Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ আশ্বিন ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Singur

বিশ্বকর্মা আরাধনায় জমজমাট সিঙ্গুর, টাটাদের কারখানার ধ্বংসস্তূপে শিল্প তৈরির আশা

২০০৮ সালের ৩ অক্টোবর সিঙ্গুর ছাড়তে বাধ্য হয়েছিল টাটা।

সুমন করাতি
সুমন করাতি

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬, ১৭:৩০

link
সুমন করাতি
সুমন করাতি

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬, ১৭:৩০

options
link
বিশ্বকর্মা আরাধনায় জমজমাট সিঙ্গুর, টাটাদের কারখানার ধ্বংসস্তূপে শিল্প তৈরির আশা zoom
সিঙ্গুরে বিশ্বকর্মা আরাধনা। নিজস্ব চিত্র
Advertisement

সিঙ্গুরে টাটাদের কারখানা হয়নি। তবে স্মৃতিচিহ্নের মতো এদিক সেদিক লোহার রড, ইট, ভাঙা দেওয়ালের অংশ আজও পড়ে রয়েছে। বদলের বাংলায় সেই সিঙ্গুরে ফের বিশ্বকর্মা আরাধনা। শিল্পমন্ত্রী তাপস রায় সেখানে যেতে পারেন বলেই খবর।

‘সিঙ্গুর কৃষক শিল্প সমন্বয় পরিষদে’র তরফে বিশ্বকর্মা পুজোর আয়োজন করা হয়। তৃণমূলের আমলে তৈরি শহিদ স্মৃতিস্তম্ভের সামনে তৈরি হয়েছে মণ্ডল। সকাল থেকেই যেন সেখানে সাজ সাজ রব। ঢাক বাড়ছে। এলাকার আট থেকে আশির আনাগোনাতে সরগরম গোটা এলাকা।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

Viswakarma-Puja-Singur-1

বিশ্বকর্মার আরাধনার পর যেন সিঙ্গুরে শিল্পখরা কাটে, এটাই প্রার্থনা স্থানীয়দের।
স্থানীয় কৃষকরা এই জমিতে কোনও সময় ধান চাষ করতেন। তবে এখন সেই জমি নিষ্ফলা। বর্তমানে এই জমিতে আগামী কয়েক বছর চাষবাস হওয়া যে সম্ভব নয়, সে বাস্তব যেন এখন জোর করেই মেনে নিয়েছেন কৃষকরা। নুন আনতে পান্তা ফুরনোর সংসারে এখন শুধু শিল্পের জন্য হাহাকার। তাঁরা চান যত তাড়াতাড়ি সম্ভব শিল্প আসুক সিঙ্গুরে।

বলে রাখা ভালো, ২০০৮ সালের ৩ অক্টোবর সিঙ্গুর ছাড়তে বাধ্য হয়েছিল টাটা। আক্ষেপ নিয়েই বাংলা ছেড়েছিলেন প্রয়াত শিল্পপতি রতন টাটা। আজও বাংলার মানুষ সেই ক্ষত ভুলতে পারেননি। কারণ শিল্প চলে গেলে শুধু একটি কোম্পানি যায় না, হারিয়ে যায় হাজার হাজার চাকরি, থমকে যায় উন্নয়ন, অন্ধকার নামে যুবসমাজের ভবিষ্যতের উপর। বিজেপি বিশ্বাস করে – বাংলার উন্নয়নের একমাত্র পথ শিল্পায়ন। তাই বাংলায় আবার টাটাকে ফেরানোর দায়িত্ব নিয়েছে বিজেপি।

ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপি সংকল্পপত্রে দাবি করেছিল সিঙ্গুরে শিল্প পার্ক হবে। বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যও টাটাদের সিঙ্গুর ফেরানোই চ্যালেঞ্জ বলে দাবি করেছিলেন। কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারের গলাতেও শোনা গিয়েছে শিল্প বার্তা। সিঙ্গুরের বিধায়ক অরূপকুমার দাসও শিল্পের বিষয় আশাবাদী। তিনি বলেন, “আমাদের সংকল্পপত্রে বলা হয়েছিল, সিঙ্গুরে শিল্পায়ন হবে। আমাদের সরকার আগামী দিনে সিঙ্গুরবাসীর আশাপূরণ করবে।” এদিন বিশ্বকর্মা পুজোয় অংশ নিতে পারেন শিল্পমন্ত্রী তাপস চট্টোপাধ্যায়। কৃষকরা একজোট হয়ে তাঁর কাছে শিল্পের দাবি করতে পারেন বলেই খবর।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.