Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Patharpratima Blast

১২ ঘণ্টার মধ্যেই পাথরপ্রতিমা বিস্ফোরণে আটক কারখানা মালিক, রিপোর্ট তলব নবান্নের

এখনও পলাতক কারখানার আরেক মালিক।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১, ২০২৫, ১৭:০৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১, ২০২৫, ১৭:০৪

options
link
১২ ঘণ্টার মধ্যেই পাথরপ্রতিমা বিস্ফোরণে আটক কারখানা মালিক, রিপোর্ট তলব নবান্নের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ১২ ঘণ্টা পেরনোর আগেই পাথরপ্রতিমা বিস্ফোরণে (Patharpratima Blast) আটক এক কারখানা মালিক। মঙ্গলবার সকালে ঢোলাহাট থানার পুলিশের জালে ধরা পড়েন চন্দ্রকান্ত বণিক। আরেক মালিকের খোঁজে পুলিশ। এদিকে বিস্ফোরণকাণ্ডে জেলাশাসকের কাছে রিপোর্ট তলব করেছে নবান্ন।

ধৃত চন্দ্রকান্ত বণিক।

দিন কয়েকের মধ্যে এলাকায় বাসন্তী পুজো রয়েছে। সেই উপলক্ষে সোমবার রাতে পাথরপ্রতিমার ঢোলাহাট থানা এলাকার বাসিন্দা চন্দ্রকান্ত বণিকের বাড়িতে বেআইনিভাবে বাজি তৈরি হচ্ছিল বলেই পুলিশ সূত্রে খবর। রাত ন’টা নাগাদ আচমকাই বাজির স্তূপে আগুন ধরে যায়। তা থেকেই বিপত্তি। জানা গিয়েছে, বাড়িতে একাধিক গ্যাস সিলিন্ডার রাখা ছিল। আগুনের তাপে সেগুলি ফাটতে শুরু করে। বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। দাউদাউ করে জ্বলতে থাকে গোটা বাড়ি। বাজি তৈরির সময় বাড়ির শিশুরা ঘুমোচ্ছিল। মহিলারাও তাদের সঙ্গেই ছিল। আচমকা বিস্ফোরণ ঘটায় বাড়িতে থেকে কেউ বেরতে পারেননি। জীবন্ত অবস্থায় অগ্নিদগ্ধ হন পরিবারের অধিকাংশ সদস্যই। রাতেই শিশু-সহ ৭ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে পুলিশ। একজনকে পাঠানো হয় হাসপাতালে। ভোররাতে মৃত্যু হয়েছে আরও একজনের।

Advertisement

ঘটনার পর থেকেই বেপাত্তা ছিলেন কারখানার দুই মালিক চন্দ্রকান্ত বণিক ও তুষার বণিক। মঙ্গলবার সকালে চন্দ্রকান্তকে আটক করল পুলিশ। তবে শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী এখনও বেপাত্তা তুষার। তাঁর খোঁজ চলছে। উল্লেখ্য, পাথরপ্রতিমা বিস্ফোরণের পর থেকেই কয়েকটি প্রশ্ন উঠছে, জনবসতিপূর্ণ এলাকায় কীভাবে গড়ে উঠল এই কারখানা? আদৌ লাইসেন্স ছিল কি? আতসবাজি বিস্ফোরণ কি এমন প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে? কারখানা মালিক চন্দ্রকান্ত বণিকের কাকা থেকে প্রতিবেশী, সকলের দাবিই রীতিমতো ভয়ংকর। ঠিক কী বলছেন স্থানীয়রা? তাঁদের দাবি, ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে জনবসতির মাঝেই চলছিল বাজি তৈরি। যদিও বাজির আড়ালে সেখানে বোমা তৈরি হত নিয়মিত। যা থেকে বিপদের আশঙ্কা ছিলই। কারখানা বন্ধ করতে বহুবার পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন স্থানীয়রা। কিন্তু তাতে কোনও লাভ হয়নি বলেই অভিযোগ। 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.