Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Contai

‘জয় শ্রীরাম’ বলে হাসপাতালের ছাদ থেকে ঝাঁপ রোগীর! চাঞ্চল্য কাঁথিতে

রোগী নিজের বেড থেকে কীভাবে ছাদে উঠে এই কাণ্ড ঘটালেন? কাঁথি মহকুমা হাসপাতালের এই ঘটনায় রোগীদের নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠে গেল।

Advertisement
রঞ্জন মহাপাত্র
রঞ্জন মহাপাত্র

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬, ১৭:৩১

link
রঞ্জন মহাপাত্র
রঞ্জন মহাপাত্র

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬, ১৭:৩১

options
link
‘জয় শ্রীরাম’ বলে হাসপাতালের ছাদ থেকে ঝাঁপ রোগীর! চাঞ্চল্য কাঁথিতে zoom
হাসপাতালের ছাদ থেকে 'জয় শ্রীরাম' বলে ঝাঁপ রোগীর। ছবি: AI নির্মিত।

দিনের ব্যস্ত সময় তীব্র শোরগোল পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথি (Contai) মহকুমা হাসপাতালে। সোমবার দুপুরে হাসপাতালের ছাদ থেকে ‘জয় শ্রীরাম’ বলে ঝাঁপিয়ে পড়লেন এক রোগী! যদিও শেষপর্যন্ত তাঁর প্রাণ বাঁচানো গিয়েছে। কিন্তু এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ানোর পাশাপাশি রোগী নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠে গেল। কীভাবে রোগী নিজের বেড থেকে ছাদে উঠে আত্মহত্যার চেষ্টা করলেন? নার্স বা নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মীরা কি কেউ দেখতে পাননি? সকলের নজর এড়িয়ে কীভাবে এমনটা ঘটে গেল, তা নিয়ে অবশ্য মুখে কুলুপ হাসপাতাল সুপার ও সহকারী সুপারের।

The patient attempted suicide by jumping from the hospital rooftop in contai
হাসপাতালের এই ছাদ থেকেই ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে ওই রোগী। নিজস্ব ছবি

হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েকদিন আগে অসুস্থতা নিয়ে বছর পঞ্চাশের ওই ব্যক্তি কাঁথি (Contai) মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি হন। হাসপাতালের এক্সট্রা ১২ নম্বর বেডে তাঁর চিকিৎসা চলছিল। সোমবার দুপুরে আচমকাই তিনি হাসপাতালের ছাদে উঠে ‘জয় শ্রীরাম’ বলে ঝাঁপ দেন। আত্মহত্যার জন্যই এই পদক্ষেপ বলে প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছেন হাসপাতালের কর্মীরা। ঝাঁপ দেওয়ার পর স্থানীয়রা দ্রুত ছুটে এসে তাঁকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে ফের হাসপাতালে ভর্তি করান। তাঁরাই অভিযোগ করেন, সেই সময়ও হাসপাতালের নিরাপত্তাকর্মী বা কর্তৃপক্ষের কাউকে ঘটনাস্থলে দেখা যায়নি। তদন্তের স্বার্থে ওই রোগীর নাম-পরিচয় প্রকাশ্যে আনা হয়নি।

Advertisement
The patient has been rescued in a bleeding condition in contai.
রোগীকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। নিজস্ব ছবি

এই ঘটনার পর হাসপাতালের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঘিরে বহু প্রশ্ন উঠে গিয়েছে। রোগীদের উপর নজরদারিতে এতটাই উদাসীন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ?  বিষয়টি নিয়ে হাসপাতালের সুপার ও অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপারের প্রতিক্রিয়া জানতে তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। জানা যায়, তাঁরা দু’জনই ছুটিতে রয়েছেন। হাসপাতালের অন্য কেউও এ বিষয়ে মুখ খুলতে চাননি। সবমিলিয়ে এভাবে রোগীর আত্মহত্যার চেষ্টাকে কেন্দ্র করে হাসপাতাল চত্বরে ব্যাপক উত্তেজনাকর পরিবেশ তৈরি হয়। আতঙ্কিত হয়ে পড়েন অন্যান্য রোগীর আত্মীয়রাও।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.