৩০ আষাঢ়  ১৪২৬  সোমবার ১৫ জুলাই ২০১৯ 

Menu Logo বিলেতে বিশ্বযুদ্ধ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

শুভময় মন্ডল: চরম অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে রাজ্য। প্রায় ভেঙে পড়েছে চিকিৎসা ব্যবস্থা। চার দিন ধরে চলছে চিকিৎসকদের কর্মবিরতি। অন্যদিকে, রোগীর আত্মীয়-স্বজনদের হাহাকার। শুক্রবার সকাল থেকেই চিকিৎসকদের পাশে থাকতে এনআরএস হাসপাতাল চত্বরে উপস্থিত ছিলেন অপর্ণা সেন, দেবজ্যোতি মিশ্র, কৌশিক সেন-সহ বুদ্ধিজীবী মহলের একাংশ। বেলা বাড়তেই গায়ক রূপম ইসলাম, পরিচালক অনীক দত্ত, শ্রীলেখা মিত্র-সহ আরও অনেক শিল্পীরাই সেই আন্দোলনে শামিল হতে পৌঁছে যান এনআরএস হাসপাতালে। এমতাবস্থায়, শুক্রবার এনআরএস ইস্যু নিয়ে সরব হন গায়ক রূপম ইসলাম

[আরও পড়ুন: ‘আমরা বিরক্ত’, এনআরএস কাণ্ডে তীব্র প্রতিক্রিয়া কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়ের ]

শুক্রবার বিকেল পাঁচটা নাগাদ শহরে বিক্ষোভ মিছিলে হাঁটেন ডাক্তাররা। সেই মিছিলে পা মেলাতে দেখা যায় গায়ক রূপম ইসলাম, অনুপম রায়-সহ অপর্ণা সেনকেও। সেখানেই তিনি বলেন, “কোনও আন্দোলনই বিনা কারণে হয় না। এখানে আন্দোলনের মূল কারণ সুষ্ঠু চিকিৎসা ব্যবস্থার পরিকাঠামোর দাবি পূরণ করা। ডাক্তারদের নিশানা করে যে আক্রমণ হচ্ছে, তা বন্ধ করতে হবে। প্রশাসনের কাছে আমার আবেদন, আজকে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে আন্দোলনের জন্য, সেই আন্দোলনটা কেন হল, সেটা ভাবুন। সবারই উচিত এই দিকটাও একটু ভেবে দেখা। কাজেই এই অচলাবস্থা কি করে মেটানো যায়, তার সমাধান বের করুন। চিকিৎসকরাই সবসময়ই চান সাধারণ মানুষ যেন যথাযথ চিকিৎসা পায় বা ঠিকঠাক স্বাস্থ্য পরিষেবা পেয়ে সুস্থ হয়ে ওঠে। আজ তাঁরাই যখন আন্দোলনে নেমেছেন, বুঝতে হবে এ সমস্যার শিকড় কিন্তু আরও গভীরে। আমার মনে হয়, চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলার মাধ্যমেই এই সমস্যার সমাধান হতে পারে। প্রথমত, চিকিৎসকেরা কষ্ট পাচ্ছেন। দ্বিতীয়ত, পরিষেবা না পেয়ে সাধারণ মানুষও কষ্ট পাচ্ছেন। এই সমস্যা উভয়ের। সর্বোপরি, গোটা মানবতার সমস্যা।”

[আরও পড়ুন: উনি শুধু তৃণমূলের নন, গোটা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী,’ মমতাকে তোপ অগ্নিমিত্রার]

বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের করা মন্তব্য নিয়েও প্রতিক্রিয়া দেন রূপম।  তিনি বলেন, “এদিন মুখ্যমন্ত্রী যেভাবে হস্টেল ছেড়ে দেওয়া বা কাজে যোগ দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন। তা মোটেই বন্ধুতার বার্তা নয়।”  তিনি আরও বলেন, “একজন শিল্পীর কাজই হল প্রভাবিত হওয়া এবং তাঁর প্রতিফলন ঘটানো। এত বড় ঘটনার পরও আমি কী করে বাড়িতে বসে থাকি বলুন তো! আজকে আমি এই আন্দোলনে শামিল হতে বাধ্য হলাম। কারণ, রাজ্যজুড়ে এই অচলাবস্থার একটা প্রতিকার হওয়া দরকার। কারও নামে কটূক্তি করলে চলবে না। ভালবাসার মাধ্যমে, বন্ধুত্বপূর্ণভাবে এই সমস্যার সমাধান ঘটাতে হবে। এছাড়াও, মিছিলে উপস্থিত থাকা আরেক জনপ্রিয় গায়ক অনুপম রায় বলেন, “দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়েছে মানুষের। ডাক্তারদের উপর আক্রমণ কাম্য নয়। আজ সেই প্রতিবাদেই শামিল হয়েছি। দয়া করে প্রশাসনের উচিত এই ছেলেমেয়েগুলির কথা শোনা ও তাঁদের সঙ্গে আলোচনায় বসা।”

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং