, “এই কাজটা অসম্পূর্ণ। এটা এখনও শেষ হয়নি। অনেক কাজ বাকি আছে। শুধুমাত্র ঘেরা দেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে দোলনা, বেঞ্চ, ফোয়ারা আরও অনেক কিছু লাগানোর ছিল। মাত্র ২০শতাংশ কাজ হয়েছে। সব নিয়ে ১০লক্ষ টাকা বরাদ্দ ছিল। এই জায়গাটা দোকান বসে দখল হচ্ছিল তাই এলাকার বাসিন্দাদের কথা অনুযায়ী এই কাজ করা হয়। টেন্ডার করে করা হয়েছিল আমার পাড়া আমার সমাধানের কাজটা।” তবে কমিশনার কিছু বলতে চাননি। কিন্তু এধরনের অনৈতিক কাজ যা হয়েছে তা যে মানা হবে না স্পষ্ট করে দেন তিনি। 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.