Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
Jangipur Super Speciality Hospital

নার্সদের ‘গাফিলতি’তে জঙ্গিপুরের হাসপাতালে মৃত্যু খুদের, অভিযোগ পেয়েই নড়েচড়ে বসল কর্তৃপক্ষ

অভিযোগ, মা প্রসব যন্ত্রণায় ছটফট করলেও নার্সরা সহযোগিতা না করায় মৃত্যু হয় খুদের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১, ২০২০, ১৮:১৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১, ২০২০, ১৮:১৮

options
link
নার্সদের ‘গাফিলতি’তে জঙ্গিপুরের হাসপাতালে মৃত্যু খুদের, অভিযোগ পেয়েই নড়েচড়ে বসল কর্তৃপক্ষ zoom
ছবি: প্রতীকী
Advertisement

শাহাজাদ হোসেন, ফরাক্কা: নার্সদের গাফিলতিতে সদ্যোজাত শিশুমৃত্যুর ঘটনায় এবার কাঠগড়ায় জঙ্গিপুর সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতাল ( Jangipur Super Speciality Hospital )। কর্তব্যরত নার্সদের শাস্তির দাবিতে হাসপাতালের সুপার সায়ন দাসের কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন শিশুর পরিবারের সদস্যরা। এ বিষয়ে জানা মাত্রই নড়েচড়ে বসেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

জানা গিয়েছে, বুধবার বিকেল পাঁচটা নাগাদ সুতি ২ নম্বর ব্লকের জগতাই ১ নম্বর পঞ্চায়েতের দেবীপুরের বাসিন্দা চুমকি খাতুনকে ভরতি করা হয় জঙ্গিপুর সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে। ওইদিন রাত এগারোটা নাগাদ প্রসব যন্ত্রণা ওঠে তাঁর। সেই সময় শিশুর মাথা বেড়িয়ে আসে বলে দাবি পরিবারের। অভিযোগ, ওই পরিস্থিতিতে চুমকি কর্তব্যরত নার্সদের ডাকাডাকি করলেও কেউ এগিয়ে যাননি। কারণ, সেই সময় তাঁরা নৈশভোজ সারছিলেন। তাঁরা সাফ জানিয়ে দেন, খাওয়া না হলে তাঁরা যেতে পারবেন না! প্রায় আধ ঘণ্টা ওই অবস্থায় থাকেন চুমকি। নার্সরা যাওয়ার আগেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে খুদে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘রাস্তায় জনতার সামনে এনকাউন্টার করা উচিত দোষীদের’, হাথরাস কাণ্ডে কড়া মন্তব্য লকেটের]

চুমকি খাতুনের অভিযোগ, নার্সরা প্রথম থেকেই তাঁর সঙ্গে দুর্ব্যবহার করছিল। ভয়ও দেখাত। তাঁর কথায়, “আমি একাধিকবার ডেকেছি দিদি আসুন, মাথা বেড়িয়ে গিয়েছে আমার সন্তানের। কিন্তু ওরা বলে খাবার না খাওয়া হলে যেতে আমরা পারব না। প্রায় ৩০ মিনিট আমার সন্তান গলা বের করে থাকে। ওরা যখন এল ততক্ষণে সব শেষ।”
চুমকি খাতুনের স্বামী জহিদ হাসান বলেন, “আমি ওই নার্সদের শাস্তি চাই। ওনারা একটু মানবিক হলে আমার শিশুটি বেঁচে যেত।” এ প্রসঙ্গে জঙ্গিপুর সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালের সুপার সায়ন দাস বলেন, “লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে। সত্যতা প্রমাণিত হলে কর্তব্যরত নার্সদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

[আরও পড়ুন: করোনা কাঁটা, নিয়ম বদলাচ্ছে জগন্নাথপুরের চৌধুরি পরিবারের ৩০০ বছরের প্রাচীন পুজোর]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.