Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৬ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
North Dinajpur

লুকোচুরি খেলা শেষ! গোয়ালপোখরে এনকাউন্টারে নিহত সাজ্জাকের সঙ্গী আবদুল গ্রেপ্তার

ঘটনার পর বিহার হয়ে ঝাড়খণ্ড পালিয়ে যাওয়ার ছক ছিল তার, কিন্তু তাতে ব্যর্থ হয়ে সে গোয়ালপোখরে ফিরে আসতেই গ্রেপ্তার হয়।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২১, ২০২৫, ১০:০৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২১, ২০২৫, ১০:০৯

options
link
লুকোচুরি খেলা শেষ! গোয়ালপোখরে এনকাউন্টারে নিহত সাজ্জাকের সঙ্গী আবদুল গ্রেপ্তার zoom
Advertisement

শংকরকুমার রায়, রায়গঞ্জ: পুলিশ গুলি করে বন্দি ছিনতাই। দুঃসাহসিক সেই কাজ করে আগেই পুলিশের নজরে পড়ে গিয়েছিল। জেল থেকে পালিয়ে পার পায়নি গোয়ালপোখরের কুখ্যাত দুষ্কৃতী সাজ্জাক আলম। এনকাউন্টারে নিহত হয়েছে সে। এবার সাজ্জাকের সঙ্গী আবদুল হোসেন ওরফে আবালকেও নাগালে পেলেন তদন্তকারীরা। সোমবার গভীর রাতে উত্তর দিনাজপুরের করণদিঘির রসখোয়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় তাকে। রাতে করণদিঘি থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে খবর। আবদুল হোসেনের গ্রেপ্তারির খবর নিশ্চিত করলেও এ বিষয়ে বিশেষ মুখ খুলতে চাননি রায়গঞ্জের পুলিশ সুপার সানা আখতার।

আবদুলকে জেরা করে পুলিশ প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছে, আবদুল হোসেন ওরফে আবাল বাংলাদেশি। বেশ কয়েকবছর আগে সেখান থেকে ভারতে অনুপ্রবেশ করে। আর সেই কারণেই কারাবাসে ছিল আবদুল। ইসলামপুরের সেই জেলে থাকার সময় সাজ্জাক আলমের সঙ্গে আলাপ এবং ডাকাতি-সহ একাধিক অপরাধমূলক কাজে হাত পাকানো। সেসময় সাজ্জাকও একটি ডাকাতির ঘটনায় ছিল কারাগারে ছিল। আবদুলকেও সে এসব কুকর্মের সঙ্গী করে নেয়। করণদিঘি এলাকায় যাবতীয় চুরি, ছিনতাইয়ের ঘটনায় যুক্ত ছিল এরা। ছিল পুলিশের নজরেও।

Advertisement

পুলিশ সূত্রে আরও খবর, এসবের মাঝে গোয়ালপোখরের এক তরুণীর সঙ্গে প্রেম এবং বিয়ে হয় আবদুল হোসেনের। সেখানেই স্থায়ীভাবে থাকতে শুরু করে। তবে এর মাঝে অবৈধভাবে সীমান্ত পারাপারেও সাহায্য করেছে অনেককে। পরবর্তীকালে সাজ্জাক আলম ফের জেলবন্দি হওয়ায় আবদুল মরিয়া চেষ্টা করে তাকে মুক্ত করার। তারই অংশ হিসেবে গত ১৬ তারিখ সাজ্জাক গুলি চালিয়ে জেল থেকে পালাতে সক্ষম হয়। পরে গোয়ালপোখরের কাছে সীমান্ত এলাকা কীচকটোলায় পুলিশের এনকাউন্টারে নিহত হয় সে। সাজ্জাক পালানোর পর থেকেই পুলিশের নজরে পড়ে সঙ্গী আবদুলও। আর তা বুঝেই সে সীমানা পেরিয়ে বিহারের কিষাণগঞ্জ হয়ে ঝাড়খণ্ডে গা ঢাকা দেওয়ার পরিকল্পনা করে। কিন্তু সেই পথে বাধা পেয়ে ফিরে আসে গোয়ালপোখরেই। আর সেটাই কাল হয় তার। পুলিশ সোমবার গভীর রাতে রসখোয়া থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। আবদুলকে হেফাজতে নিয়ে এই কুখ্যাত চক্রের পুঙ্খানুপুঙ্খ খবরাখবর মিলবে বলে আশা তদন্তকারীদের। 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.