Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ আশ্বিন ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Bhutni Char

গঙ্গা-ফুলহারের দূরত্ব মাত্র পাঁচশো মিটার! বানভাসি ভূতনিতে উদ্ধারকার্যে আধাসেনা, ত্রাণবণ্টনে জোর

মালদহে এবারের গঙ্গা ভাঙন গত দু'বছরের তুলনায় অনেক ভয়াবহ বলেই মনে করছে রাজ্য। অভিযোগ, বিগত সরকার ভাঙন রোধে ব্যবস্থা নিলে এবার মানুষকে এতটা সমস্যায় পড়তে হত না!

সংবাদ প্রতিদিন ব্যুরো
সংবাদ প্রতিদিন ব্যুরো

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬, ১৭:০৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ব্যুরো
সংবাদ প্রতিদিন ব্যুরো

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬, ১৭:০৬

options
link
গঙ্গা-ফুলহারের দূরত্ব মাত্র পাঁচশো মিটার! বানভাসি ভূতনিতে উদ্ধারকার্যে আধাসেনা, ত্রাণবণ্টনে জোর zoom
বানভাসি ভূতনিতে ত্রাণবন্টনে জোর ছবি: হরেন চৌধুরী
Advertisement

ভূতনি চর থেকে জল কবে পুরোপুরি নামবে কেউ জানে না। পরিস্থিতির কোনও পরিবর্তন নেই। এখানে উদ্ধার কাজে নামানো হয়েছে আধাসেনা। জেলা প্রশাসনের তরফে চলছে সতর্কতার মাইকিং। সরকারি নৌকা না-মেলায় দুর্গতরা টিনের ডোঙায় কিংবা গাঁটের টাকা খরচ করে অন্য কোনওভাবে যাতায়াত করছেন। বানভাসিদের জন্য প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে।

ত্রাণ শিবিরগুলোতে প্রতিদিন রান্না করা খাবার বিলি হচ্ছে। যাঁরা এখনও বাড়িতে আছেন তাঁরা শুকনো খাবার পাচ্ছেন। পাশাপাশি চিকিৎসাও চলছে। তৈরি রাখা হয়েছে বোট অ্যাম্বুল্যান্স। গঙ্গার বন্যায় এবার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মানিকচক ব্লকের ভূতনি চর। বৃহস্পতিবার ভূতনির পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে সেতু এলাকায় পরিদর্শনে যান জেলাশাসক-সহ প্রশাসনের কর্তারা।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

অন্যদিকে, বিলাইমারিতে যান মালদহ উত্তরের সাংসদ খগেন মুর্মু। তিনি জানান, গঙ্গা ভাঙনে মহানন্দটোলা ও বিলাইমারি গ্রাম পঞ্চায়েত নদীতে তলিয়ে যাওয়ার পথে। গঙ্গা আর ফুলহারের দূরত্ব এখন মাত্র পাচশো মিটার। এই এলাকায় রয়েছে ফুলহারের শাখা কোশি নদী। যদি কোনও ভাবে তিনটি নদী এক হয়ে যায় রতুয়া-১ ব্লকের কাহালা, দেবীপুর গ্রাম পঞ্চায়েত-সহ অধিকাংশ এলাকা গঙ্গাগর্ভে হারিয়ে যাবে। বৃহস্পতিবার গঙ্গা ও ফুলহারের জলস্তর অনেকটা নেমেছে।

মালদহে এবারের গঙ্গা ভাঙন গত দু’বছরের তুলনায় অনেক ভয়াবহ বলেই মনে করছে রাজ্য। অভিযোগ, বিগত সরকার ভাঙন রোধে ব্যবস্থা নিলে এবার মানুষকে এতটা সমস্যায় পড়তে হত না! ভাঙন রোধে শুধু বাজেটে অর্থ বরাদ্দ যথেষ্ট নয়। এই বিষয়ে বিহার ও ঝাড়খণ্ডের সঙ্গেও কথা বলতে হবে। তিন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠকের পরই সমস্যার সমাধান সম্ভব হবে বলে মনে করছেন সেচ দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী জুয়েল মুর্মু।

এ দিকে, ইংলিশবাজারের বিধায়ক তথা বিধানসভায় শাসকদলের মুখ্য সচেতক অম্লান ভাদুড়ি মালদহের ভূতনিতে প্লাবন কবলিতদের জন্য গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। একইসঙ্গে তাঁর বক্তব্য, আগের সরকারের আমলে ভাঙন রোধে কেন্দ্রের বিপুল বরাদ্দ নিয়ে ব্যাপক দুর্নীতির জেরেই ভূতনির এই পরিণতি। বৃহস্পতিবার বানভাসি রতুয়া-১ ব্লকের বিলাইমারি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় মন্ত্রী যান। বন্যা ও ভাঙনের ভয়াবহতা দেখে তিনি সেখানেই জানান, বিহারের সকরিগলিতে একটি ক্যানেল তৈরি করে গঙ্গার প্রবাহকে দু’ভাগে ভাগ করার পরিকল্পনা রয়েছে। সেটা হলে মালদহে নদী ভাঙন নিয়ন্ত্রণে আসবে।

ভাঙন ঠেকাতে এবারের বাজেটে ৩ হাজার ৬০০ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। কিন্তু শুধু বাজেটে অর্থ ধরলেই হবে না। গঙ্গা ভাঙন নিয়ে বিহার ও ঝাড়খণ্ডের সঙ্গে বসতে হবে। তিন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠকের পরই সমস্যার সমাধান সম্ভব হবে। সেচ দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, যে টাকা বরাদ্দ হয়েছে তার বেশিরভাগ খরচ হবে মালদহে। এখন আইআইটি কানপুরের বিশেষজ্ঞ দলের অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে। ওরা সবকিছু খতিয়ে দেখে এস্টিমেট তৈরি করবে। এরপর গঙ্গায় ড্রেজিং হবে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.